ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যা পরিস্থিতির কারণে ১৬ই জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত কেইন না হলান্ড: গোল করার লড়াইয়ে এগিয়ে কে? রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সফলভাবে শেষ হলো ক্যারিয়ার ফেয়ার ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের মাঠের ঘাস বিক্রির অভিনব উদ্যোগ ফিফার গণভোট থেকে সরে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ আহত: হাসনাত আবদুল্লাহ ঢাকায় আসছে আইএমএফ প্রতিনিধিদল, আলোচনায় নবম পে-স্কেল ও নতুন ঋণ যুক্তরাষ্ট্রের ৩১টি অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে ডায়রিয়া সৃষ্টিকারী পরজীবী পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা ছিল না শেখ মুজিবের: হাফিজ উদ্দিন আহমদ ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুনামগঞ্জে বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় চার পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল

সুনামগঞ্জে বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় চার পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

সুনামগঞ্জে অতিবৃষ্টি এবং ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে জেলার চারটি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। গত ১০ জুলাই শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি অফিস আদেশ জারি করা হয়। উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মতিউর রহমান খান স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী জেলায় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

এই নির্দেশনার আওতায় সুনামগঞ্জ, ছাতক, জগন্নাথপুর ও দিরাই পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি পৌরসভায় জরুরি কন্ট্রোল রুম চালু রাখা এবং সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সম্ভাব্য এই দুর্যোগ মোকাবিলায় শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য, গো-খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার কাজের জন্য নৌযান, আশ্রয়কেন্দ্র, স্বেচ্ছাসেবক ও মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচার কার্যক্রম জোরদার করতে বলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় জেলার ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত নৌযান ও স্বেচ্ছাসেবকের পাশাপাশি ১ হাজার ৫৬টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া সব উপজেলায় আগেই জিআর চাল বরাদ্দ পাঠানো হয়েছে এবং ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শক্তিয়ারখলা এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান। তিনি জানান, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানি সাবমার্জিবল সড়কের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কড়চার হাওরে গিয়ে পড়লেও বর্তমানে বৃষ্টি কম হওয়ায় রাস্তার পানি অনেকটা কমেছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জে বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় চার পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল

আপডেট সময় : ০৫:১৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
print news

সুনামগঞ্জে অতিবৃষ্টি এবং ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে জেলার চারটি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। গত ১০ জুলাই শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি অফিস আদেশ জারি করা হয়। উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মতিউর রহমান খান স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী জেলায় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

এই নির্দেশনার আওতায় সুনামগঞ্জ, ছাতক, জগন্নাথপুর ও দিরাই পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি পৌরসভায় জরুরি কন্ট্রোল রুম চালু রাখা এবং সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সম্ভাব্য এই দুর্যোগ মোকাবিলায় শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য, গো-খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার কাজের জন্য নৌযান, আশ্রয়কেন্দ্র, স্বেচ্ছাসেবক ও মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচার কার্যক্রম জোরদার করতে বলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় জেলার ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত নৌযান ও স্বেচ্ছাসেবকের পাশাপাশি ১ হাজার ৫৬টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া সব উপজেলায় আগেই জিআর চাল বরাদ্দ পাঠানো হয়েছে এবং ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শক্তিয়ারখলা এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান। তিনি জানান, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানি সাবমার্জিবল সড়কের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কড়চার হাওরে গিয়ে পড়লেও বর্তমানে বৃষ্টি কম হওয়ায় রাস্তার পানি অনেকটা কমেছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।