ঢাকা ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়ে ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস ইরান আমাকে হত্যা করলে নজিরবিহীন বোমার নির্দেশ দেওয়া আছে: ট্রাম্প বান্দরবানের লামায় পাহাড়ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু ঢাকায় কনসার্টে গাইবেন আতিফ আসলাম, শুরু হলো টিকিট বিক্রি জুলাই সনদের দাবি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনা মোতায়েন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মানার আহ্বান সরকারের আজ ১১ জুলাই ২০২৬ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন ইরানের সাথে পারমাণবিক চুক্তির সম্ভাবনা ক্ষীণ দেখছে ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের দিনে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লেন কোর্তোয়া

চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনা মোতায়েন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

টানা ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রামের সাতটি উপজেলায় প্রায় ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এই জরুরি পরিস্থিতিতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) শুক্রবার (১০ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় প্রায় ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি মৌসুমি ভারী বর্ষণের প্রভাবে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এই তিন উপজেলায় ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনা সদস্যরা জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ২৪ পদাতিক ডিভিশন বন্যাদুর্গত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বদ্ধপরিকর বলে আইএসপিআর উল্লেখ করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দুর্গত এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর এই উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনা মোতায়েন

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
print news

টানা ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রামের সাতটি উপজেলায় প্রায় ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এই জরুরি পরিস্থিতিতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) শুক্রবার (১০ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় প্রায় ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি মৌসুমি ভারী বর্ষণের প্রভাবে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এই তিন উপজেলায় ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনা সদস্যরা জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ২৪ পদাতিক ডিভিশন বন্যাদুর্গত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বদ্ধপরিকর বলে আইএসপিআর উল্লেখ করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দুর্গত এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর এই উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।