বগুড়ায় নতুন দুটি নদীবন্দর ঘোষণা করল নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়
- আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

দেশের উত্তরাঞ্চলের নৌযোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা, যাত্রীসেবার মান বাড়ানো এবং নদীবন্দরকেন্দ্রিক অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার যমুনা নদীর তীরে দুটি নতুন নদীবন্দর ঘোষণা করেছে। গত বুধবার (৮ জুলাই) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বন্দর দুটির সীমানা নির্ধারণ ও আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করেছে।
নতুন ঘোষিত নদীবন্দর দুটি হলো বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি নদীবন্দর এবং বগুড়া-সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের ধুনট নদীবন্দর। পোর্ট অ্যাক্ট ১৯০৮-এর ৪ নম্বর ধারার উপধারা (১)-এর দফা (ক) এবং উপধারা (২)-এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় এখন থেকে এই আইন কার্যকর থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে উত্তর দিকে সারিয়াকান্দি উপজেলার কালিতলা ঘাটের উত্তরে হাটশেরপুর ইউনিয়নের দিঘাপাড়া ঘাট থেকে যমুনার পূর্ব তীরে কাজলা ইউনিয়নের জামথল ঘাট পর্যন্ত। এর দক্ষিণ সীমানা বিস্তৃত হয়েছে কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট থেকে যমুনার পূর্ব তীরে নারপালা মৌজার মূলবাড়ি পর্যন্ত। এই বন্দরের আওতায় দিঘাপাড়া, কালিতলা, মধুরাপাড়া, জামথল ও সোনাদগা ঘাটসহ বিদ্যমান সব খাল ও ঘাট অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
অন্যদিকে, ধুনট নদীবন্দরের সীমানা শুরু হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট এলাকা থেকে। এর দক্ষিণ সীমানা সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার তেকুরিয়া হাটসংলগ্ন যমুনা নদী হয়ে বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভাতরবাড়ি ইউনিয়নের চৌবার মৌজার বেশাঘীর চর পর্যন্ত বিস্তৃত। ধুনট নদীবন্দরের অধীনে চন্দনবাইশা ও শাহরাবাড়ি ঘাটসহ বিদ্যমান সব খাল ও ঘাট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উভয় নদীবন্দরের ক্ষেত্রে নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে সাধারণ ভরাকালের সময় সর্বোচ্চ পানি সমতল থেকে ভূভাগের দিকে ৫০ গজ পর্যন্ত এলাকা বন্দরের সীমানার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এছাড়া নৌপথের উন্নয়ন, জেটি ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার স্বার্থে বন্দর সীমানার মধ্যে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থাকলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।



























