ভোলায় গৃহবধূকে ধর্ষণ করতে গিয়ে বিশেষ অঙ্গ হারাতে বসেছেন যুবক
- আপডেট সময় : ০১:১৭:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

নুপুর আক্তার,
নিজস্ব প্রতিনিধি:
ভোলা জেলা চরফ্যাশন উপজেলায় ১ গৃহবধূকে ধর্ষণে করতে গিয়ে ভয়াবহ পরিণতির শিকার হয়েছেন ইমাম সন্দার (৩৫) নামে ১ ব্যক্তি।
ওই নারী নিজেকে আত্মরক্ষার্থে ব্লেড দিয়ে অভিযুক্তের বিশেষ অঙ্গে আঘাত করলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি, এতে ইমাম সন্দার নামে ওই ব্যক্তি নিজের বিশেষ অঙ্গ হারাতে বসেছেন, পরে ইমাম সন্দার সেখান থেকে পালিয়ে এসে চরফ্যাশন হাসপাতালে ডা. জাহিদুল ইসলামের নিকট চিকিৎসা নিয়ে সটকে পড়েন।
২৯ মে শুক্রবার রাতে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা দক্ষিণ আইচা থানার নজরুল নগর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
২৯ মে শুক্রবার গভীর রাতে এ ঘটনার পর ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে দক্ষিণ আইচা থানায় মামলা করেছেন।
অভিযুক্ত ইমাম সন্দার (৩৫) একই এলাকার মজিদ সন্দারের ছেলে, তিনি পেশায় ১ জন ইলেক্ট্রিশিয়ান বলে জানা গিয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় ২ বছর ধরে অভিযুক্ত তাকে সরাসরি ও মোবাইল ফোনে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন, তিনি প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় বিভিন্ন সময় তার নামে অপপ্রচার ও অশালীন মন্তব্য করতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২৯ মে শুক্রবার রাতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন ওই গৃহবধূ রাত ২টার দিকে অভিযুক্ত তাকে ফোন করেন, ১ পর্যায়ে তিনি ঘরে প্রবেশ করে জোর পূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
এ সময় নিজেকে আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে রান্নাঘরে থাকা ১টি ব্লেড দিয়ে অভিযুক্তের গোপনাঙ্গে আঘাত করলে তিনি চিৎকার করতে করতে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, আহতের পুরুষাঙ্গ নিচের অংশে কাটা গিয়েছে।
ঘটনার সত্যতা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান কবীর তিনি জানান, ভুক্তভোগী নারী থানায় মামলা দায়ের করেছেন, হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সটকে যাওয়ার পর আহত অবস্থায় অভিযুক্ত ইমাম সন্দারকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে পুনরায় চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।




























