ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাতিয়ায় উত্তাল সাগরে ৩ ট্রলারডুবি, জীবিত উদ্ধার ৪৮ জেলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে শাস্তির পাশাপাশি কাউন্সেলিং জরুরি: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ৫ নেতাকে সাংগঠনিক কারণে বহিষ্কার হামলার আশঙ্কায় পুলিশের নিরাপত্তা চাইল ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি চীনের অর্থনীতির রূপকার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজির পরলোকগমন তথ্য নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি ছড়াবে না সরকার: আমির খসরু রাতে বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়, এ মাসেই যুক্ত হচ্ছে নতুন ট্রেন বাবার প্রয়াণে আবেগঘন বার্তায় মেসি: ‘শান্তিতে ঘুমাও বাবা’ জেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালুর ঘোষণা মাহদী আমিনের ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরকে ‘রাজনৈতিক জোকার’ বললেন চিফ প্রসিকিউটর

স্মার্টফোনের ব্যাটারি সমস্যার সমাধানে নতুন সিলিকন-কার্বন প্রযুক্তি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

স্মার্টফোনের ব্যাটারি নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ—কম ব্যাকআপ, দ্রুত চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া এবং চার্জ হতে বেশি সময় লাগা। এসব সমস্যার সমাধানে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি প্রযুক্তি। বিশেষ করে চীনা নির্মাতাদের পর এখন স্যামসাংয়ের মতো বড় ব্র্যান্ডগুলোও এ প্রযুক্তি গ্রহণ করায় স্মার্টফোন ব্যাটারির বাজারে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

প্রচলিত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির অ্যানোডে সাধারণত গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। এর পরিবর্তে সিলিকন যুক্ত করলে একই জায়গায় অনেক বেশি লিথিয়াম আয়ন ধরে রাখা সম্ভব হয়। গবেষণা ও শিল্পবিশ্লেষণ অনুযায়ী, তাত্ত্বিকভাবে সিলিকনের শক্তি ধারণক্ষমতা গ্রাফাইটের প্রায় ১০ গুণ পর্যন্ত হতে পারে। তবে পুরো অ্যানোড সিলিকন দিয়ে তৈরি করা হয় না। কারণ চার্জ গ্রহণের সময় সিলিকনের আয়তন ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়, যা ব্যাটারির কাঠামোর ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘমেয়াদে সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। তাই বাস্তবে গ্রাফাইটের সঙ্গে সিলিকন বা সিলিকন-কার্বন কম্পোজিট মিশিয়ে ভারসাম্য তৈরি করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক গবেষণাতেও সিলিকনের অতিরিক্ত প্রসারণ ও ‘সাইকেল লাইফ’কে প্রধান প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

স্যামসাং তাদের নতুন প্রজন্মের ফোল্ডেবল ফোনে সিলিকন-কার্বন অ্যানোড ব্যবহার করে ব্যাটারির শক্তি ঘনত্ব বাড়ানোর দিকে এগিয়েছে। অন্যদিকে ওয়ানপ্লাস, অনার, অপো ও শাওমির মতো নির্মাতারা বড় ধারণক্ষমতার ব্যাটারি ও পাতলা ফোন তৈরিতে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো একই আকারের ব্যাটারিতে বেশি চার্জ, দ্রুত চার্জিং এবং ফোন পাতলা রাখার সুযোগ। ফলে ভবিষ্যতে একবার চার্জে দুই দিন পর্যন্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের সম্ভাবনা আরও বাড়তে পারে।

তবে প্রযুক্তিটির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। উৎপাদন জটিলতা, তুলনামূলক বেশি খরচ এবং সিলিকনের প্রসারণজনিত ক্ষয় এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। ফলে সিলিকন-কার্বন প্রযুক্তি স্মার্টফোনের ব্যাটারি সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলেও, ব্যাটারির ধারণক্ষমতা ও চার্জিং অভিজ্ঞতায় বড় পরিবর্তনের অন্যতম সম্ভাবনাময় পথ হিসেবে দ্রুত প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

স্মার্টফোনের ব্যাটারি সমস্যার সমাধানে নতুন সিলিকন-কার্বন প্রযুক্তি

আপডেট সময় : ০১:০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
print news

স্মার্টফোনের ব্যাটারি নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ—কম ব্যাকআপ, দ্রুত চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া এবং চার্জ হতে বেশি সময় লাগা। এসব সমস্যার সমাধানে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি প্রযুক্তি। বিশেষ করে চীনা নির্মাতাদের পর এখন স্যামসাংয়ের মতো বড় ব্র্যান্ডগুলোও এ প্রযুক্তি গ্রহণ করায় স্মার্টফোন ব্যাটারির বাজারে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

প্রচলিত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির অ্যানোডে সাধারণত গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। এর পরিবর্তে সিলিকন যুক্ত করলে একই জায়গায় অনেক বেশি লিথিয়াম আয়ন ধরে রাখা সম্ভব হয়। গবেষণা ও শিল্পবিশ্লেষণ অনুযায়ী, তাত্ত্বিকভাবে সিলিকনের শক্তি ধারণক্ষমতা গ্রাফাইটের প্রায় ১০ গুণ পর্যন্ত হতে পারে। তবে পুরো অ্যানোড সিলিকন দিয়ে তৈরি করা হয় না। কারণ চার্জ গ্রহণের সময় সিলিকনের আয়তন ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়, যা ব্যাটারির কাঠামোর ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘমেয়াদে সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। তাই বাস্তবে গ্রাফাইটের সঙ্গে সিলিকন বা সিলিকন-কার্বন কম্পোজিট মিশিয়ে ভারসাম্য তৈরি করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক গবেষণাতেও সিলিকনের অতিরিক্ত প্রসারণ ও ‘সাইকেল লাইফ’কে প্রধান প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

স্যামসাং তাদের নতুন প্রজন্মের ফোল্ডেবল ফোনে সিলিকন-কার্বন অ্যানোড ব্যবহার করে ব্যাটারির শক্তি ঘনত্ব বাড়ানোর দিকে এগিয়েছে। অন্যদিকে ওয়ানপ্লাস, অনার, অপো ও শাওমির মতো নির্মাতারা বড় ধারণক্ষমতার ব্যাটারি ও পাতলা ফোন তৈরিতে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো একই আকারের ব্যাটারিতে বেশি চার্জ, দ্রুত চার্জিং এবং ফোন পাতলা রাখার সুযোগ। ফলে ভবিষ্যতে একবার চার্জে দুই দিন পর্যন্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের সম্ভাবনা আরও বাড়তে পারে।

তবে প্রযুক্তিটির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। উৎপাদন জটিলতা, তুলনামূলক বেশি খরচ এবং সিলিকনের প্রসারণজনিত ক্ষয় এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। ফলে সিলিকন-কার্বন প্রযুক্তি স্মার্টফোনের ব্যাটারি সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলেও, ব্যাটারির ধারণক্ষমতা ও চার্জিং অভিজ্ঞতায় বড় পরিবর্তনের অন্যতম সম্ভাবনাময় পথ হিসেবে দ্রুত প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh