ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদ্রাসাসহ পুরো শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি বিএমজিটিএ-এর ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাই মোহনগঞ্জে নিখোঁজ অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার, মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ মেট্রোরেলের পিলারে আঁকা হবে খালেদা জিয়া ও জুলাই শহীদদের ছবি জমিসংক্রান্ত বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা, লালমনিরহাট বিএনপির নিন্দা আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচারে ট্রানজিট রুট এখন বাংলাদেশ বাংলাদেশে সক্রিয় আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচার সিন্ডিকেট লালমাইয়ে স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন গ্রেপ্তার নাব্যতা সংকটে রাজিবপুর ও নয়ারচর ঘাট, হেঁটে পার হচ্ছেন যাত্রীরা ভারতের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের তরুণ মুখ নেহা বোরা

সিরিয়ার সাবেক জেনারেল বাসাম আল-হাসানকে সুরক্ষা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও লেবানন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৩২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সিরিয়ার বাশার আল-আসাদ সরকারের সাবেক শীর্ষ উপদেষ্টা ও জেনারেল বাসাম আল-হাসানকে অর্থায়ন ও বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে গোপন আশ্রয়ে রেখেছে মার্কিন ও লেবানন কর্তৃপক্ষ। বিবিসি ও মার্কিন গণমাধ্যম এনপিআরের এক যৌথ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। আসাদ সরকারের সময় সিরিয়ার কুখ্যাত রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচি সরাসরি তদারকি করতেন এই জেনারেল, যার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও রাসায়নিক অস্ত্র হামলার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষের দিকে আসাদ সরকারের পতনের পর বাসাম আল-হাসান লেবাননে পালিয়ে যান। বর্তমানে তিনি মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই, সিআইএ এবং লেবাননের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর যৌথ সমঝোতার অধীনে নির্বিঘ্নে বসবাস করছেন। ২০১২ সালে সিরিয়ায় অপহৃত মার্কিন সাংবাদিক অস্টিন টাইস সম্পর্কিত গোপন তথ্য ও অতিরিক্ত গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের বিনিময়ে তাকে এই সুরক্ষা, লেবাননে বসবাসের অনুমতি ও নিয়মিত আর্থিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তবে গত মাসেই বিবিসির প্রতিবেদনে প্রকাশ পায় যে, সাংবাদিক টাইস অপহরণের সামরিক কমান্ডে এই হাসান নিজেই যুক্ত ছিলেন।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞাভুক্ত এই জেনারেলকে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে অর্থ দেওয়া হচ্ছে, যাতে লেনদেনের কোনো প্রমাণ সরাসরি দৃশ্যমান না হয়। এদিকে সিরিয়ার নতুন সরকারের দুটি ভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন যে, তারা মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য হাসানকে অবিলম্বে দামেস্কে ফেরত চান। তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ তাকে লেবাননেই রেখে দিতে চায় এবং ওয়াশিংটনের এমন অবস্থানের কারণে দামেস্কের কার্যত তেমন কিছুই করার নেই। এই খবরে অপহৃত সাংবাদিক টাইসের পরিবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, অস্টিন টাইস সম্পর্কিত তথ্যের পাশাপাশি সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচির গোপন নথি এবং ইরানের সঙ্গে বাশার সরকারের সামরিক সম্পর্কের তথ্য জানতেই হাসানকে সুরক্ষায় রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। হাসান মার্কিন তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছিলেন যে সাবেক প্রেসিডেন্ট আসাদের নির্দেশে টাইসকে হত্যা করা হয়েছে। তবে তার দেওয়া কথিত কবরের স্থানে তল্লাশি চালিয়ে কোনো দেহাবশেষ পাওয়া যায়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

সিরিয়ার সাবেক জেনারেল বাসাম আল-হাসানকে সুরক্ষা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও লেবানন

আপডেট সময় : ০১:৩২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

সিরিয়ার বাশার আল-আসাদ সরকারের সাবেক শীর্ষ উপদেষ্টা ও জেনারেল বাসাম আল-হাসানকে অর্থায়ন ও বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে গোপন আশ্রয়ে রেখেছে মার্কিন ও লেবানন কর্তৃপক্ষ। বিবিসি ও মার্কিন গণমাধ্যম এনপিআরের এক যৌথ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। আসাদ সরকারের সময় সিরিয়ার কুখ্যাত রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচি সরাসরি তদারকি করতেন এই জেনারেল, যার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও রাসায়নিক অস্ত্র হামলার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষের দিকে আসাদ সরকারের পতনের পর বাসাম আল-হাসান লেবাননে পালিয়ে যান। বর্তমানে তিনি মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই, সিআইএ এবং লেবাননের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর যৌথ সমঝোতার অধীনে নির্বিঘ্নে বসবাস করছেন। ২০১২ সালে সিরিয়ায় অপহৃত মার্কিন সাংবাদিক অস্টিন টাইস সম্পর্কিত গোপন তথ্য ও অতিরিক্ত গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের বিনিময়ে তাকে এই সুরক্ষা, লেবাননে বসবাসের অনুমতি ও নিয়মিত আর্থিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তবে গত মাসেই বিবিসির প্রতিবেদনে প্রকাশ পায় যে, সাংবাদিক টাইস অপহরণের সামরিক কমান্ডে এই হাসান নিজেই যুক্ত ছিলেন।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞাভুক্ত এই জেনারেলকে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে অর্থ দেওয়া হচ্ছে, যাতে লেনদেনের কোনো প্রমাণ সরাসরি দৃশ্যমান না হয়। এদিকে সিরিয়ার নতুন সরকারের দুটি ভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন যে, তারা মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য হাসানকে অবিলম্বে দামেস্কে ফেরত চান। তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ তাকে লেবাননেই রেখে দিতে চায় এবং ওয়াশিংটনের এমন অবস্থানের কারণে দামেস্কের কার্যত তেমন কিছুই করার নেই। এই খবরে অপহৃত সাংবাদিক টাইসের পরিবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, অস্টিন টাইস সম্পর্কিত তথ্যের পাশাপাশি সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচির গোপন নথি এবং ইরানের সঙ্গে বাশার সরকারের সামরিক সম্পর্কের তথ্য জানতেই হাসানকে সুরক্ষায় রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। হাসান মার্কিন তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছিলেন যে সাবেক প্রেসিডেন্ট আসাদের নির্দেশে টাইসকে হত্যা করা হয়েছে। তবে তার দেওয়া কথিত কবরের স্থানে তল্লাশি চালিয়ে কোনো দেহাবশেষ পাওয়া যায়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin