ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মতিউর রহমান চৌধুরীর বিশ্লেষণ: নেপথ্য কূটনীতি ও রাষ্ট্রনীতির নতুন পাঠ সিরাজগঞ্জে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা ও বৃত্তি বিতরণ প্রতি দুজনের নমুনায় একজন হামে আক্রান্ত চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আফগানিস্তানের সরাসরি বিশ্বকাপ নিশ্চিত, বাংলাদেশের ভাগ্য ভারতের হাতে অনেক ভুল করেছি, এমন না করলেও পারতাম: শাকিব খান ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ভিডিও প্রকাশ গণমাধ্যম ও গণতন্ত্রের শক্তি নিয়ে বিশিষ্টজনদের মতামত ও জরিপ ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিকল্পিত নগরায়নে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে অগ্নিকাণ্ড: রহস্য ও ধোঁয়াশা

লটারিতে ৩০ লাখ টাকা জিতলেন ময়মনসিংহের কৃষক হানিফ মিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক হানিফ মিয়া বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির (বিপিকেএস) জাতীয় লটারি-২০২৬-এর প্রথম পুরস্কার হিসেবে ৩০ লাখ টাকা জিতেছেন বলে দাবি করেছেন। ওষুধের দোকানে কাজের পাশাপাশি হাঁসের খামার ও কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করা হানিফ মিয়া লটারির ‘গ-০১৬৪৩৬৪’ নম্বরের টিকিটটি নিজের কাছে থাকার কথা জানিয়েছেন। গত ১৯ জুলাই সরকার অনুমোদিত এই লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

হানিফ মিয়া জানান, মহেশপুর বাজারে ওষুধের দোকানে কাজ করার সময় লটারির খবর জেনে তিনি ২০ টাকা মূল্যের দুটি টিকিট কিনেছিলেন। পরে অনলাইনে ফলাফল যাচাই করে দেখেন, একটি টিকিটের নম্বরের সঙ্গে প্রথম পুরস্কারের নম্বর মিলে গেছে। বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস করতে না পারলেও পরে নিশ্চিত হন। হানিফের স্ত্রী নীলা আক্তার জানান, শুরুতে টিকিট কেনার জন্য তিনি স্বামীকে বকাবকি করলেও পরে লটারি জেতার বিষয়টি স্বপ্নের মতো মনে হয়েছে। এই পুরস্কারের টাকা দিয়ে তারা সংসারের অভাব দূর করার স্বপ্ন দেখছেন।

পরিবারের আর্থিক অনটনের কথা উল্লেখ করে হানিফ মিয়া জানান, তার বাবা অন্য পরিবারে থাকেন এবং তিনি মা হামিদা বেগমের সঙ্গে নানাবাড়িতে বড় হয়েছেন। সম্প্রতি বসতভিটার জমি সংক্রান্ত জটিলতায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন তিনি। এই টাকা পেলে তিনি ওষুধের দোকান দেওয়া এবং হাঁসের খামারের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন।

বিপিকেএস লটারি প্রকল্পের পরিচালক মো. আলম কবির জানিয়েছেন, হানিফ মিয়া মূল টিকিটসহ তাদের কার্যালয়ে এসেছেন এবং টিকিটটি প্রাথমিকভাবে সঠিক বলে মনে হয়েছে। তবে চূড়ান্ত স্বীকৃতির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক যাচাই-বাছাই করা হবে। আগামী ২০ আগস্ট থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বরের শুরুতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিজয়ীর হাতে পুরস্কারের অর্থ তুলে দেওয়া হবে।

হানিফ জানান, স্থানীয় মহেশপুর বাজারে ওষুধের দোকানে কাজ করার সময় টিকিট বিক্রির খবর শুনে ২০ টাকা করে তিনি ২টি টিকিট কেনেন।

এখন পুরস্কারের টাকা পেলে ওষুধের একটি দোকান দেওয়া, হাঁসের খামার সম্প্রসারণ এবং পরিবারের দায়িত্ব আরও ভালোভাবে পালন করতে চান।.হানিফের স্ত্রী নীলা আক্তার বলেন, ‘৪০ টাকা খরচ করে ২টি টিকিট কিনে আনার পর আমি উনাকে (হানিফ মিয়া) বকাবকি করেছিলাম।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

লটারিতে ৩০ লাখ টাকা জিতলেন ময়মনসিংহের কৃষক হানিফ মিয়া

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
print news

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক হানিফ মিয়া বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির (বিপিকেএস) জাতীয় লটারি-২০২৬-এর প্রথম পুরস্কার হিসেবে ৩০ লাখ টাকা জিতেছেন বলে দাবি করেছেন। ওষুধের দোকানে কাজের পাশাপাশি হাঁসের খামার ও কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করা হানিফ মিয়া লটারির ‘গ-০১৬৪৩৬৪’ নম্বরের টিকিটটি নিজের কাছে থাকার কথা জানিয়েছেন। গত ১৯ জুলাই সরকার অনুমোদিত এই লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

হানিফ মিয়া জানান, মহেশপুর বাজারে ওষুধের দোকানে কাজ করার সময় লটারির খবর জেনে তিনি ২০ টাকা মূল্যের দুটি টিকিট কিনেছিলেন। পরে অনলাইনে ফলাফল যাচাই করে দেখেন, একটি টিকিটের নম্বরের সঙ্গে প্রথম পুরস্কারের নম্বর মিলে গেছে। বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস করতে না পারলেও পরে নিশ্চিত হন। হানিফের স্ত্রী নীলা আক্তার জানান, শুরুতে টিকিট কেনার জন্য তিনি স্বামীকে বকাবকি করলেও পরে লটারি জেতার বিষয়টি স্বপ্নের মতো মনে হয়েছে। এই পুরস্কারের টাকা দিয়ে তারা সংসারের অভাব দূর করার স্বপ্ন দেখছেন।

পরিবারের আর্থিক অনটনের কথা উল্লেখ করে হানিফ মিয়া জানান, তার বাবা অন্য পরিবারে থাকেন এবং তিনি মা হামিদা বেগমের সঙ্গে নানাবাড়িতে বড় হয়েছেন। সম্প্রতি বসতভিটার জমি সংক্রান্ত জটিলতায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন তিনি। এই টাকা পেলে তিনি ওষুধের দোকান দেওয়া এবং হাঁসের খামারের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন।

বিপিকেএস লটারি প্রকল্পের পরিচালক মো. আলম কবির জানিয়েছেন, হানিফ মিয়া মূল টিকিটসহ তাদের কার্যালয়ে এসেছেন এবং টিকিটটি প্রাথমিকভাবে সঠিক বলে মনে হয়েছে। তবে চূড়ান্ত স্বীকৃতির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক যাচাই-বাছাই করা হবে। আগামী ২০ আগস্ট থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বরের শুরুতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিজয়ীর হাতে পুরস্কারের অর্থ তুলে দেওয়া হবে।

হানিফ জানান, স্থানীয় মহেশপুর বাজারে ওষুধের দোকানে কাজ করার সময় টিকিট বিক্রির খবর শুনে ২০ টাকা করে তিনি ২টি টিকিট কেনেন।

এখন পুরস্কারের টাকা পেলে ওষুধের একটি দোকান দেওয়া, হাঁসের খামার সম্প্রসারণ এবং পরিবারের দায়িত্ব আরও ভালোভাবে পালন করতে চান।.হানিফের স্ত্রী নীলা আক্তার বলেন, ‘৪০ টাকা খরচ করে ২টি টিকিট কিনে আনার পর আমি উনাকে (হানিফ মিয়া) বকাবকি করেছিলাম।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo