ঢাকা ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খাঁটি মধু নাকি চিনির সিরাপ? চেনার উপায় কী? মরিনহোর কৌশলে রোমার বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াল রিয়াল মাদ্রিদ রমনা কালীমন্দিরে রিজভী: সব ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে ইস্তাম্বুলে ৮০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৪ দীর্ঘ বিরতির পর পর্দায় রশমি দেশাই, জানালেন কেন দূরে ছিলেন আজকের খেলার সূচি: বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে ও ইউরোপীয় ফুটবলের লড়াই স্পেসএক্সের রকেট প্রযুক্তিতে আকাশে উড়বে টেসলার ‘রোডস্টার ২’ গণহত্যাকারী দল হিসেবে আ.লীগের বিচার ও কার্যক্রম নিয়ে সংশয় গায়ে হলুদের দিনই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন বর ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ দখল করতে চায় হুতিরা

হরমুজ প্রণালিতে দুই জাহাজ ডুবি, বাড়ছে বাণিজ্যিক নৌপথে হামলার তীব্রতা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হরমুজ প্রণালির কাছে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রক্ষেপণের আঘাতে ডুবে গেছে। বুধবার সামুদ্রিক নিরাপত্তা কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের আশপাশে হামলার ঘটনা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরান জানিয়েছে, তাদের বন্দরের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এবং গত মাসের কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় তারা এই হামলা জোরদার করেছে।

সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী 'জিএফএস প্রাইড' নামের একটি কনটেইনারবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জাহাজটিতে আগুন ধরে যাওয়ার পর সেটি ডুবে যায়। সিঙ্গাপুরের সামুদ্রিক ও বন্দর কর্তৃপক্ষ (এমপিএ) জানিয়েছে, ২ হাজার ৮২৪ টিইইউ ধারণক্ষমতার এই জাহাজটির ২১ জন নাবিককেই নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এর আগে, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার পতাকাবাহী 'কেপ দাও' নামের আরও একটি শুকনো পণ্যবাহী জাহাজ প্রণালির কাছে ডুবে যায়। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) তথ্য অনুযায়ী, ২৩ সেপ্টেম্বর একটি প্রক্ষেপণের আঘাতে জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেই হামলায় একজন নাবিক নিহত হন এবং বাকিদের দ্রুত সরিয়ে নেয়া হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক পিওনিজ শিপম্যানেজমেন্ট এফজেডই এই জাহাজটির ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান।

আইএমওর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে জিএফএস প্রাইড ও কেপ দাও হলো দ্বিতীয় ও তৃতীয় জাহাজ, যেগুলো এই সংঘাতে ডুবে গেছে। সিঙ্গাপুরের সামুদ্রিক ও বন্দর কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর বিনা উসকানিতে চালানো এসব হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

সামুদ্রিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান মারিস্কস জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হুমকি অব্যাহত রয়েছে। শুধু তেলবাহী ট্যাংকার নয়, কনটেইনারবাহী ও শুকনো পণ্যবাহী জাহাজও এখন গুরুতর ক্ষতির শিকার হচ্ছে। উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

হরমুজ প্রণালিতে দুই জাহাজ ডুবি, বাড়ছে বাণিজ্যিক নৌপথে হামলার তীব্রতা

আপডেট সময় : ১০:২২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

হরমুজ প্রণালির কাছে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রক্ষেপণের আঘাতে ডুবে গেছে। বুধবার সামুদ্রিক নিরাপত্তা কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের আশপাশে হামলার ঘটনা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরান জানিয়েছে, তাদের বন্দরের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এবং গত মাসের কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় তারা এই হামলা জোরদার করেছে।

সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী 'জিএফএস প্রাইড' নামের একটি কনটেইনারবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জাহাজটিতে আগুন ধরে যাওয়ার পর সেটি ডুবে যায়। সিঙ্গাপুরের সামুদ্রিক ও বন্দর কর্তৃপক্ষ (এমপিএ) জানিয়েছে, ২ হাজার ৮২৪ টিইইউ ধারণক্ষমতার এই জাহাজটির ২১ জন নাবিককেই নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এর আগে, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার পতাকাবাহী 'কেপ দাও' নামের আরও একটি শুকনো পণ্যবাহী জাহাজ প্রণালির কাছে ডুবে যায়। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) তথ্য অনুযায়ী, ২৩ সেপ্টেম্বর একটি প্রক্ষেপণের আঘাতে জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেই হামলায় একজন নাবিক নিহত হন এবং বাকিদের দ্রুত সরিয়ে নেয়া হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক পিওনিজ শিপম্যানেজমেন্ট এফজেডই এই জাহাজটির ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান।

আইএমওর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে জিএফএস প্রাইড ও কেপ দাও হলো দ্বিতীয় ও তৃতীয় জাহাজ, যেগুলো এই সংঘাতে ডুবে গেছে। সিঙ্গাপুরের সামুদ্রিক ও বন্দর কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর বিনা উসকানিতে চালানো এসব হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

সামুদ্রিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান মারিস্কস জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হুমকি অব্যাহত রয়েছে। শুধু তেলবাহী ট্যাংকার নয়, কনটেইনারবাহী ও শুকনো পণ্যবাহী জাহাজও এখন গুরুতর ক্ষতির শিকার হচ্ছে। উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin