ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফেনী ফুলগাজীতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ঔষুধ সহ আটক ৩ রাজবাড়ী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পুরস্কার বিতরন রাজবাড়ীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ফেনী পরশুরামে মুহুরী নদী থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার দীর্ঘ ৪ দিন পর আবারো উৎপাদনে ফিরেছে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ফেনীতে ১৯৯০ পিস ইয়াবা ও মোটরসাইকেলসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের ভবদিয়ায় অবস্থিত গোল্ডেন গ্রুপের জুট মিল লিমিটেড চট্টগ্রামের ৩ বছরের শিশুকে আছাড় মেরে হত্যা রাজবাড়ীতে র‍্যাবের অভিযানে গাঁজা ও বিদেশি মদসহ নারী গ্রেফতার রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ও ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে

যশোরে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী যশোর-৩ আসনে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বাকি পাঁচ আসনে ২২ প্রার্থীর লড়াই

মোঃ ওবাইদুল হক স্টাফ রিপোর্টার যশোর:
  • আপডেট সময় : ১১:১৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫ ৯৩ বার পড়া হয়েছে

যশোরে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী যশোর-৩ আসনে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বাকি পাঁচ আসনে ২২ প্রার্থীর লড়াই

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃ ওবাইদুল হক
স্টাফ রিপোর্টার যশোর:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে যশোরের ৬টি আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা কোমর বেঁধে নেমেছেন। জেলার সদর আসন বাদে বাকি পাঁচ আসনেই একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী। প্রত্যেক সম্ভাব্য প্রার্থী নিজ বলয় শক্তিশালী করতে গিয়ে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল উসকে দিচ্ছেন। এতে সাংগঠনিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দলটি। এজন্য তৃণমূলে শৃঙ্খলা ফেরাতে উদ্যোগ নিয়েছে হাইকমান্ড। বুধবার মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ঢাকায় ডেকে কোন্দল নিরসন করে ঐক্যবদ্ধভাবে বিএনপিকে বিজয়ী করতে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন বলেন, যশোর-৫ আসনেমনোনয়ন প্রত্যাশী মোহাম্মদ মুছা মারা গেছেন। এজন্য ওই আসন বাদে ৫টি আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ডেকে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন। একটাই বার্তা-বিএনপিকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। জানা যায়, যশোরের ৬টি আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী অন্তত ২৩ জন।

এর মধ্যে যশোর-৩ (সদর) আসনে একক প্রার্থী হিসাবে মাঠে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলামের ছেলে এবং দলের খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ আসনে আর কোনো মনোনয়ন প্রত্যাশী না থাকায় তিনি নির্ভার আছেন।

জেলার বাকি ৫টি আসনে বিএনপির একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী মাঠে রয়েছেন। তারা পরস্পরকে কোণঠাসা করতে নানা কৌশল অবলম্বন করছেন। নিজের অবস্থান জানান দিতে একক ও যৌথভাবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন-যশোর-১ (শার্শা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি, শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান হাসান জহির, সাবেক সভাপতি খায়রুজ্জামান মধু, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন।

যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরা নাজমুল মুন্নী, যশোর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান, চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. মো. ইসহক, ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমরান সামাদ নিপুণ।

যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনে কৃষক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব, অভয়নগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফারাজী মতিয়ার রহমান ও ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ।

যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. শহিদ মোহাম্মদ ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইফতেখার সেলিম অগ্নি, যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এমএ গফুর।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, কেশবপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুস সামাদ বিশ্বাস, ছাত্রদলের সাবেক নুরুজ্জামান তপন।

যশোর-৬ আসনেমনোনয়নপ্রত্যাশী অমলেন্দু দাস অপু বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কড়া বার্তা দলের ভেতরে কোন্দল রাখা যাবে না। কেউ কারও বিরুদ্ধে বিষোদগার করা যাবে না। মনোনয়ন প্রত্যাশী সবাইকে একসঙ্গে বিএনপির পক্ষে কাজ করতে হবে। বিএনপি বিজয়ী হলে সবার মূল্যায়ন হবে। মনোনয়ন না পেলেও দলের পক্ষেই কাজ করব।

যশোর-২ আসনেমনোনয়ন প্রত্যাশী সাবিরা নাজমুল মুন্নী বলেন, মনোনয়ন প্রত্যাশী সবাই যার যার কৌশলে রাজনীতি করছেন। আমিও নিজস্ব কৌশলে কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলীয় প্রার্থী হবেন একজনই। যিনি মনোনয়ন পাবেন, সবাই তার পক্ষেই ধানের শীষকে বিজয়ী করতে কাজ করব। দলের মহাসচিব ডেকে ঐক্যের বার্তা দিয়েছেন। দলের স্বার্থে আমরা সবাই এক। যশোর-৪ আসনেমনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যারিস্টার নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ বলেন, দলের বার্তা-সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার চেয়ে দলের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। দলের নির্দেশনার আলোকেই কাজ করব।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

যশোরে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী যশোর-৩ আসনে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বাকি পাঁচ আসনে ২২ প্রার্থীর লড়াই

আপডেট সময় : ১১:১৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
print news

মোঃ ওবাইদুল হক
স্টাফ রিপোর্টার যশোর:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে যশোরের ৬টি আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা কোমর বেঁধে নেমেছেন। জেলার সদর আসন বাদে বাকি পাঁচ আসনেই একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী। প্রত্যেক সম্ভাব্য প্রার্থী নিজ বলয় শক্তিশালী করতে গিয়ে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল উসকে দিচ্ছেন। এতে সাংগঠনিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দলটি। এজন্য তৃণমূলে শৃঙ্খলা ফেরাতে উদ্যোগ নিয়েছে হাইকমান্ড। বুধবার মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ঢাকায় ডেকে কোন্দল নিরসন করে ঐক্যবদ্ধভাবে বিএনপিকে বিজয়ী করতে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন বলেন, যশোর-৫ আসনেমনোনয়ন প্রত্যাশী মোহাম্মদ মুছা মারা গেছেন। এজন্য ওই আসন বাদে ৫টি আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ডেকে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন। একটাই বার্তা-বিএনপিকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। জানা যায়, যশোরের ৬টি আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী অন্তত ২৩ জন।

এর মধ্যে যশোর-৩ (সদর) আসনে একক প্রার্থী হিসাবে মাঠে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলামের ছেলে এবং দলের খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ আসনে আর কোনো মনোনয়ন প্রত্যাশী না থাকায় তিনি নির্ভার আছেন।

জেলার বাকি ৫টি আসনে বিএনপির একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী মাঠে রয়েছেন। তারা পরস্পরকে কোণঠাসা করতে নানা কৌশল অবলম্বন করছেন। নিজের অবস্থান জানান দিতে একক ও যৌথভাবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন-যশোর-১ (শার্শা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি, শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান হাসান জহির, সাবেক সভাপতি খায়রুজ্জামান মধু, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন।

যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরা নাজমুল মুন্নী, যশোর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান, চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. মো. ইসহক, ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমরান সামাদ নিপুণ।

যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনে কৃষক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব, অভয়নগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফারাজী মতিয়ার রহমান ও ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ।

যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. শহিদ মোহাম্মদ ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইফতেখার সেলিম অগ্নি, যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এমএ গফুর।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, কেশবপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুস সামাদ বিশ্বাস, ছাত্রদলের সাবেক নুরুজ্জামান তপন।

যশোর-৬ আসনেমনোনয়নপ্রত্যাশী অমলেন্দু দাস অপু বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কড়া বার্তা দলের ভেতরে কোন্দল রাখা যাবে না। কেউ কারও বিরুদ্ধে বিষোদগার করা যাবে না। মনোনয়ন প্রত্যাশী সবাইকে একসঙ্গে বিএনপির পক্ষে কাজ করতে হবে। বিএনপি বিজয়ী হলে সবার মূল্যায়ন হবে। মনোনয়ন না পেলেও দলের পক্ষেই কাজ করব।

যশোর-২ আসনেমনোনয়ন প্রত্যাশী সাবিরা নাজমুল মুন্নী বলেন, মনোনয়ন প্রত্যাশী সবাই যার যার কৌশলে রাজনীতি করছেন। আমিও নিজস্ব কৌশলে কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলীয় প্রার্থী হবেন একজনই। যিনি মনোনয়ন পাবেন, সবাই তার পক্ষেই ধানের শীষকে বিজয়ী করতে কাজ করব। দলের মহাসচিব ডেকে ঐক্যের বার্তা দিয়েছেন। দলের স্বার্থে আমরা সবাই এক। যশোর-৪ আসনেমনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যারিস্টার নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ বলেন, দলের বার্তা-সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার চেয়ে দলের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। দলের নির্দেশনার আলোকেই কাজ করব।