ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রংপুরে জুলাই মাসে ১৩৯ মামলা, গ্রেফতার ১৬৮ রংপুর মেডিকেলে ১৪ কোটি টাকার আইসোলেশন ওয়ার্ডের উদ্বোধন হরমুজের বিকল্প হিসেবে আর্কটিকের ‘বরফ সিল্ক রোড’ কতটা কার্যকর? এভিয়েশন খাতে প্রযুক্তির ব্যবহারে নেতৃত্বের লক্ষ্য বিমানমন্ত্রীর নারায়ণগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সীমান্ত হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনিকে আরও এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে মাসব্যাপী ফল-২০২৬ এডমিশন ফেস্ট শুরু হাটহাজারীতে তরুণকে ধাওয়া করে গুলি, এলাকায় আতঙ্ক নিজেদের চোরাবালিতে আটকে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওমরাহ ভিসায় সৌদিতে প্রবেশের নতুন নিয়ম ও শর্তাবলী জারি

ভূমধ্যসাগরে নিখোঁজ সুনামগঞ্জের ৮ যুবক, পরিবারে চলছে শোকের মাতম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লিবিয়া থেকে অবৈধপথে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে খাবার ও পানি সংকটের কবলে পড়ে ১১ জন বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় সুনামগঞ্জের ৮ যুবক নিখোঁজ রয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও কেউ কেউ দাবি করছেন ওই যুবকরা মারা গেছেন, তবে পরিবার বা স্বজনদের কাছে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই।

নিখোঁজ যুবকদের মধ্যে শান্তিগঞ্জ উপজেলার ৫ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ২ জন এবং দিরাই উপজেলার ১ জন রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে দালালদের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ হয়ে লিবিয়ায় পৌঁছান সুনামগঞ্জের এই যুবকরা। এরপর গত ৩ আগস্ট রাতে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে গ্রিসের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে একটি নৌকা। ওই নৌকায় মোট ৪২ জন যাত্রী ছিলেন, যার মধ্যে ৩৮ জনই ছিলেন বাংলাদেশি। মাঝপথে বোট নষ্ট হয়ে খাবার ও পানি শেষ হয়ে যাওয়ায় ১১ জনের মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।

নিখোঁজ যুবকদের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা শত্রুমর্দন গ্রামের হৃদয় পাল, চিকারকান্দি গ্রামের এনামুল খাঁন, রিপন মিয়া ও মামুন খাঁন, রনসী গ্রামের মো. তালহা, জগন্নাথপুর উপজেলার বাগময়না গ্রামের জুয়েল আহমদ টিপু, গন্ধর্বপুর গ্রামের হাবিব উল্লাহ এবং দিরাই পৌর এলাকার ঘাগটিয়া গ্রামের সানোয়ার হোসেন।

এই ঘটনার পর থেকে নিখোঁজদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে এবং অনেক বাড়িতেই চলছে আহাজারি। সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, শুরুতে ভূমধ্যসাগর থেকে কয়েকজনকে উদ্ধারের তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ভাষ্যমতে পরবর্তীতে মৃত্যুর বিষয়টি জানা যায়। বর্তমানে প্রশাসন প্রকৃত তথ্য উদঘাটন ও সত্যতা যাচাইয়ের কাজ করছে। স্বপ্নের ইউরোপে পাড়ি দিতে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পথে সাগর পাড়ি না দিয়ে বৈধ পথে ভ্রমণের জন্য সচেতন মহল আহ্বান জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ভূমধ্যসাগরে নিখোঁজ সুনামগঞ্জের ৮ যুবক, পরিবারে চলছে শোকের মাতম

আপডেট সময় : ০৬:৫১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

লিবিয়া থেকে অবৈধপথে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে খাবার ও পানি সংকটের কবলে পড়ে ১১ জন বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় সুনামগঞ্জের ৮ যুবক নিখোঁজ রয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও কেউ কেউ দাবি করছেন ওই যুবকরা মারা গেছেন, তবে পরিবার বা স্বজনদের কাছে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই।

নিখোঁজ যুবকদের মধ্যে শান্তিগঞ্জ উপজেলার ৫ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ২ জন এবং দিরাই উপজেলার ১ জন রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে দালালদের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ হয়ে লিবিয়ায় পৌঁছান সুনামগঞ্জের এই যুবকরা। এরপর গত ৩ আগস্ট রাতে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে গ্রিসের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে একটি নৌকা। ওই নৌকায় মোট ৪২ জন যাত্রী ছিলেন, যার মধ্যে ৩৮ জনই ছিলেন বাংলাদেশি। মাঝপথে বোট নষ্ট হয়ে খাবার ও পানি শেষ হয়ে যাওয়ায় ১১ জনের মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।

নিখোঁজ যুবকদের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা শত্রুমর্দন গ্রামের হৃদয় পাল, চিকারকান্দি গ্রামের এনামুল খাঁন, রিপন মিয়া ও মামুন খাঁন, রনসী গ্রামের মো. তালহা, জগন্নাথপুর উপজেলার বাগময়না গ্রামের জুয়েল আহমদ টিপু, গন্ধর্বপুর গ্রামের হাবিব উল্লাহ এবং দিরাই পৌর এলাকার ঘাগটিয়া গ্রামের সানোয়ার হোসেন।

এই ঘটনার পর থেকে নিখোঁজদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে এবং অনেক বাড়িতেই চলছে আহাজারি। সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, শুরুতে ভূমধ্যসাগর থেকে কয়েকজনকে উদ্ধারের তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ভাষ্যমতে পরবর্তীতে মৃত্যুর বিষয়টি জানা যায়। বর্তমানে প্রশাসন প্রকৃত তথ্য উদঘাটন ও সত্যতা যাচাইয়ের কাজ করছে। স্বপ্নের ইউরোপে পাড়ি দিতে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পথে সাগর পাড়ি না দিয়ে বৈধ পথে ভ্রমণের জন্য সচেতন মহল আহ্বান জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh