ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিজ এলাকায় জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে সংসদ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পরিচালক কামাল হোসেন বাবরের বিরুদ্ধে অধরা খানের অভিযোগ ১০ জনের লিভারপুলকে হারিয়ে শেষ ৩০ মিনিটে সিটির জয় ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, চাঁদপুরে ভূমি অফিসের কর্মচারী বরখাস্ত রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা জানালেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাতক্ষীরায় দেড় লক্ষাধিক দিয়াশলাই কাঠিতে তৈরি দুর্গা প্রতিমা সৌদিতে চার দফা হামলার দাবি হুতিদের, লক্ষ্যবস্তু বিমানবন্দর ও আরামকো জনগণের স্বার্থে আবু সাঈদের মতো জীবন দেব: জামায়াত এমপি বেলাল ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাওয়া যৌতুক নয়, রাসেলকে খালাস হাইকোর্টের রিয়াদ বিমানবন্দরে আবারও হামলা, যাত্রী টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ড

জাহান্নামের আগুন ৩ হাজার বছর জলার পর শেষ পর্যায়ের কালো ও অন্ধকার

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ১০২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




 

🤲🤲 জাহান্নামের অগ্নিশিখা ১ দিন আসবে, ঐ দিনটা কোন দিন হবে আপনাদের জানা আছে?

এ ব্যাপার আল্লাহ পাক বলেনঃ
ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহ তা’আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন ১ দিনে, যার পরিমাণ ৫০ হাজার বছর। [সূরহ মা’আরিজ, আয়াত-৪] ঐ দিন কি ধরণের হবে, ৫০ হাজার বছরে ১ দিন হবে, ছ’হী মুসলি শরীফে আরো বলা হয়েছে যে, আল্লাহ পাক সূর্যকে এত কাছে করে দেয়া হবে যে, ১ মাইলের দুরত্বের মধ্যে চলে আসবে।

আল্লাহর নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেন যে, কিছু লোকের সে সূর্যের গরমের কারণে যে ঘাম বের হবে তা তাদের পায়ের টাখনো পর্যন্ত হবে আর কিছু লোকের পায়ের হাটু পর্যন্ত হবে আর কিছু লোকে তাদের রান, নাভি ইত্যাদি পর্যন্ত সেই ঘামের মধ্যে ডুবে থাকবে।

আল্লহর রসূল এতে আরো বলেছেন যে, কিছু লোক তো তাতে একদম ডুবেই যাবে, এ পরিস্থিতিই হবে ঐ দিনের।

রসূল স্বঃ অন্য হাদীসে বলেছেন যে, লোকেরা এই যন্ত্রনা সয্য করতে না পেরে বলতে থাকবে যে, ইয়া আল্লাহ যদি আমাদের ভাগ্যে জাহান্নামের আগুন থেকে থাকে তাহলে ইয়া আল্লাহ আমাদেরকে এই ঘামযুক্ত আযাব থেকে মুক্ত করে জাহান্নামেই নিক্ষেপ কর।

আল্লাহর নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) প্রশ্ন করেন যে, হে জিবরীল আমীন, জাহান্নামের আগুন কি রকম?

জিবরীল আমীন উত্তরে বলেন যে, হে আল্লাহর নবী জাহান্নামের আগুনকে আল্লাহ তা’আলা ১ হাজার বছর পর্যন্ত লাগাতার ধাও ধাও করে জলতে নির্দেশ দিয়েছেন, যখন ১ হাজার বছর পর্যন্ত লাগাতার ধাও ধাও করে জলেছে তখন তার শিখা ও লালিমা শেষ পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে।

আল্লাহর নবী ফের জিজ্ঞাসা করলেন যে, তারপর কি হয়েছে জিবরীল আমীন উত্তররে বললেন, আল্লাহ পূণরায় আরো ১ হাজার বছর জলতে নির্দেশ দিলেন, যখন আরো ১ হাজার বছর জলা পূর্ণ হলো তখন জাহান্নামের আগুন জলতে জলতে গ্যাসের প্রকৃত আগুনের মত সাদা ধবধবে লেলিহান শিখা হয়ে উঠলো।

জিবরীল আমীন আবার বলা শুরু করলেন, হে আল্লাহর নবী রব্বে ইজ্জত এখানেই শেষ করেননি, পূণরায় ১ হাজার বছর জলার নির্দেশ দিলেন, শেষ পর্যন্ত জাহান্নামের আগুন ৩ হাজার বছর জলার পর শেষ পর্যায়ের কালো ও অন্ধকারাচ্ছন হয়ে উঠেছে।

কি অবস্থা হবে, হে আল্লাহর নবী অতঃপর মানুষ মৃত্যু কামনা করবে কিন্তু মৃত্যু পাবে না, বাঁচতে চাইবে কিন্তু বাঁচতে পারবে না, [সূরহ আ’লা-, আয়াত-১৩]

সূরহ ফুরক্বানে বলা হচ্ছে যে, বলা হবে, আজ তোমরা ১ মৃত্যুকে ডেকো না অনেক মৃত্যুকে ডাক। [সূরহ ফুরক্বান, আয়াত-১৪] তবুও তোমার মৃত্যু আসবে না।

ফখরুল আলম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক
দৈনিক যখন সময়

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

জাহান্নামের আগুন ৩ হাজার বছর জলার পর শেষ পর্যায়ের কালো ও অন্ধকার

আপডেট সময় : ০৪:১৬:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

 

🤲🤲 জাহান্নামের অগ্নিশিখা ১ দিন আসবে, ঐ দিনটা কোন দিন হবে আপনাদের জানা আছে?

এ ব্যাপার আল্লাহ পাক বলেনঃ
ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহ তা’আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন ১ দিনে, যার পরিমাণ ৫০ হাজার বছর। [সূরহ মা’আরিজ, আয়াত-৪] ঐ দিন কি ধরণের হবে, ৫০ হাজার বছরে ১ দিন হবে, ছ’হী মুসলি শরীফে আরো বলা হয়েছে যে, আল্লাহ পাক সূর্যকে এত কাছে করে দেয়া হবে যে, ১ মাইলের দুরত্বের মধ্যে চলে আসবে।

আল্লাহর নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেন যে, কিছু লোকের সে সূর্যের গরমের কারণে যে ঘাম বের হবে তা তাদের পায়ের টাখনো পর্যন্ত হবে আর কিছু লোকের পায়ের হাটু পর্যন্ত হবে আর কিছু লোকে তাদের রান, নাভি ইত্যাদি পর্যন্ত সেই ঘামের মধ্যে ডুবে থাকবে।

আল্লহর রসূল এতে আরো বলেছেন যে, কিছু লোক তো তাতে একদম ডুবেই যাবে, এ পরিস্থিতিই হবে ঐ দিনের।

রসূল স্বঃ অন্য হাদীসে বলেছেন যে, লোকেরা এই যন্ত্রনা সয্য করতে না পেরে বলতে থাকবে যে, ইয়া আল্লাহ যদি আমাদের ভাগ্যে জাহান্নামের আগুন থেকে থাকে তাহলে ইয়া আল্লাহ আমাদেরকে এই ঘামযুক্ত আযাব থেকে মুক্ত করে জাহান্নামেই নিক্ষেপ কর।

আল্লাহর নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) প্রশ্ন করেন যে, হে জিবরীল আমীন, জাহান্নামের আগুন কি রকম?

জিবরীল আমীন উত্তরে বলেন যে, হে আল্লাহর নবী জাহান্নামের আগুনকে আল্লাহ তা’আলা ১ হাজার বছর পর্যন্ত লাগাতার ধাও ধাও করে জলতে নির্দেশ দিয়েছেন, যখন ১ হাজার বছর পর্যন্ত লাগাতার ধাও ধাও করে জলেছে তখন তার শিখা ও লালিমা শেষ পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে।

আল্লাহর নবী ফের জিজ্ঞাসা করলেন যে, তারপর কি হয়েছে জিবরীল আমীন উত্তররে বললেন, আল্লাহ পূণরায় আরো ১ হাজার বছর জলতে নির্দেশ দিলেন, যখন আরো ১ হাজার বছর জলা পূর্ণ হলো তখন জাহান্নামের আগুন জলতে জলতে গ্যাসের প্রকৃত আগুনের মত সাদা ধবধবে লেলিহান শিখা হয়ে উঠলো।

জিবরীল আমীন আবার বলা শুরু করলেন, হে আল্লাহর নবী রব্বে ইজ্জত এখানেই শেষ করেননি, পূণরায় ১ হাজার বছর জলার নির্দেশ দিলেন, শেষ পর্যন্ত জাহান্নামের আগুন ৩ হাজার বছর জলার পর শেষ পর্যায়ের কালো ও অন্ধকারাচ্ছন হয়ে উঠেছে।

কি অবস্থা হবে, হে আল্লাহর নবী অতঃপর মানুষ মৃত্যু কামনা করবে কিন্তু মৃত্যু পাবে না, বাঁচতে চাইবে কিন্তু বাঁচতে পারবে না, [সূরহ আ’লা-, আয়াত-১৩]

সূরহ ফুরক্বানে বলা হচ্ছে যে, বলা হবে, আজ তোমরা ১ মৃত্যুকে ডেকো না অনেক মৃত্যুকে ডাক। [সূরহ ফুরক্বান, আয়াত-১৪] তবুও তোমার মৃত্যু আসবে না।

ফখরুল আলম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক
দৈনিক যখন সময়