ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কিউবার বিপ্লব কি শেষের পথে? বিশ্বরাজনীতিতে এর প্রভাব ও গুরুত্ব এ মাস থেকেই বাড়তি বেতন পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা মাদক নির্মূলে গিয়েছিলাম, জমি দখল বা চাঁদাবাজি নয়: ইশরাক রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী রায়ের কপি পেলে বিস্তারিত জানাতে পারব: শামা ওবায়েদ ১৩০ বছর বয়সে হজ করা আলজেরিয়ার প্রবীণ নারী আর নেই ইসলামপুর প্রেসক্লাবে সংবর্ধিত ডেইলি বাংলাদেশের সম্পাদক শাহিদুর রহমান শাহিদ রাশিয়ার যুদ্ধে প্রাণ হারালেন কুমিল্লার চান্দিনার যুবক সাগর আইসিসির নতুন বলের নিয়মে ব্যাকফুটে বাংলাদেশ ইসরাইলি সেনাবাহিনীতে সামরিক দায়িত্ব এড়াতে পলাতক ১ লাখ ১০ হাজার

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ১২০০

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, মজুরি সংকট এবং জনসেবার মান নিয়ে তীব্র অসন্তোষের জেরে উত্তাল হয়ে উঠেছে ফ্রান্স। রাজধানী প্যারিসসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ব্যাপক সহিংসতা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে গিয়ে ১৫০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন এবং নিরাপত্তা বাহিনী এ পর্যন্ত ১,২০০ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) এই বিক্ষোভ কর্মসূচি সহিংসতায় রূপ নেয়। মুখোশ পরিহিত একদল তরুণ বিভিন্ন দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় এবং রাস্তায় পার্ক করা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। প্যারিসের মেয়র এমানুয়েল গ্রেগোয়ার জানিয়েছেন, শহরের বেশ কিছু সড়ক ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ভাঙচুরের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু এই সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি না হওয়াকে 'অলৌকিক' বলে মন্তব্য করেছেন। সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, দেশজুড়ে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন, তবে শ্রমিক সংগঠন সিজিটি দাবি করেছে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ৮ লাখ।

কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় শনিবার সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। বিক্ষোভের একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন বস্তু ও আতশবাজি নিক্ষেপ করলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়।

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সাঁ-এতিয়েনে পুলিশের ব্যবহৃত একটি গ্রেনেডের আঘাতে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরের ডান হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনাটি পুলিশের সরঞ্জাম ও সংঘর্ষের তীব্রতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র ছয় মাস আগে ঘটা এই সহিংসতা সরকারের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, তবে আসন্ন নির্বাচনে এই বিক্ষোভের প্রভাব সম্পর্কে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ১২০০

আপডেট সময় : ১২:৫৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, মজুরি সংকট এবং জনসেবার মান নিয়ে তীব্র অসন্তোষের জেরে উত্তাল হয়ে উঠেছে ফ্রান্স। রাজধানী প্যারিসসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ব্যাপক সহিংসতা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে গিয়ে ১৫০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন এবং নিরাপত্তা বাহিনী এ পর্যন্ত ১,২০০ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) এই বিক্ষোভ কর্মসূচি সহিংসতায় রূপ নেয়। মুখোশ পরিহিত একদল তরুণ বিভিন্ন দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় এবং রাস্তায় পার্ক করা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। প্যারিসের মেয়র এমানুয়েল গ্রেগোয়ার জানিয়েছেন, শহরের বেশ কিছু সড়ক ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ভাঙচুরের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু এই সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি না হওয়াকে 'অলৌকিক' বলে মন্তব্য করেছেন। সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, দেশজুড়ে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন, তবে শ্রমিক সংগঠন সিজিটি দাবি করেছে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ৮ লাখ।

কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় শনিবার সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। বিক্ষোভের একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন বস্তু ও আতশবাজি নিক্ষেপ করলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়।

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সাঁ-এতিয়েনে পুলিশের ব্যবহৃত একটি গ্রেনেডের আঘাতে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরের ডান হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনাটি পুলিশের সরঞ্জাম ও সংঘর্ষের তীব্রতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র ছয় মাস আগে ঘটা এই সহিংসতা সরকারের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, তবে আসন্ন নির্বাচনে এই বিক্ষোভের প্রভাব সম্পর্কে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin