ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এশিয়া প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইলেক্ট্রো মার্টের সিইও নুরুল আফসার গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসির চেয়ে কেন এগিয়ে এমবাপ্পে? দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম আজ প্রকাশিত হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পেল ৩০৪ শিক্ষার্থী চীনে আঘাত হানলো শক্তিশালী টাইফুন বাভি, নিরাপদ আশ্রয়ে ২০ লাখ মানুষ টানা বৃষ্টিতে নাকাল রাজধানী: বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে সুপ্রিম কোর্টে অর্ধদিবস ছুটি শাহজালালের মাজারে ১৯ দিন পর মিলেছে অর্ধকোটি টাকা প্রকাশিত হলো ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল

জাহান্নামের আগুন ৩ হাজার বছর জলার পর শেষ পর্যায়ের কালো ও অন্ধকার

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

 

🤲🤲 জাহান্নামের অগ্নিশিখা ১ দিন আসবে, ঐ দিনটা কোন দিন হবে আপনাদের জানা আছে?

এ ব্যাপার আল্লাহ পাক বলেনঃ
ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহ তা’আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন ১ দিনে, যার পরিমাণ ৫০ হাজার বছর। [সূরহ মা’আরিজ, আয়াত-৪] ঐ দিন কি ধরণের হবে, ৫০ হাজার বছরে ১ দিন হবে, ছ’হী মুসলি শরীফে আরো বলা হয়েছে যে, আল্লাহ পাক সূর্যকে এত কাছে করে দেয়া হবে যে, ১ মাইলের দুরত্বের মধ্যে চলে আসবে।

আল্লাহর নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেন যে, কিছু লোকের সে সূর্যের গরমের কারণে যে ঘাম বের হবে তা তাদের পায়ের টাখনো পর্যন্ত হবে আর কিছু লোকের পায়ের হাটু পর্যন্ত হবে আর কিছু লোকে তাদের রান, নাভি ইত্যাদি পর্যন্ত সেই ঘামের মধ্যে ডুবে থাকবে।

আল্লহর রসূল এতে আরো বলেছেন যে, কিছু লোক তো তাতে একদম ডুবেই যাবে, এ পরিস্থিতিই হবে ঐ দিনের।

রসূল স্বঃ অন্য হাদীসে বলেছেন যে, লোকেরা এই যন্ত্রনা সয্য করতে না পেরে বলতে থাকবে যে, ইয়া আল্লাহ যদি আমাদের ভাগ্যে জাহান্নামের আগুন থেকে থাকে তাহলে ইয়া আল্লাহ আমাদেরকে এই ঘামযুক্ত আযাব থেকে মুক্ত করে জাহান্নামেই নিক্ষেপ কর।

আল্লাহর নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) প্রশ্ন করেন যে, হে জিবরীল আমীন, জাহান্নামের আগুন কি রকম?

জিবরীল আমীন উত্তরে বলেন যে, হে আল্লাহর নবী জাহান্নামের আগুনকে আল্লাহ তা’আলা ১ হাজার বছর পর্যন্ত লাগাতার ধাও ধাও করে জলতে নির্দেশ দিয়েছেন, যখন ১ হাজার বছর পর্যন্ত লাগাতার ধাও ধাও করে জলেছে তখন তার শিখা ও লালিমা শেষ পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে।

আল্লাহর নবী ফের জিজ্ঞাসা করলেন যে, তারপর কি হয়েছে জিবরীল আমীন উত্তররে বললেন, আল্লাহ পূণরায় আরো ১ হাজার বছর জলতে নির্দেশ দিলেন, যখন আরো ১ হাজার বছর জলা পূর্ণ হলো তখন জাহান্নামের আগুন জলতে জলতে গ্যাসের প্রকৃত আগুনের মত সাদা ধবধবে লেলিহান শিখা হয়ে উঠলো।

জিবরীল আমীন আবার বলা শুরু করলেন, হে আল্লাহর নবী রব্বে ইজ্জত এখানেই শেষ করেননি, পূণরায় ১ হাজার বছর জলার নির্দেশ দিলেন, শেষ পর্যন্ত জাহান্নামের আগুন ৩ হাজার বছর জলার পর শেষ পর্যায়ের কালো ও অন্ধকারাচ্ছন হয়ে উঠেছে।

কি অবস্থা হবে, হে আল্লাহর নবী অতঃপর মানুষ মৃত্যু কামনা করবে কিন্তু মৃত্যু পাবে না, বাঁচতে চাইবে কিন্তু বাঁচতে পারবে না, [সূরহ আ’লা-, আয়াত-১৩]

সূরহ ফুরক্বানে বলা হচ্ছে যে, বলা হবে, আজ তোমরা ১ মৃত্যুকে ডেকো না অনেক মৃত্যুকে ডাক। [সূরহ ফুরক্বান, আয়াত-১৪] তবুও তোমার মৃত্যু আসবে না।

ফখরুল আলম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক
দৈনিক যখন সময়

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

জাহান্নামের আগুন ৩ হাজার বছর জলার পর শেষ পর্যায়ের কালো ও অন্ধকার

আপডেট সময় : ০৪:১৬:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
print news

 

🤲🤲 জাহান্নামের অগ্নিশিখা ১ দিন আসবে, ঐ দিনটা কোন দিন হবে আপনাদের জানা আছে?

এ ব্যাপার আল্লাহ পাক বলেনঃ
ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহ তা’আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন ১ দিনে, যার পরিমাণ ৫০ হাজার বছর। [সূরহ মা’আরিজ, আয়াত-৪] ঐ দিন কি ধরণের হবে, ৫০ হাজার বছরে ১ দিন হবে, ছ’হী মুসলি শরীফে আরো বলা হয়েছে যে, আল্লাহ পাক সূর্যকে এত কাছে করে দেয়া হবে যে, ১ মাইলের দুরত্বের মধ্যে চলে আসবে।

আল্লাহর নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেন যে, কিছু লোকের সে সূর্যের গরমের কারণে যে ঘাম বের হবে তা তাদের পায়ের টাখনো পর্যন্ত হবে আর কিছু লোকের পায়ের হাটু পর্যন্ত হবে আর কিছু লোকে তাদের রান, নাভি ইত্যাদি পর্যন্ত সেই ঘামের মধ্যে ডুবে থাকবে।

আল্লহর রসূল এতে আরো বলেছেন যে, কিছু লোক তো তাতে একদম ডুবেই যাবে, এ পরিস্থিতিই হবে ঐ দিনের।

রসূল স্বঃ অন্য হাদীসে বলেছেন যে, লোকেরা এই যন্ত্রনা সয্য করতে না পেরে বলতে থাকবে যে, ইয়া আল্লাহ যদি আমাদের ভাগ্যে জাহান্নামের আগুন থেকে থাকে তাহলে ইয়া আল্লাহ আমাদেরকে এই ঘামযুক্ত আযাব থেকে মুক্ত করে জাহান্নামেই নিক্ষেপ কর।

আল্লাহর নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) প্রশ্ন করেন যে, হে জিবরীল আমীন, জাহান্নামের আগুন কি রকম?

জিবরীল আমীন উত্তরে বলেন যে, হে আল্লাহর নবী জাহান্নামের আগুনকে আল্লাহ তা’আলা ১ হাজার বছর পর্যন্ত লাগাতার ধাও ধাও করে জলতে নির্দেশ দিয়েছেন, যখন ১ হাজার বছর পর্যন্ত লাগাতার ধাও ধাও করে জলেছে তখন তার শিখা ও লালিমা শেষ পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে।

আল্লাহর নবী ফের জিজ্ঞাসা করলেন যে, তারপর কি হয়েছে জিবরীল আমীন উত্তররে বললেন, আল্লাহ পূণরায় আরো ১ হাজার বছর জলতে নির্দেশ দিলেন, যখন আরো ১ হাজার বছর জলা পূর্ণ হলো তখন জাহান্নামের আগুন জলতে জলতে গ্যাসের প্রকৃত আগুনের মত সাদা ধবধবে লেলিহান শিখা হয়ে উঠলো।

জিবরীল আমীন আবার বলা শুরু করলেন, হে আল্লাহর নবী রব্বে ইজ্জত এখানেই শেষ করেননি, পূণরায় ১ হাজার বছর জলার নির্দেশ দিলেন, শেষ পর্যন্ত জাহান্নামের আগুন ৩ হাজার বছর জলার পর শেষ পর্যায়ের কালো ও অন্ধকারাচ্ছন হয়ে উঠেছে।

কি অবস্থা হবে, হে আল্লাহর নবী অতঃপর মানুষ মৃত্যু কামনা করবে কিন্তু মৃত্যু পাবে না, বাঁচতে চাইবে কিন্তু বাঁচতে পারবে না, [সূরহ আ’লা-, আয়াত-১৩]

সূরহ ফুরক্বানে বলা হচ্ছে যে, বলা হবে, আজ তোমরা ১ মৃত্যুকে ডেকো না অনেক মৃত্যুকে ডাক। [সূরহ ফুরক্বান, আয়াত-১৪] তবুও তোমার মৃত্যু আসবে না।

ফখরুল আলম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক
দৈনিক যখন সময়