ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ: ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটক ইব্রাহিমের মরদেহ সোনাদিয়ায় উদ্ধার নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮ দলবাজ ও দলদাসের সূক্ষ্ম পার্থক্য নিয়ে মহিউদ্দিন আহমদের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ গোপন সূচির রোমাঞ্চ নিয়ে বসছে ৫৩তম টেলুরাইড চলচ্চিত্র উৎসব ঠাকুরগাঁওয়ে হাফ ম্যারাথন: রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে দৌড়বিদের মিলনমেলা ইন্টার মায়ামির নতুন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেলেন কিলি গঞ্জালেস প্রকৌশলী অধিকার দিবস উপলক্ষে বেরোবিতে মোমবাতি প্রজ্বলন ২০৩০ সালে মালয়েশিয়া-ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে ৩২তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ বিএনপি সরকার ব্যর্থতার দিকে যাচ্ছে: সারজিস আলম

বান্দরবানের লামায় পাহাড়ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টানা ভারী বর্ষণের কবলে পড়ে বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ দুই পরিবারের পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় এই মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়ার বাসিন্দা মো. ইউনুস (২৮), তাঁর স্ত্রী রানু আক্তার (২২) এবং তাঁদের চার বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান রয়েছেন। এছাড়া একই এলাকার অপর একটি ঘটনায় মো. জুয়েল (৩৪) ও তাঁর স্ত্রী কুলছুমা আক্তার (২৫) নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, গত রোববার থেকে টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে বিভিন্ন স্থানে ধসের ঘটনা ঘটছে। এর ধারাবাহিকতায় আজিজনগর ইউনিয়নের পাগলাছড়া এলাকায় পাহাড়ধসে একটি পরিবারের তিন সদস্য এবং কাছাকাছি এলাকায় অন্য একটি বসতঘরের ওপর মাটি চাপা পড়ে স্বামী-স্ত্রী নিহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করেন। বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে টানা বর্ষণে লামাসহ পুরো বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন ও সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হলেও, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত অনেক মানুষ এখনো নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন। প্রশাসন বারবার সবাইকে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

বান্দরবানের লামায় পাহাড়ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:১৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

টানা ভারী বর্ষণের কবলে পড়ে বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ দুই পরিবারের পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় এই মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়ার বাসিন্দা মো. ইউনুস (২৮), তাঁর স্ত্রী রানু আক্তার (২২) এবং তাঁদের চার বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান রয়েছেন। এছাড়া একই এলাকার অপর একটি ঘটনায় মো. জুয়েল (৩৪) ও তাঁর স্ত্রী কুলছুমা আক্তার (২৫) নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, গত রোববার থেকে টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে বিভিন্ন স্থানে ধসের ঘটনা ঘটছে। এর ধারাবাহিকতায় আজিজনগর ইউনিয়নের পাগলাছড়া এলাকায় পাহাড়ধসে একটি পরিবারের তিন সদস্য এবং কাছাকাছি এলাকায় অন্য একটি বসতঘরের ওপর মাটি চাপা পড়ে স্বামী-স্ত্রী নিহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করেন। বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে টানা বর্ষণে লামাসহ পুরো বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন ও সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হলেও, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত অনেক মানুষ এখনো নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন। প্রশাসন বারবার সবাইকে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din