চেয়ারম্যানের ও বিএনপি নেতার ওপর হামলার জেরে সড়ক অবরোধ, গাড়ি ভাঙচুর
- আপডেট সময় : ১২:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫ ১০৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
বিএনপির এক নেতাকে রংপুরের পীরগাছায় মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ (১৭ অক্টোবর) শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রংপুর-গাইবান্ধা আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন তাঁর অনুসারীরা। অবরোধ চলাকালে পীরগাছা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মোস্তাফিজার রহমান রেজার ওপর হামলা চালানো হয় এবং তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।
আজ (১৭ অক্টোবর )শুক্রবার দুপুরে উপজেলার দেউতি বাজারে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গত বুধবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পীরগাছা উপজেলা পরিষদ হলরুমে সদ্য প্রয়াত রংপুর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আনিছুর রহমান লাকুর স্মরণসভায় যোগ দিতে এসেছিলেন পারুল ইউনিয়ন বিএনপির নেতা রাশেদুল ইসলাম রাশেদ। এ সময় উপজেলা পরিষদসংলগ্ন বটতলায় দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল হোসেন মণ্ডলের অনুসারী বলে জানা যায়।
পীরগাছা সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মোস্তাফিজার রহমান রেজার ওপর হামলা সহ গাড়ি ভাঙচুর
চালানো হয়।
রাশেদের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ মামলা না নেওয়ায় আজ শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে রংপুর-গাইবান্ধা আঞ্চলিক মহাসড়কের দেউতি বাজারে সড়ক অবরোধ করেন আহত রাশেদের অনুসারীরা।
এ সময় তাঁরা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল মণ্ডলের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন।
সবেলা সাড়ে ১১টার দিকে পীরগাছা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মোস্তাফিজার রহমান রেজা রংপুর শহর থেকে পীরগাছা যাওয়ার পথে এই অবরোধের মুখে পড়েন।
চেয়ারম্যান রেজা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গার চাচাতো ভাই হওয়ায় অবরোধকারীরা তাঁর প্রতি ক্ষিপ্ত হয়।
রংপুরের পীরগাছায় বিএনপির এক নেতাকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ (১৭ অক্টোবর) শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রংপুর-গাইবান্ধা আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন তাঁর অনুসারীরা। অবরোধ চলাকালে পীরগাছা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মোস্তাফিজার রহমান রেজার ওপর হামলা চালানো হয় এবং তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি সামাল দিতে কয়েক ব্যক্তি চেয়ারম্যানের গাড়িকে ঘুরিয়ে অন্য একটি রাস্তায় পাঠালেও উত্তেজিত লোকজন তাঁর গাড়ির পিছু ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে প্রাণ বাঁচাতে চেয়ারম্যান রেজা নিরুপায় হয়ে একজনের বাড়িতে ঢুকে আশ্রয় নেন। এ সময় উত্তেজিত লোকজন ওই বাড়িটিতেও ঢোকার চেষ্টা করেন এবং চেয়ারম্যানের গাড়িটি ভাঙচুর করেন।
এই রিপোর্ট লেখা পযর্ন্ত,
খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ দেউতি বাজারে গিয়ে অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করেন। তবে যেখানে চেয়ারম্যান রেজা অবরুদ্ধ ছিলেন, সেখানে তারা পৌঁছানি। পরে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহযোগিতায় চেয়ারম্যান রেজা অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পান।






















