দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ ১১ জনের প্রাণহানি
- আপডেট সময় : ১০:৫৯:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) দেশটির আনসার ও দেইর আল-জাহরানি এলাকায় চালানো কয়েক দফা হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিন শিশু ও দুই নারী রয়েছেন। লেবাননের কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় একই পরিবারের সাতজন সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম জানান, রাজধানী বৈরুত থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে আনসার শহরের উপকণ্ঠে একটি বাড়িতে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হামলাটি চালানো হয়। হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে স্থানীয় সড়কগুলোকে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন অবস্থায় দেখা গেছে। লেবাননের কর্তৃপক্ষের দাবি, আনসার এলাকায় বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছিল।
অন্যদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, হামলাটি হিজবুল্লাহর রাদওয়ান ফোর্সের একটি ব্যাটালিয়নের কমান্ডার আলি সামির আল-হাজ হাসানকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল। ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই কমান্ডারকে হত্যা করা হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে। আইডিএফের ভাষ্যমতে, ওই কমান্ডার একটি সামরিক সদর দপ্তরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অবস্থান করছিলেন এবং তাদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করছিলেন। ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, তারা পরিবারের সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়নি।
তবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম। তিনি হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, নিহত সাতজনই বেসামরিক নাগরিক এবং ওই এলাকায় কোনো সামরিক অবকাঠামো ছিল না। তিনি অবিলম্বে উত্তেজনা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের দাবি নাকচ করে দিয়ে অভিযোগ করেছে যে, বেসামরিক নাগরিকদের ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং পরে হামলার স্থানগুলোকে সামরিক স্থাপনা হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই সংঘাত দক্ষিণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।


























