বগুড়ার শেরপুর বরাদ্দকৃত কম্বল বিতরণ না করে আত্মসাৎ এর চেষ্টা।
- আপডেট সময় : ০৪:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ শীত মৌসুম শেষ হয়ে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করলেও বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ৫ নম্বর মির্জাপুর ইউনিয়নে এখনো সরকার বরাদ্দকৃত শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ না হওয়ায় জনমনে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে অনিয়ম ও গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের বিরুদ্ধে। অনেকেই মনে করছেন বরাদ্দকৃত কম্বল বিতরণ না করার একটাই কারণ আত্মসাৎ এর চেষ্টা।
রোববার (১২ এপ্রিল) এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, শীতকালীন জরুরি সহায়তা হিসেবে বরাদ্দ পাওয়া কম্বল যথাসময়ে প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়নি। এতে করে উপকারভোগীরা শীতের সময় প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
এছাড়া বিতরণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়। কারা কম্বল পেয়েছেন, কারা পাননি—এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তালিকা বা তথ্য প্রকাশ না হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম জানান, ইউপি সদস্যদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিলে বিলম্ব হওয়ায় কম্বল বিতরণে দেরি হয়েছে। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
অন্যদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আব্দুল জাব্বার বলেন, “মেম্বারদের দেরির কারণেই বিতরণ বিলম্বিত হয়েছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি এবং দ্রুত কম্বল বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমু জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি দ্রুত সময়ের মধ্যে কম্বল বিতরণ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, ভবিষ্যতে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তা যেন সময়মতো ও স্বচ্ছতার সঙ্গে বিতরণ করা হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।





















