ঢাকা ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস: কুবির পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শিয়ালের হাতে মুরগি তুলে দেওয়ার ভুল করেছি: চরমোনাই পীর পোর্ট অব স্পেন টেস্টে জয়ের স্বপ্ন দেখছে পাকিস্তান ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে জাতীয় ঐক্য দৃঢ় করার আহ্বান মাহদী আমিনের মোজাফফরের ফেসবুক তথ্য চেয়ে মেটার কাছে ট্রাইব্যুনালের চিঠি চন্দনাইশে বিএনপির গণসমাবেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ১১ দলীয় ঐক্যের আনন্দ মিছিল গোবিপ্রবিতে হলের ফিস্টে নিম্নমানের খাবার পরিবেশনের অভিযোগ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান হরমুজ প্রণালির নৌপথ নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছাল ইরান ও ওমান

রংপুরের বালাপাড়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত সেসব পরিবারের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন শেষে পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫ ৬৫৬ বার পড়া হয়েছে

রংপুরের বালাপাড়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত সেসব পরিবারের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন শেষে পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক কিশোরের বাড়িসহ স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার বেতগাড়ি ইউনিয়নের আলদাদপুর বালাপাড়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত সেসব পরিবারের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন শেষে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বিস্তারিত জানিয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জানান, ২২টি পরিবারের মধ্যে ১৯টি পরিবার বর্তমানে তাদের বাড়িতেই আছে। কটূক্তিকারী রঞ্জন কুমার রায় এবং তার চাচার পরিবারসহ মোট তিনটি পরিবার পার্শ্ববর্তী গ্রামে আত্মীয়ের বাড়িতে রয়েছেন।

জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িঘর মেরামত করার কাজ শুরু হয়েছে। তিনি পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সেনাবাহিনী ও পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নিয়োজিত রয়েছেন।

এদিকে রংপুরের পুলিশ সুপার মো. আবু সাইম জানান, হিন্দু পরিবারগুলোর ওপর হামলার ঘটনায় মোট ১২টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই বাড়িগুলোতে ২২টি পরিবার বসবাস করত।

তিনি জানান, রঞ্জন আটক হওয়ার পর থেকেই তার বাবা, দাদা এবং চাচার পরিবার বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আছেন। অন্যান্য ১৯টি পরিবারের সব পুরুষ সদস্য তাদের নিজ নিজ বাড়িতেই আছেন। ঘরবাড়ি ভাঙা থাকায় কিছু নারী সদস্য মালামাল নিয়ে রিকশাভ্যান যোগে অন্যত্র চলে গেছেন।
স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকায় সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামত হলে নারী সদস্যগণসহ সকলেই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরবেন বলে জানান তিনি।

এই হামলার ঘটনায় দায়ীদের শনাক্তকরণের কাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িত তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

রংপুরের বালাপাড়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত সেসব পরিবারের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন শেষে পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য

আপডেট সময় : ০৯:৩২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
print news

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক কিশোরের বাড়িসহ স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার বেতগাড়ি ইউনিয়নের আলদাদপুর বালাপাড়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত সেসব পরিবারের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন শেষে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বিস্তারিত জানিয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জানান, ২২টি পরিবারের মধ্যে ১৯টি পরিবার বর্তমানে তাদের বাড়িতেই আছে। কটূক্তিকারী রঞ্জন কুমার রায় এবং তার চাচার পরিবারসহ মোট তিনটি পরিবার পার্শ্ববর্তী গ্রামে আত্মীয়ের বাড়িতে রয়েছেন।

জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িঘর মেরামত করার কাজ শুরু হয়েছে। তিনি পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সেনাবাহিনী ও পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নিয়োজিত রয়েছেন।

এদিকে রংপুরের পুলিশ সুপার মো. আবু সাইম জানান, হিন্দু পরিবারগুলোর ওপর হামলার ঘটনায় মোট ১২টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই বাড়িগুলোতে ২২টি পরিবার বসবাস করত।

তিনি জানান, রঞ্জন আটক হওয়ার পর থেকেই তার বাবা, দাদা এবং চাচার পরিবার বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আছেন। অন্যান্য ১৯টি পরিবারের সব পুরুষ সদস্য তাদের নিজ নিজ বাড়িতেই আছেন। ঘরবাড়ি ভাঙা থাকায় কিছু নারী সদস্য মালামাল নিয়ে রিকশাভ্যান যোগে অন্যত্র চলে গেছেন।
স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকায় সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামত হলে নারী সদস্যগণসহ সকলেই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরবেন বলে জানান তিনি।

এই হামলার ঘটনায় দায়ীদের শনাক্তকরণের কাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িত তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।