ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের পাঁচ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল কেন্দ্রীয় কমিটি রায়গঞ্জে নারকেল গাছ পরিষ্কার করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু অসহায় মেয়েদের বিয়ে দেওয়া যার শখ, সম্পন্ন করলেন ১১৩তম আয়োজন হাসপাতালে জামায়াত নেতা মুজিবুর রহমানকে দেখতে গেলেন গোলাম পরওয়ার ২০২৭ সালে তিস্তা মহাপরিকল্পনা শুরুর আশা ত্রাণমন্ত্রীর আশুলিয়ায় ৫ ঝুটের গুদাম ও বাড়িতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে ঢাবিতে দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন রোনালদোর সঙ্গে দ্বন্দ্ব: শাস্তির মুখে পড়তে পারেন পর্তুগাল কোচ জেসুস ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিদায়বেলায় সতীর্থ মুসোকে মজার বার্তা দিলেন লিওনেল মেসি

মোহনগঞ্জে নিখোঁজ অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার, মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:২৭:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর ফজলুর রহিম কাজল (৫৫) নামে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর বড়কাশিয়া ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোতাহারের পারিবারিক কবরস্থানের একটি গাছ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ফজলুর রহিম সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে। তিনি দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে চতুর্থ ছিলেন।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে কর্মস্থল ধর্মপাশার নওধার সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্টে যাওয়ার উদ্দেশে রওনা হন ফজলুর রহিম। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যদের দাবি, নিখোঁজ হওয়ার পর একটি অপরিচিত নম্বর থেকে তাদের কাছে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল। এ ঘটনায় নিখোঁজের রাতেই তার ছেলে মারুফ হাসান রনক ধর্মপাশা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরদিন শুক্রবার সকালে বিরামপুর গ্রামের ওই কবরস্থানের একটি গাছে লাশ ঝুলতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং স্বজনরা এসে ফজলুর রহিমের লাশ শনাক্ত করেন।

মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দীন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ফজলুর রহিমের পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার পর লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। মুক্তিপণ দাবির ঘটনার পর থেকে তাদের এই সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে।

এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ৫৬আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ৫৭

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

মোহনগঞ্জে নিখোঁজ অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার, মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:২৭:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর ফজলুর রহিম কাজল (৫৫) নামে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর বড়কাশিয়া ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোতাহারের পারিবারিক কবরস্থানের একটি গাছ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ফজলুর রহিম সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে। তিনি দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে চতুর্থ ছিলেন।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে কর্মস্থল ধর্মপাশার নওধার সৌরবিদ্যুৎ প্ল্যান্টে যাওয়ার উদ্দেশে রওনা হন ফজলুর রহিম। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যদের দাবি, নিখোঁজ হওয়ার পর একটি অপরিচিত নম্বর থেকে তাদের কাছে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল। এ ঘটনায় নিখোঁজের রাতেই তার ছেলে মারুফ হাসান রনক ধর্মপাশা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরদিন শুক্রবার সকালে বিরামপুর গ্রামের ওই কবরস্থানের একটি গাছে লাশ ঝুলতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং স্বজনরা এসে ফজলুর রহিমের লাশ শনাক্ত করেন।

মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দীন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ফজলুর রহিমের পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার পর লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। মুক্তিপণ দাবির ঘটনার পর থেকে তাদের এই সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে।

এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ৫৬আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ৫৭

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh