মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ চেষ্টার পর হাসপাতালে ক্রিস্টা পাইক
- আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

গত ৩০শে সেপ্টেম্বর টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এক ব্যর্থ চেষ্টার পর ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের পর কোনো বন্দির বেঁচে যাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম। তার আইনজীবী র্যান্ডি স্পাইভি জানান, দীর্ঘ কয়েক দিন অচেতন থাকার পর মঙ্গলবার পাইক কথা বলা শুরু করেছেন।
হাসপাতালের বিছানায় হাত ও পা বেঁধে রাখা অবস্থায় চিকিৎসাধীন পাইক চেতনা ফেরার পর প্রথম প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আমি কোথায়?’ এবং ‘আপনি কে?’ তার আইনজীবী আরও জানান, পাইক বর্তমানে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত এবং খাবার বা পানি গিলতে পারছেন না। তার দুই বাহু ভীষণভাবে ফুলে গেছে এবং একটি বাহুতে রক্ত জমাট বেঁধেছে। পুরো ঘটনায় তিনি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ও বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন।
র্যান্ডি স্পাইভি জানান, কয়েক দিন ধরে তারা আশঙ্কা করেছিলেন যে পাইক মস্তিষ্ক-মৃত অবস্থায় রয়েছেন এবং তাকে লাইফ সাপোর্ট থেকে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। তবে তার বেঁচে ওঠার বিষয়টি সবার কাছেই বিস্ময়কর। পাইক জানিয়েছেন, ইনজেকশন দেওয়ার সময় তিনি শান্ত ছিলেন এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারী দলের সদস্যদের শিরা খুঁজে পেতে সহায়তা করেছিলেন। বর্তমানে তার গলায় নল লাগানো রয়েছে।
আইনজীবী দল জানায়, পাইকের স্মৃতিশক্তি এই ঘটনার বিষয়ে খুবই সীমিত। চিকিৎসাকর্মীরা তার শরীর থেকে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করানো রাসায়নিক বের করার চেষ্টা করছেন। বুধবার আদালতে জরুরি শুনানিতে আইনজীবীরা ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রমাণ সংরক্ষণের আবেদন জানান, যা ভবিষ্যতে টেনেসির রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের ভিত্তি হতে পারে। ১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রেমিকের সঙ্গে মিলে কোলিন স্লেমার নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।



























