ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামের দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ বিশেষ পদক্ষেপ ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার চট্টগ্রামের সব জেলায় শনিবারের মাদ্রাসা ও কারিগরি পরীক্ষা স্থগিত ঝালকাঠিতে নতুন সিলকোট উঠে যাওয়ায় জনদুর্ভোগ, ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা ভিএআর রিভিউয়ের দীর্ঘসূত্রতায় বিরক্ত আর্লিং হালান্ড অসুস্থ বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল হাসপাতালে মরক্কোকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্স চট্টগ্রাম বোর্ডে শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত সবজির দামে স্বস্তি থাকলেও চড়া ডিম ও মুরগির বাজার বগুড়ায় নতুন দুটি নদীবন্দর ঘোষণা করল নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

সবজির দামে স্বস্তি থাকলেও চড়া ডিম ও মুরগির বাজার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিপাতের মধ্যেও রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। পাইকারি বাজার থেকে নিয়মিত পণ্য আসায় অধিকাংশ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা গেছে। বৃষ্টির কারণে বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও সবজির দাম বড় ধরনের ওঠানামা করেনি।

সবজির বাজারে স্বস্তি থাকলেও প্রাণিজ আমিষের বাজারে ক্রেতাদের বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে। বিশেষ করে গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে ১১০ থেকে ১২০ টাকা ডজন বিক্রি হওয়া ফার্মের ডিম এখন ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি ডজন লেয়ার ডিম ৩৬০ টাকা এবং ফার্মের বয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির দাম আরও বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

মাছের বাজারেও চড়া দাম লক্ষ্য করা গেছে। মানভেদে চিংড়ি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, পাবদা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং ট্যাংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে; ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা এবং এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

যাত্রাবাড়ী বাজারের ক্রেতা সোমা আক্তার বলেন, সবজির দাম সহনীয় হলেও ডিম ও মুরগির উচ্চমূল্যের কারণে সংসারের খরচ কমছে না। গৃহিণী আকলিমা আক্তারও একই মত প্রকাশ করে বলেন, সবজি পর্যাপ্ত থাকলেও ডিমের দাম কমলে সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধা হতো।

মাছ ব্যবসায়ী মনতাজ উদ্দিন জানান, বড় মাছের দাম সবসময় বেশি থাকে, তবে ইলিশের দাম অস্বাভাবিক। অন্যদিকে সবজি বিক্রেতা আব্দুল করিমের মতে, সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় দাম স্থিতিশীল, কিন্তু ডিম ও মুরগির বাজার তাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ব্যবসায়ীদের দাবি, খামার পর্যায়ে উৎপাদন ব্যয় বাড়ায় ডিম ও মুরগির দাম তুলনামূলক বেশি। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সবজির দাম বর্তমান পর্যায়েই থাকবে, তবে আমিষের বাজারে স্বস্তি ফেরাতে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় কমানোর বিকল্প নেই।

যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজারে কেনাকাটা করতে আসা সোমা আক্তার বলেন, ‘সবজির দাম এখন মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে আছে। ৫০-৬০ টাকার মধ্যে বেশির ভাগ সবজি পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু ডিম আর মুরগির দাম বেশি হওয়ায় সংসারের খরচ কমছে না।’

নিউজটি শেয়ার করুন

সবজির দামে স্বস্তি থাকলেও চড়া ডিম ও মুরগির বাজার

আপডেট সময় : ০৪:১৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
print news

টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিপাতের মধ্যেও রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। পাইকারি বাজার থেকে নিয়মিত পণ্য আসায় অধিকাংশ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা গেছে। বৃষ্টির কারণে বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও সবজির দাম বড় ধরনের ওঠানামা করেনি।

সবজির বাজারে স্বস্তি থাকলেও প্রাণিজ আমিষের বাজারে ক্রেতাদের বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে। বিশেষ করে গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে ১১০ থেকে ১২০ টাকা ডজন বিক্রি হওয়া ফার্মের ডিম এখন ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি ডজন লেয়ার ডিম ৩৬০ টাকা এবং ফার্মের বয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির দাম আরও বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

মাছের বাজারেও চড়া দাম লক্ষ্য করা গেছে। মানভেদে চিংড়ি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, পাবদা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং ট্যাংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে; ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা এবং এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

যাত্রাবাড়ী বাজারের ক্রেতা সোমা আক্তার বলেন, সবজির দাম সহনীয় হলেও ডিম ও মুরগির উচ্চমূল্যের কারণে সংসারের খরচ কমছে না। গৃহিণী আকলিমা আক্তারও একই মত প্রকাশ করে বলেন, সবজি পর্যাপ্ত থাকলেও ডিমের দাম কমলে সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধা হতো।

মাছ ব্যবসায়ী মনতাজ উদ্দিন জানান, বড় মাছের দাম সবসময় বেশি থাকে, তবে ইলিশের দাম অস্বাভাবিক। অন্যদিকে সবজি বিক্রেতা আব্দুল করিমের মতে, সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় দাম স্থিতিশীল, কিন্তু ডিম ও মুরগির বাজার তাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ব্যবসায়ীদের দাবি, খামার পর্যায়ে উৎপাদন ব্যয় বাড়ায় ডিম ও মুরগির দাম তুলনামূলক বেশি। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সবজির দাম বর্তমান পর্যায়েই থাকবে, তবে আমিষের বাজারে স্বস্তি ফেরাতে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় কমানোর বিকল্প নেই।

যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজারে কেনাকাটা করতে আসা সোমা আক্তার বলেন, ‘সবজির দাম এখন মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে আছে। ৫০-৬০ টাকার মধ্যে বেশির ভাগ সবজি পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু ডিম আর মুরগির দাম বেশি হওয়ায় সংসারের খরচ কমছে না।’