খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ করল বিএসটিআই
- আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

দেশে হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে খাদ্যপণ্যে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ) নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ভোজ্যতেল, বনস্পতি, লাচ্চা সেমাই, কেক, চিপস ও চানাচুরসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ করে মান প্রণয়ন করা হয়েছে।
সোমবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটি এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ‘বাংলাদেশে টিএফএমুক্ত ভোজ্যতেল ও পিএইচও (পার্শিয়ালি হাইড্রোজেনেটেড অয়েল) উৎপাদন উৎসাহিতকরণ’ শীর্ষক একটি অংশীজন পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে বিএসটিআই।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী এবং রিসোর্স পারসন হিসেবে অংশ নেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম। এছাড়াও বসুন্ধরা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, টিকে গ্রুপ, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল ও মেঘনা গ্রুপসহ দেশের বিভিন্ন ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী, পরিশোধনকারী এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
সভায় ‘অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে এসডিজির তাগিদ এবং সরকারের অগ্রাধিকার’ বিষয়ে উপস্থাপনা করেন বিএসটিআইয়ের উপপরিচালক (কৃষি ও খাদ্য) এনামুল হক। বিএসটিআই মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক জানান, ট্রান্স ফ্যাটমুক্ত নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পখাতের বাস্তব সমস্যা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিডকে অকালমৃত্যু প্রতিরোধে নির্মূলযোগ্য একটি ব্যয়সাশ্রয়ী ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার ‘খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ) নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১’ প্রণয়ন করেছে। এই প্রবিধানের কার্যকর বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই বিএসটিআই বনস্পতি ও নন-ডেইরি ভেজিটেবল ঘি-এর জন্য প্রণীত জাতীয় মান সংশোধন করেছে।


























