ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন সাবেক গোয়েন্দা প্রধান রোনেন বার হরমুজ প্রণালিতে দুই জাহাজ ডুবি, বাড়ছে বাণিজ্যিক নৌপথে হামলার তীব্রতা রেজিস্ট্রেশন কার্ড আনতে গিয়ে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ ৩ শিক্ষার্থী স্পেসএক্সের রকেট উৎক্ষেপণের পর আকাশে দেখা গেল জেলিফিশ মেঘ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫ রোনালদোর আচরণ নিয়ে বিস্ফোরক সমালোচনা করলেন সাবেক সতীর্থ রুনি সন্তান হারিয়ে ৫০ দিন পর কক্সবাজার ছাড়ল নিউজিল্যান্ডের পরিবার হবিগঞ্জে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে নারী ও শিশুসহ আহত ৪৫ ওমর সানী: পরিবার ও শিল্পীদের নিয়ে মিথ্যা তথ্যের প্রতিবাদ, আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পদত্যাগ করিনি, সুস্থ হয়ে চুয়েটে ফিরব: উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল

সুনামগঞ্জে বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় চার পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:১৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সুনামগঞ্জে অতিবৃষ্টি এবং ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে জেলার চারটি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। গত ১০ জুলাই শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি অফিস আদেশ জারি করা হয়। উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মতিউর রহমান খান স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী জেলায় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

এই নির্দেশনার আওতায় সুনামগঞ্জ, ছাতক, জগন্নাথপুর ও দিরাই পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি পৌরসভায় জরুরি কন্ট্রোল রুম চালু রাখা এবং সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সম্ভাব্য এই দুর্যোগ মোকাবিলায় শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য, গো-খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার কাজের জন্য নৌযান, আশ্রয়কেন্দ্র, স্বেচ্ছাসেবক ও মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচার কার্যক্রম জোরদার করতে বলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় জেলার ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত নৌযান ও স্বেচ্ছাসেবকের পাশাপাশি ১ হাজার ৫৬টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া সব উপজেলায় আগেই জিআর চাল বরাদ্দ পাঠানো হয়েছে এবং ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শক্তিয়ারখলা এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান। তিনি জানান, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানি সাবমার্জিবল সড়কের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কড়চার হাওরে গিয়ে পড়লেও বর্তমানে বৃষ্টি কম হওয়ায় রাস্তার পানি অনেকটা কমেছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জে বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় চার পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল

আপডেট সময় : ০৫:১৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সুনামগঞ্জে অতিবৃষ্টি এবং ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে জেলার চারটি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। গত ১০ জুলাই শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি অফিস আদেশ জারি করা হয়। উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মতিউর রহমান খান স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী জেলায় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

এই নির্দেশনার আওতায় সুনামগঞ্জ, ছাতক, জগন্নাথপুর ও দিরাই পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি পৌরসভায় জরুরি কন্ট্রোল রুম চালু রাখা এবং সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সম্ভাব্য এই দুর্যোগ মোকাবিলায় শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য, গো-খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার কাজের জন্য নৌযান, আশ্রয়কেন্দ্র, স্বেচ্ছাসেবক ও মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচার কার্যক্রম জোরদার করতে বলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় জেলার ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত নৌযান ও স্বেচ্ছাসেবকের পাশাপাশি ১ হাজার ৫৬টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া সব উপজেলায় আগেই জিআর চাল বরাদ্দ পাঠানো হয়েছে এবং ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শক্তিয়ারখলা এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান। তিনি জানান, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানি সাবমার্জিবল সড়কের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কড়চার হাওরে গিয়ে পড়লেও বর্তমানে বৃষ্টি কম হওয়ায় রাস্তার পানি অনেকটা কমেছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin