সরকার গঠনের পর জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি করেছে বিএনপি: মামুনুল হক
- আপডেট সময় : ১২:৩৫:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির আমির মাওলানা মামুনুল হক অভিযোগ করেছেন যে, সরকার গঠনের মাত্র সাত মাসের মাথায় বিএনপি জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি করেছে এবং তাদের অধিকার পদদলিত করছে। শুক্রবার নরসিংদীর পলাশ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পলাশ শাখা আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মামুনুল হক বলেন, বিরোধী দল হিসেবে তারা গত সাত মাসে জনগণের অধিকার আদায়ে রাজপথে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। এ সময় সরকারি দল ও তাদের মিত্ররা বিরোধী দলের অস্থিরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরকারকে সময় দেওয়ার কথা বলে সমালোচনা করেছে। এর জবাবে তিনি উল্লেখ করেন, তারা আন্দোলনের জন্য ছয় মাস বিলম্ব করেছেন, কিন্তু বিএনপি সরকার জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি করতে ছয় মিনিটও দেরি করেনি।
তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ওই নির্বাচনে ৭০ শতাংশ ভোট পেয়েও বিএনপি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও, জনগণের রায়ের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। সংসদের মুখপাত্রের গণভোট অবৈধ ঘোষণার দাবির সমালোচনা করে মামুনুল হক বলেন, একই মা থেকে জন্ম নেওয়া দুই সন্তানের একজন অবৈধ হলে অন্যজন বৈধ হতে পারে না। তিনি যুক্তি দেন, একই নির্বাচন কমিশন ও একই তফসিলে একই দিনে ভোট ও ফলাফল ঘোষিত হওয়ায় সংসদ নির্বাচন বৈধ হলে গণভোটও বৈধ, আর গণভোট অবৈধ হলে বিএনপি সরকারের বৈধতা থাকে না।
পলাশ উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি ফারুক ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, নরসিংদী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইলিয়াছ শেরপুরী, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান এবং বাংলাদেশ খেলাফত শ্রমিক মজলিসের সভাপতি মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী। সমাবেশে গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদ জানানো হয়।
প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২২: ০৮আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২২: ১৩
তিনি বলেন, আমরা তো ছয় মাস পর রাজপথে নেমেছি। আপনারা ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যখন ৭০ ভাগ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছিল, তখন ৫০ ভাগ ভোট পেয়ে আপনারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন কিন্তু ৭০ ভাগ জনগণের ভোটের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ গ্রহণ করতে অসম্মতি জানালেন।




























