ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের দিনে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লেন কোর্তোয়া

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৪২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে ২-১ গোলের হার দিয়ে। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বেলজিয়ামের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ইনজুরির কারণে পুরো সময় মাঠে থাকতে পারেননি। ম্যাচের ৭১ মিনিটে চোটের যন্ত্রণা নিয়ে চোখের জলে মাঠ ছাড়েন তিনি।

ম্যাচ শেষে কোর্তোয়া জানান, গোল কিক নেওয়ার সময় তিনি প্রথম উরুতে ব্যথা অনুভব করেন। তিনি বলেন, ‘আমি একটি গোল কিক নেওয়ার সময় উরুতে প্রচণ্ড ব্যথা পাই। কোচিং স্টাফকে জানিয়েছিলাম যে লম্বা গোল কিক নিতে সমস্যা হচ্ছে, তবে গোলপোস্টে থাকতে আমার অসুবিধা ছিল না। শেষ পর্যন্ত কোচ আমাকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, আমি এতে কোনো সমস্যা দেখছি না কারণ দলের স্বার্থ সবার আগে।’

হাইড্রেশন ব্রেকের ঠিক আগে এই চোট পান রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা গোলরক্ষক। মাঠেই প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর তার পরিবর্তে মাঠে নামেন সিন লেমেন্স। কোর্তোয়ার মাঠ ছাড়ার সিদ্ধান্তটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ৮৮ মিনিটে পাউ কুবারসির দূরপাল্লার শট সিন লেমেন্স ঠিকভাবে সামলাতে না পারায় ফিরতি বলে গোল করে স্পেনকে জয় এনে দেন মিকেল মেরিনো। এর ফলে স্পেন সেমিফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে।

ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়ার আগে কোর্তোয়া দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন। স্পেনকে আটকাতে তিনি চারটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন। ৩০ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজের শটটি দিক পরিবর্তন করে জালে না জড়ালে তিনি পুরো ম্যাচেই অজেয় ছিলেন। এছাড়া বল বিল্ডআপেও তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখেন, যেখানে ২৯টি পাসের মধ্যে ২২টি সফলভাবে সম্পন্ন করেন তিনি।

৩৪ বছর বয়সী কোর্তোয়ার জন্য এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের ২১তম বিশ্বকাপ ম্যাচ। এই ম্যাচটি খেলার মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে গোলরক্ষকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার তালিকায় এককভাবে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। তালিকার শীর্ষে আছেন জার্মানির ম্যানুয়েল নয়ার, যার নামের পাশে রয়েছে ২৩টি ম্যাচ।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের দিনে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লেন কোর্তোয়া

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে ২-১ গোলের হার দিয়ে। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বেলজিয়ামের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ইনজুরির কারণে পুরো সময় মাঠে থাকতে পারেননি। ম্যাচের ৭১ মিনিটে চোটের যন্ত্রণা নিয়ে চোখের জলে মাঠ ছাড়েন তিনি।

ম্যাচ শেষে কোর্তোয়া জানান, গোল কিক নেওয়ার সময় তিনি প্রথম উরুতে ব্যথা অনুভব করেন। তিনি বলেন, ‘আমি একটি গোল কিক নেওয়ার সময় উরুতে প্রচণ্ড ব্যথা পাই। কোচিং স্টাফকে জানিয়েছিলাম যে লম্বা গোল কিক নিতে সমস্যা হচ্ছে, তবে গোলপোস্টে থাকতে আমার অসুবিধা ছিল না। শেষ পর্যন্ত কোচ আমাকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, আমি এতে কোনো সমস্যা দেখছি না কারণ দলের স্বার্থ সবার আগে।’

হাইড্রেশন ব্রেকের ঠিক আগে এই চোট পান রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা গোলরক্ষক। মাঠেই প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর তার পরিবর্তে মাঠে নামেন সিন লেমেন্স। কোর্তোয়ার মাঠ ছাড়ার সিদ্ধান্তটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ৮৮ মিনিটে পাউ কুবারসির দূরপাল্লার শট সিন লেমেন্স ঠিকভাবে সামলাতে না পারায় ফিরতি বলে গোল করে স্পেনকে জয় এনে দেন মিকেল মেরিনো। এর ফলে স্পেন সেমিফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে।

ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়ার আগে কোর্তোয়া দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন। স্পেনকে আটকাতে তিনি চারটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন। ৩০ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজের শটটি দিক পরিবর্তন করে জালে না জড়ালে তিনি পুরো ম্যাচেই অজেয় ছিলেন। এছাড়া বল বিল্ডআপেও তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখেন, যেখানে ২৯টি পাসের মধ্যে ২২টি সফলভাবে সম্পন্ন করেন তিনি।

৩৪ বছর বয়সী কোর্তোয়ার জন্য এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের ২১তম বিশ্বকাপ ম্যাচ। এই ম্যাচটি খেলার মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে গোলরক্ষকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার তালিকায় এককভাবে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। তালিকার শীর্ষে আছেন জার্মানির ম্যানুয়েল নয়ার, যার নামের পাশে রয়েছে ২৩টি ম্যাচ।