ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩, উদ্ধারকাজ অব্যাহত ক্ষমতার 5 মাসেই বিএনপিতে ‘হাইব্রিড’ আতঙ্ক, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে তারেক রহমানের কড়া বার্তা ইংলিশ ফুটবলে গোলকিপারদের সময়ক্ষেপণ রোধে নতুন নিয়ম দেশজুড়ে ৬৪ জেলায় আয়োজিত হবে ‘ফ্রিল্যান্সার সামিট বাংলাদেশ ২০২৬’ নেত্রকোনায় লিফটে আটকা পড়া সাত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যায় সাকিবকে টপকে শীর্ষে পরীমণি পার্বতীপুরে ৩০ পিস ইয়াবাসহ কারবারি গ্রেপ্তার দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৪৫ বিলিয়ন ডলারে উখিয়ায় অপহৃত শিশু উদ্ধার, ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার বিএনপিকে চ্যালেঞ্জ সারজিস আলমের: কত রক্ত ঝরাতে পারেন আপনারা?

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সব রেকর্ড ভাঙবেন সূর্যবংশী: ভিভিএস লক্ষ্মণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩০:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকে আইপিএলের বড় মঞ্চ—সবখানেই নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন ১৫ বছর বয়সী বিস্ময় বালক বৈভব সূর্যবংশী। তার এই অসামান্য পারফরম্যান্স দেখে ভারতের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ভিভিএস লক্ষ্মণ তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছেন। লক্ষ্মণের মতে, সূর্যবংশী যদি নিজের ফিটনেস ধরে রাখতে পারেন, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব রেকর্ড তিনি নিজের করে নিতে সক্ষম হবেন।

হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষটিতে ভারতের ৩৫ রানের জয়ে সূর্যবংশী মূল ভূমিকা পালন করেন। ৪৯ বলে ৮১ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলে তিনি তার প্রথম আন্তর্জাতিক ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ খেতাব অর্জন করেন। এছাড়া পুরো সিরিজে ১৫১ রান করে তিনি ‘প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ’-এর পুরস্কারও জিতে নেন। চলতি বছরের শুরুতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ৪৩৯ রান করে টুর্নামেন্ট সেরা হওয়া এই বাঁহাতি ব্যাটার জাতীয় দলের জার্সিতেও নিজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।

তবে এই তরুণের ব্যাটিং ক্ষমতার প্রশংসা করার পাশাপাশি লক্ষ্মণ তাকে একটি বিশেষ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। ভারতের এই সাবেক কিংবদন্তি ব্যাটার মনে করেন, দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গড়ার জন্য সূর্যবংশীকে ফিটনেসের ওপর আরও বেশি জোর দিতে হবে। লক্ষ্মণ বলেন, 'যে জায়গাটিতে তার আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে, তা হলো সার্বিক ফিটনেস। সে অত্যন্ত কম বয়সী একজন ক্রিকেটার। মাঠে দলের জয়ে ভূমিকা রাখতে তার তাগিদ দেখার মতো।'

কোচ আরও জানান, এই ম্যাচেই বাউন্ডারিতে ডাইভ দিয়ে ক্যাচ ধরতে গিয়ে সূর্যবংশী চোট পেয়েছিলেন। তবুও তিনি মাঠ ছাড়তে চাননি, শেষ পর্যন্ত ফিজিও জোর করে তাকে মাঠ থেকে তুলে আনেন। দলে অবদান রাখার এই জেদকেই তার সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মনে করেন লক্ষ্মণ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম সিরিজে খুব বেশি রান না পেলেও, চাপের মুখে খেলার মানসিকতার জন্য তিনি সূর্যবংশীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

গত দুই আসরে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আইপিএল মাতানো সূর্যবংশীর বড় মঞ্চ সামলানোর দক্ষতা দেখে মুগ্ধ লক্ষ্মণ বলেন, 'গত বছর যখন রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে প্রথমবার খেলল, চাপ সামলানোর ধরণ দেখে তখনই খুব ভালো লেগেছিল। আমার মনে হয়, যেকোনো আইপিএল ম্যাচের চাপ আন্তর্জাতিক ম্যাচের সমান। ১৪ বা ১৫ বছর বয়সে এমন মঞ্চে নামলে হয়তো ভয় পেয়ে পিছিয়ে যেতে হয়, নয়তো চাপকে আলিঙ্গন করে নিজের খেলাটা খেলতে হয়। সে দ্বিতীয় পথটাই বেছে নিয়েছে।'

সিরিজে শতরান না পাওয়ার হতাশাকে ছাপিয়ে সূর্যবংশীর সামনে দীর্ঘ ক্যারিয়ার পড়ে আছে বলে বিশ্বাস করেন লক্ষ্মণ। তিনি আরও বলেন, 'প্রতিদিন নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার যে সঠিক মানসিকতা তার মধ্যে রয়েছে, তাতে আমি নিশ্চিত যে সে আন্তর্জাতিক স্তরে সব রেকর্ড নতুন করে লিখবে।' এদিকে নিজের সাফল্যের বিষয়ে উচ্ছ্বসিত সূর্যবংশী বলেন, 'সত্যিই এটা স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো এক অনুভূতি। প্রথমবার প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ ও প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ পেয়ে ভীষণ ভালো লাগছে। হারারে আসার পর দুই-তিন দিনের প্রস্তুতি খুব কাজে দিয়েছে। এখানে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা থাকায় উইকেট আমার জানা ছিল।'

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সব রেকর্ড ভাঙবেন সূর্যবংশী: ভিভিএস লক্ষ্মণ

আপডেট সময় : ০৫:৩০:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
print news

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকে আইপিএলের বড় মঞ্চ—সবখানেই নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন ১৫ বছর বয়সী বিস্ময় বালক বৈভব সূর্যবংশী। তার এই অসামান্য পারফরম্যান্স দেখে ভারতের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ভিভিএস লক্ষ্মণ তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছেন। লক্ষ্মণের মতে, সূর্যবংশী যদি নিজের ফিটনেস ধরে রাখতে পারেন, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব রেকর্ড তিনি নিজের করে নিতে সক্ষম হবেন।

হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষটিতে ভারতের ৩৫ রানের জয়ে সূর্যবংশী মূল ভূমিকা পালন করেন। ৪৯ বলে ৮১ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলে তিনি তার প্রথম আন্তর্জাতিক ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ খেতাব অর্জন করেন। এছাড়া পুরো সিরিজে ১৫১ রান করে তিনি ‘প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ’-এর পুরস্কারও জিতে নেন। চলতি বছরের শুরুতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ৪৩৯ রান করে টুর্নামেন্ট সেরা হওয়া এই বাঁহাতি ব্যাটার জাতীয় দলের জার্সিতেও নিজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।

তবে এই তরুণের ব্যাটিং ক্ষমতার প্রশংসা করার পাশাপাশি লক্ষ্মণ তাকে একটি বিশেষ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। ভারতের এই সাবেক কিংবদন্তি ব্যাটার মনে করেন, দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গড়ার জন্য সূর্যবংশীকে ফিটনেসের ওপর আরও বেশি জোর দিতে হবে। লক্ষ্মণ বলেন, 'যে জায়গাটিতে তার আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে, তা হলো সার্বিক ফিটনেস। সে অত্যন্ত কম বয়সী একজন ক্রিকেটার। মাঠে দলের জয়ে ভূমিকা রাখতে তার তাগিদ দেখার মতো।'

কোচ আরও জানান, এই ম্যাচেই বাউন্ডারিতে ডাইভ দিয়ে ক্যাচ ধরতে গিয়ে সূর্যবংশী চোট পেয়েছিলেন। তবুও তিনি মাঠ ছাড়তে চাননি, শেষ পর্যন্ত ফিজিও জোর করে তাকে মাঠ থেকে তুলে আনেন। দলে অবদান রাখার এই জেদকেই তার সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মনে করেন লক্ষ্মণ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম সিরিজে খুব বেশি রান না পেলেও, চাপের মুখে খেলার মানসিকতার জন্য তিনি সূর্যবংশীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

গত দুই আসরে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আইপিএল মাতানো সূর্যবংশীর বড় মঞ্চ সামলানোর দক্ষতা দেখে মুগ্ধ লক্ষ্মণ বলেন, 'গত বছর যখন রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে প্রথমবার খেলল, চাপ সামলানোর ধরণ দেখে তখনই খুব ভালো লেগেছিল। আমার মনে হয়, যেকোনো আইপিএল ম্যাচের চাপ আন্তর্জাতিক ম্যাচের সমান। ১৪ বা ১৫ বছর বয়সে এমন মঞ্চে নামলে হয়তো ভয় পেয়ে পিছিয়ে যেতে হয়, নয়তো চাপকে আলিঙ্গন করে নিজের খেলাটা খেলতে হয়। সে দ্বিতীয় পথটাই বেছে নিয়েছে।'

সিরিজে শতরান না পাওয়ার হতাশাকে ছাপিয়ে সূর্যবংশীর সামনে দীর্ঘ ক্যারিয়ার পড়ে আছে বলে বিশ্বাস করেন লক্ষ্মণ। তিনি আরও বলেন, 'প্রতিদিন নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার যে সঠিক মানসিকতা তার মধ্যে রয়েছে, তাতে আমি নিশ্চিত যে সে আন্তর্জাতিক স্তরে সব রেকর্ড নতুন করে লিখবে।' এদিকে নিজের সাফল্যের বিষয়ে উচ্ছ্বসিত সূর্যবংশী বলেন, 'সত্যিই এটা স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো এক অনুভূতি। প্রথমবার প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ ও প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ পেয়ে ভীষণ ভালো লাগছে। হারারে আসার পর দুই-তিন দিনের প্রস্তুতি খুব কাজে দিয়েছে। এখানে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা থাকায় উইকেট আমার জানা ছিল।'

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh