দিল্লিতে জাতীয় পতাকা মিছিলের আগে অভিজিৎ ও নেহা আটক
- আপডেট সময় : ১০:০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিল করার উদ্যোগের মধ্যে ককক্রোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক ও শিক্ষার্থী সংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) কর্মী নেহা বোরাকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তাদের আটক করা হয়।
দিল্লির কনট প্লেস এলাকায় দলের ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ মিছিলে যোগ দিতে যাওয়ার পথে অভিজিৎকে আটক করা হয়। অন্যদিকে, মিছিল শুরু করার কিছুক্ষণ পর মান্ডি হাউসের কাছ থেকে আটক হন নেহা।
দিল্লি পুলিশ অভিজিৎকে নোটিশ দিয়ে জানায় যে, কনট প্লেসকে অনুমোদিত প্রতিবাদস্থল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়নি। তাই সেখানে মিছিল না করতে তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়। দিল্লি পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহা যাদব নিশ্চিত করেছেন যে, মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং ওই এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি রয়েছে। তবে তিনি জানান, অন্য কোনো উপযুক্ত স্থানে ছোট একটি দলকে মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হতে পারে।
মিছিল ঘিরে দিল্লির লুটিয়েনস এলাকায় ছয় হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে পুলিশ। পাশাপাশি অন্য জেলা থেকে আরও পাঁচ হাজার পুলিশ সদস্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রাজীব চৌক, কনট প্লেসের বাজার, সেন্ট্রাল পার্ক, আশপাশের মেট্রো স্টেশন, যন্তর মন্তর ও পালিকা বাজার এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। সেন্ট্রাল পার্ক ও রাজীব চৌকের আশপাশে ১০টির বেশি নজরদারি ক্যামেরাও স্থাপন করা হয়েছে।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ তার দলের দুই নেতা আশুতোষ রানকা ও সৌরভ দাসের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে দেশজুড়ে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন। শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা নিয়ে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অভিজিৎ দীপক তার বক্তব্যে বলেন, জাতীয় পতাকা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়। তিনি অন্য শহরেও একই ধরনের কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
এদিকে, মুম্বাই পুলিশের উপকমিশনার মনীশ কালওয়ানিয়া বৃহস্পতিবার সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে অনুমতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আয়োজকেরা শুধু আজাদ ময়দানেই মিছিল করার কথা জানিয়েছেন। পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, আজাদ ময়দান নির্ধারিত প্রতিবাদস্থল হওয়ায় সেখানে কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সিজেপি জানিয়েছে, কারাবন্দী দলের দুই নেতা আশুতোষ রানকা ও সৌরভ দাসের প্রতি সংহতি জানানোই এই মিছিলের উদ্দেশ্য।




























