ঢাকা ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদে কথা বলার সুযোগ না পেলে বাইরে বলব: হাসনাত আবদুল্লাহ জ্বালানি ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনের দাবি কুমিল্লার তরুণের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়ে ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস ইরান আমাকে হত্যা করলে নজিরবিহীন বোমার নির্দেশ দেওয়া আছে: ট্রাম্প বান্দরবানের লামায় পাহাড়ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু ঢাকায় কনসার্টে গাইবেন আতিফ আসলাম, শুরু হলো টিকিট বিক্রি জুলাই সনদের দাবি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনা মোতায়েন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মানার আহ্বান সরকারের আজ ১১ জুলাই ২০২৬ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন

বান্দরবানের লামায় পাহাড়ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

টানা ভারী বর্ষণের কবলে পড়ে বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ দুই পরিবারের পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় এই মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়ার বাসিন্দা মো. ইউনুস (২৮), তাঁর স্ত্রী রানু আক্তার (২২) এবং তাঁদের চার বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান রয়েছেন। এছাড়া একই এলাকার অপর একটি ঘটনায় মো. জুয়েল (৩৪) ও তাঁর স্ত্রী কুলছুমা আক্তার (২৫) নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, গত রোববার থেকে টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে বিভিন্ন স্থানে ধসের ঘটনা ঘটছে। এর ধারাবাহিকতায় আজিজনগর ইউনিয়নের পাগলাছড়া এলাকায় পাহাড়ধসে একটি পরিবারের তিন সদস্য এবং কাছাকাছি এলাকায় অন্য একটি বসতঘরের ওপর মাটি চাপা পড়ে স্বামী-স্ত্রী নিহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করেন। বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে টানা বর্ষণে লামাসহ পুরো বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন ও সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হলেও, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত অনেক মানুষ এখনো নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন। প্রশাসন বারবার সবাইকে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বান্দরবানের লামায় পাহাড়ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:১৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
print news

টানা ভারী বর্ষণের কবলে পড়ে বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ দুই পরিবারের পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় এই মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়ার বাসিন্দা মো. ইউনুস (২৮), তাঁর স্ত্রী রানু আক্তার (২২) এবং তাঁদের চার বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান রয়েছেন। এছাড়া একই এলাকার অপর একটি ঘটনায় মো. জুয়েল (৩৪) ও তাঁর স্ত্রী কুলছুমা আক্তার (২৫) নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, গত রোববার থেকে টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে বিভিন্ন স্থানে ধসের ঘটনা ঘটছে। এর ধারাবাহিকতায় আজিজনগর ইউনিয়নের পাগলাছড়া এলাকায় পাহাড়ধসে একটি পরিবারের তিন সদস্য এবং কাছাকাছি এলাকায় অন্য একটি বসতঘরের ওপর মাটি চাপা পড়ে স্বামী-স্ত্রী নিহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করেন। বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে টানা বর্ষণে লামাসহ পুরো বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন ও সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হলেও, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত অনেক মানুষ এখনো নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন। প্রশাসন বারবার সবাইকে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।