ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৩৮৯, নিখোঁজ ৯ শতাধিক মানুষ ফেনীতে খুঁটিতে বেঁধে গৃহবধূ ও যুবদল নেতাকে নির্যাতন, আটক ৩ লর্ডস টেস্টে স্মিথ-কক্সের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়াল ইংল্যান্ড রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানালেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ক্যানসার আক্রান্ত দুই সন্তানের জননী আঁখির বাঁচতে প্রয়োজন সহায়তা অপপ্রচার রোধে মাঠে থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কুমিল্লায় চাঁদাবাজি ও সরকারি কাজে বাধার মামলায় ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২ প্রথম দিনেই শত কোটি আয় ছাড়াল যশের ‘টক্সিক’ কিংবদন্তি হলিউড অভিনেতা টিম কারি আর নেই, ৮০ বছর বয়সে প্রয়াণ ২০১৪-২০২৫: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ওপর সাত ধরনের নিপীড়নের তথ্য প্রকাশ

চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনা মোতায়েন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টানা ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রামের সাতটি উপজেলায় প্রায় ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এই জরুরি পরিস্থিতিতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) শুক্রবার (১০ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় প্রায় ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি মৌসুমি ভারী বর্ষণের প্রভাবে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এই তিন উপজেলায় ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনা সদস্যরা জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ২৪ পদাতিক ডিভিশন বন্যাদুর্গত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বদ্ধপরিকর বলে আইএসপিআর উল্লেখ করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দুর্গত এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর এই উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনা মোতায়েন

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

টানা ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রামের সাতটি উপজেলায় প্রায় ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এই জরুরি পরিস্থিতিতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) শুক্রবার (১০ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় প্রায় ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি মৌসুমি ভারী বর্ষণের প্রভাবে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এই তিন উপজেলায় ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনা সদস্যরা জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ২৪ পদাতিক ডিভিশন বন্যাদুর্গত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বদ্ধপরিকর বলে আইএসপিআর উল্লেখ করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দুর্গত এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর এই উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh