ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন পরিচয়ে যাত্রা শুরু করলো এয়ারটেল, নাম পরিবর্তন ‘সার্কেল’ কাঠমান্ডুতে যান্ত্রিক ত্রুটিতে আটকা, বিকল্প বিমানে ফিরলেন ১২৭ যাত্রী এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নে ১২ লাখ আবেদন, নীতিমালায় পরিবর্তনের আভাস তিন মাস কাদায় বাঁধা ছিল মহিষ, উদ্ধার করলেন ইউএনও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্সের ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঝুঁকি নিয়ে চলছে কালীগঞ্জের শতবর্ষী বিদ্যালয়ের পাঠদান জাতীয় মৎস্য পদক পেলেন নোয়াখালীর মৎস্যচাষি আলা উদ্দিন খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ করল বিএসটিআই আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সন্তুষ্টির বিষয়ে জনগণই বলবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নদীয়ায় কংগ্রেস নেতা ও তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় কংগ্রেস নেতা আনিসুর রহমান ও তার ২৪ বছর বয়সী ছেলে আবু সুফিয়ানকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার রাতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর ওই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় বার্তাসংস্থা এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আনিসুর রহমান তার ছেলে আবু সুফিয়ানকে নিয়ে বেথুয়াডহরি থেকে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে নাগাদি রেলগেটের কাছে একদল অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাদের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা প্রথমে গাড়িতে গুলি চালানোর পর আনিসুর রহমান ও তার ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে এবং হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত উদ্দেশ্য বা হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

নিহত ৫০ বছর বয়সী আনিসুর রহমান বেঙ্গল কংগ্রেস কমিটির সদস্য এবং নদীয়া জেলা কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। নাকাশিপাড়া এলাকায় দলের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত আনিসুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। স্বাধীনতা দিবসের সময় এ ধরনের হত্যাকাণ্ড মানুষের নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার অধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের জেরে নদীয়া জেলার সংশ্লিষ্ট এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

নদীয়ায় কংগ্রেস নেতা ও তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় কংগ্রেস নেতা আনিসুর রহমান ও তার ২৪ বছর বয়সী ছেলে আবু সুফিয়ানকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার রাতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর ওই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় বার্তাসংস্থা এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আনিসুর রহমান তার ছেলে আবু সুফিয়ানকে নিয়ে বেথুয়াডহরি থেকে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে নাগাদি রেলগেটের কাছে একদল অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাদের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা প্রথমে গাড়িতে গুলি চালানোর পর আনিসুর রহমান ও তার ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে এবং হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত উদ্দেশ্য বা হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

নিহত ৫০ বছর বয়সী আনিসুর রহমান বেঙ্গল কংগ্রেস কমিটির সদস্য এবং নদীয়া জেলা কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। নাকাশিপাড়া এলাকায় দলের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত আনিসুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। স্বাধীনতা দিবসের সময় এ ধরনের হত্যাকাণ্ড মানুষের নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার অধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের জেরে নদীয়া জেলার সংশ্লিষ্ট এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy