ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধ ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ স্মৃতির অপেক্ষায় আজও প্রহর গুনছি চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস ও ভূমিধসের শঙ্কা আগারগাঁওয়ে ভাইরাল মিজানের হোটেল আবারও উচ্ছেদ, সরানো হলো রান্নার সরঞ্জাম রাজশাহীতে হত্যা মামলায় পান দোকানিকে ফাঁসানোর অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন উয়েফার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার ও হয়রানির’ অভিযোগ আনল ফিফা ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ মনপুরায় ১০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক রণবীরের জন্মদিনে আলিয়ার বিশেষ পোস্ট, নেটদুনিয়ায় মুগ্ধতা

ছায়ানটে গান ও নৃত্যে বর্ষামুখর শ্রাবণসন্ধ্যার মনোজ্ঞ আয়োজন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



শ্রাবণ বিদায়ের পথে থাকলেও মেঘ আর বৃষ্টির আনাগোনা প্রতিদিনের সঙ্গী। এমন এক বর্ষণমুখর শ্রাবণসন্ধ্যাকে গান ও নৃত্যের ছন্দে রাঙিয়ে তুলেছিলেন শিল্পীরা। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তনে ‘বর্ষামুখর শ্রাবণসন্ধ্যা’ নামের এক গীতিনৃত্য-আলেখ্য অনুষ্ঠিত হয়। প্রয়াত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ও শিক্ষক সাদি মহম্মদের হাতে গড়া গানের দল ‘ভোরের আলো’ এই আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা ছিল। তাদের সহযোগী হিসেবে ছিল সংগীত সংগঠন ‘গানে গানে আড্ডা’ (ছোটদের দল), ‘উত্তরায়ণ’ এবং নৃত্যসংগঠন ‘নৃত্যাঞ্চল’.

বাংলার প্রকৃতিতে বর্ষা ঋতু চিরকালই প্রাণসঞ্চারী। গ্রীষ্মের শুষ্ক মাটিকে সিক্ত করার পাশাপাশি বর্ষা কবিদের মনেও সৃজনী প্রেরণা জোগায়। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর অজস্র সৃষ্টিতে বর্ষাকে নতুন করে আবিষ্কার করেছিলেন। সেই কালজয়ী রবীন্দ্রসংগীত ও কাব্যকর্মের ওপর ভিত্তি করেই সাজানো হয়েছিল এই সন্ধ্যার পুরো আয়োজন।

অনুষ্ঠানটির সূচনা হয় সমবেত কণ্ঠে ‘আহ্বান আসিল মহোৎসব/ অম্বরে গম্ভীর ভেরিরবে’ গানটির পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। এরপর ‘আজ তালের বনের করতালি’ গানের সঙ্গে সমবেত সংগীত ও নৃত্য পরিবেশিত হয়। একক কণ্ঠে ফারজানা অপরাজিতা পরিবেশন করেন ‘চক্ষে আমার তৃষ্ণা’ গানটি। এরপর ‘গহন ঘন ছাইল/ হৃদয়ে মন্দ্রিল ডমরু’ গানের তালে সমবেত নৃত্য দর্শকদের মুগ্ধ করে।

কোনো বিরতি ছাড়াই অনুষ্ঠানটি এগিয়ে চলে একক ও সমবেত গান, নৃত্য এবং আবৃত্তির সমন্বয়ে। একক গানের শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন অনুপম কুমার পাল, জেসমিন রোজ, মৌমিতা পাল ও সৌরভ শিকদার। তারা ‘গগনে গগনে আপন মনে’, ‘চিত্ত আমার হারাল’, ‘শাওন গগনে’ এবং ‘আজি শ্রাবণ ঘন গহন মোহে’-এর মতো জনপ্রিয় গানগুলো গেয়ে শোনান। পাঠ ও আবৃত্তিতে অংশ নেন অনন্যা সাহা ও হাফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানের সমবেত পরিবেশনার মধ্যে ছিল ‘আষাঢ় কোথা হতে আজ পেলি ছাড়া’, ‘এসো এসো ওগো শ্যামছায়া ঘন দিন’, ‘তিমির অবগুন্ঠনে’, ‘মন মোর মেঘের সঙ্গী’ এবং ‘আজি বর্ষারাতের শেষ’। সবশেষে ‘মরু বিজয়ের কেতন উড়াও শূন্যে হে প্রবল প্রাণ’ গানটি দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়। এই আয়োজনের সার্বিক পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন শিল্পী লিলি ইসলাম, আর নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন শিবলী মোহাম্মদ ও স্নাতা শাহরিন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ছায়ানটে গান ও নৃত্যে বর্ষামুখর শ্রাবণসন্ধ্যার মনোজ্ঞ আয়োজন

আপডেট সময় : ০৪:২৩:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

শ্রাবণ বিদায়ের পথে থাকলেও মেঘ আর বৃষ্টির আনাগোনা প্রতিদিনের সঙ্গী। এমন এক বর্ষণমুখর শ্রাবণসন্ধ্যাকে গান ও নৃত্যের ছন্দে রাঙিয়ে তুলেছিলেন শিল্পীরা। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তনে ‘বর্ষামুখর শ্রাবণসন্ধ্যা’ নামের এক গীতিনৃত্য-আলেখ্য অনুষ্ঠিত হয়। প্রয়াত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ও শিক্ষক সাদি মহম্মদের হাতে গড়া গানের দল ‘ভোরের আলো’ এই আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা ছিল। তাদের সহযোগী হিসেবে ছিল সংগীত সংগঠন ‘গানে গানে আড্ডা’ (ছোটদের দল), ‘উত্তরায়ণ’ এবং নৃত্যসংগঠন ‘নৃত্যাঞ্চল’.

বাংলার প্রকৃতিতে বর্ষা ঋতু চিরকালই প্রাণসঞ্চারী। গ্রীষ্মের শুষ্ক মাটিকে সিক্ত করার পাশাপাশি বর্ষা কবিদের মনেও সৃজনী প্রেরণা জোগায়। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর অজস্র সৃষ্টিতে বর্ষাকে নতুন করে আবিষ্কার করেছিলেন। সেই কালজয়ী রবীন্দ্রসংগীত ও কাব্যকর্মের ওপর ভিত্তি করেই সাজানো হয়েছিল এই সন্ধ্যার পুরো আয়োজন।

অনুষ্ঠানটির সূচনা হয় সমবেত কণ্ঠে ‘আহ্বান আসিল মহোৎসব/ অম্বরে গম্ভীর ভেরিরবে’ গানটির পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। এরপর ‘আজ তালের বনের করতালি’ গানের সঙ্গে সমবেত সংগীত ও নৃত্য পরিবেশিত হয়। একক কণ্ঠে ফারজানা অপরাজিতা পরিবেশন করেন ‘চক্ষে আমার তৃষ্ণা’ গানটি। এরপর ‘গহন ঘন ছাইল/ হৃদয়ে মন্দ্রিল ডমরু’ গানের তালে সমবেত নৃত্য দর্শকদের মুগ্ধ করে।

কোনো বিরতি ছাড়াই অনুষ্ঠানটি এগিয়ে চলে একক ও সমবেত গান, নৃত্য এবং আবৃত্তির সমন্বয়ে। একক গানের শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন অনুপম কুমার পাল, জেসমিন রোজ, মৌমিতা পাল ও সৌরভ শিকদার। তারা ‘গগনে গগনে আপন মনে’, ‘চিত্ত আমার হারাল’, ‘শাওন গগনে’ এবং ‘আজি শ্রাবণ ঘন গহন মোহে’-এর মতো জনপ্রিয় গানগুলো গেয়ে শোনান। পাঠ ও আবৃত্তিতে অংশ নেন অনন্যা সাহা ও হাফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানের সমবেত পরিবেশনার মধ্যে ছিল ‘আষাঢ় কোথা হতে আজ পেলি ছাড়া’, ‘এসো এসো ওগো শ্যামছায়া ঘন দিন’, ‘তিমির অবগুন্ঠনে’, ‘মন মোর মেঘের সঙ্গী’ এবং ‘আজি বর্ষারাতের শেষ’। সবশেষে ‘মরু বিজয়ের কেতন উড়াও শূন্যে হে প্রবল প্রাণ’ গানটি দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়। এই আয়োজনের সার্বিক পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন শিল্পী লিলি ইসলাম, আর নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন শিবলী মোহাম্মদ ও স্নাতা শাহরিন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo