ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত

মার্কিন বৈজ্ঞানিক অবকাঠামো মারাত্মক দুর্বল হয়ে পড়েছে: ভাইরোলজিস্ট আনা ফের্নান্দেস

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পরবর্তী মহামারির জন্য চিকিৎসা ও বৈজ্ঞানিক প্রস্তুতি আগের চেয়ে ভালো হলেও যুক্তরাষ্ট্রের জনস্বাস্থ্য ও বৈজ্ঞানিক অবকাঠামো মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে সতর্ক করেছেন ভাইরোলজিস্ট ও ইমিউনোলজিস্ট আনা ফের্নান্দেস-সেসমা। নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের আইকান স্কুল অব মেডিসিনের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান ৬১ বছর বয়সী এই বিজ্ঞানী সম্প্রতি স্প্যানিশ গণমাধ্যম ‘এল পাইস’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প প্রশাসনের নানা সিদ্ধান্ত এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় অর্থায়নের সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

স্পেনে জন্ম নেওয়া আনা ফের্নান্দেস ১৯৯১ সাল থেকে মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে কাজ করছেন। তাঁর স্বামী আদোলফো গার্সিয়া-সাস্ত্রেও একই প্রতিষ্ঠানে মহামারি সৃষ্টিকারী ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস নিয়ে গবেষণার জন্য সুপরিচিত। সম্প্রতি মার্গারিতা সালাস ফাউন্ডেশন ও স্প্যানিশ সোসাইটি ফর ভাইরোলজি কর্তৃক সম্মানিত হওয়া আনা ফের্নান্দেস বলেন, বৈজ্ঞানিক দিক থেকে অগ্রগতি হলেও মহামারি মোকাবিলা এখন রাজনৈতিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। মানুষ জনস্বাস্থ্যের গুরুত্ব ও ভ্যাকসিনের অবদান ভুলে যাচ্ছে, যার ফলে সমাজ হিসেবে আমরা আসলে পিছিয়ে পড়ছি। স্পেনে নিজের পোলিও আক্রান্ত শিশু দেখার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি বলেন, সবার স্বার্থে কিছু ব্যক্তিগত ত্যাগ স্বীকার করার মানসিকতা এখন হারিয়ে যাচ্ছে।

কোভিডের সময় বিজ্ঞানীদের কিছু ভুলভ্রান্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মহামারি চলাকালীন শতভাগ নিশ্চিত না হয়েও অনেকে এমনভাবে কথা বলেছিলেন যা মানুষের মনে অতিরিক্ত প্রত্যাশা তৈরি করেছিল। নতুন ভ্যাকসিনের সীমাবদ্ধতা ও কার্যকারিতা সম্পর্কে জনগণকে আরও পরিষ্কারভাবে জানানো উচিত ছিল যে এটি সংক্রমণ পুরোপুরি না ঠেকালেও মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি কমায়। তবে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকা মানুষকে সঠিক তথ্য দিয়ে বোঝানো সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ভ্যাকসিন নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আর কত শিশুর প্রাণহানি দেখতে হবে?

পরবর্তী মহামারির ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করে আনা ফের্নান্দেস জানান, শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাসগুলো দ্রুত ছড়ায় বলে এগুলো বেশি বিপজ্জনক। তিনি ব্রাজিলের পান্তানাল অঞ্চলের জলাভূমিতে একটি পরিবেশ সংরক্ষণ প্রকল্পের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। সেখানে গবেষণায় এমন কিছু মারাত্মক ভাইরাসের সন্ধান মেলে, যা প্রায় ৪০ বছর ধরে দেখা যায়নি। বন উজাড় ও বন্যপ্রাণীর সংস্পর্শে আসার কারণে এই ভাইরাসগুলো মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার (স্পিলওভার) তীব্র ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, যেমনটি অতীতে ব্রাজিলে হলুদ জ্বরের সময় বা এশিয়ায় বন্যপ্রাণীর বাজারে দেখা গেছে। ব্রাজিলের সর্বশেষ বড় হলুদ জ্বরের প্রাদুর্ভাবের সময় বানরদের পালানোর মতো আবাসস্থল ছিল না। তারা উপকূল ও শহরের দিকে চলে আসায় শেষ পর্যন্ত ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষকে টিকা দিতে হয়েছিল, অথচ পর্যাপ্ত টিকা ছিল না। এছাড়া ইবোলা ভাইরাসের জিনগত পরিবর্তন নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন, যা ধীরে ধীরে কম প্রাণঘাতী হলেও নতুনভাবে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথ (এনআইএইচ)-এর বাজেট কমানো এবং বৈজ্ঞানিক অবকাঠামো ধ্বংসের তীব্র সমালোচনা করেন এই ভাইরোলজিস্ট। তিনি জানান, গবেষণার অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে, অথচ সেটি পুনর্গঠনের কোনো পরিকল্পনাও নেই। এক রাতের মধ্যে অ্যান্টিভাইরাস গবেষণার অর্থ বন্ধ করার পর ডেমোক্র্যাটিক রাজ্যগুলোর আইনি লড়াইয়ের পর গবেষণার তহবিল ফেরত পেলেও তা খরচের জন্য বিজ্ঞানীদের মাত্র ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া সার্বজনীন ফ্লু ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বন্ধ করে ১৯৪০-এর দশকের প্রযুক্তির পেছনে কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ছাড়াই ৫০ কোটি ডলার দেওয়া হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে গবেষকেরা মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের (DoD) তহবিলের ওপর নির্ভর করছেন, যা স্বাস্থ্যসচিব রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়রের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন প্রতিরক্ষা দপ্তরের নাম পরিবর্তন করে ‘যুদ্ধ দপ্তর’ বা ‘ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার’ করায় এই অর্থ শেষ পর্যন্ত গবেষণার বদলে অন্তহীন যুদ্ধে ব্যয় হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আনা ফের্নান্দেস-সেসমা।

আমি তাকে বলেছিলাম, যুক্তরাষ্ট্রে কোভিডে প্রায় ৮০০ শিশু মারা গেছে, অথচ টিকার ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় কোনো শিশু মারা যায়নি। আমার কাছে ঝুঁকি ও উপকারের হিসাব করলে টিকা দেওয়াই যুক্তিসঙ্গত। তবে শেষ সিদ্ধান্ত তার।

ইবোলা একটি সময়-বোমার মতো। ভাইরাসটি ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে। ১৯৭৬ সালে ইবোলায় আক্রান্ত প্রায় সবাই মারা যেত। এখন আক্রান্তদের মধ্যে আরও বেশি মানুষ বেঁচে যাচ্ছেন। ভাইরাসটি হয়তো কম প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। কিন্তু প্রতিটি প্রাদুর্ভাব তাকে পরিবর্তিত হওয়ার, নতুনভাবে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ দিচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

মার্কিন বৈজ্ঞানিক অবকাঠামো মারাত্মক দুর্বল হয়ে পড়েছে: ভাইরোলজিস্ট আনা ফের্নান্দেস

আপডেট সময় : ০৩:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরবর্তী মহামারির জন্য চিকিৎসা ও বৈজ্ঞানিক প্রস্তুতি আগের চেয়ে ভালো হলেও যুক্তরাষ্ট্রের জনস্বাস্থ্য ও বৈজ্ঞানিক অবকাঠামো মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে সতর্ক করেছেন ভাইরোলজিস্ট ও ইমিউনোলজিস্ট আনা ফের্নান্দেস-সেসমা। নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের আইকান স্কুল অব মেডিসিনের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান ৬১ বছর বয়সী এই বিজ্ঞানী সম্প্রতি স্প্যানিশ গণমাধ্যম ‘এল পাইস’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প প্রশাসনের নানা সিদ্ধান্ত এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় অর্থায়নের সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

স্পেনে জন্ম নেওয়া আনা ফের্নান্দেস ১৯৯১ সাল থেকে মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে কাজ করছেন। তাঁর স্বামী আদোলফো গার্সিয়া-সাস্ত্রেও একই প্রতিষ্ঠানে মহামারি সৃষ্টিকারী ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস নিয়ে গবেষণার জন্য সুপরিচিত। সম্প্রতি মার্গারিতা সালাস ফাউন্ডেশন ও স্প্যানিশ সোসাইটি ফর ভাইরোলজি কর্তৃক সম্মানিত হওয়া আনা ফের্নান্দেস বলেন, বৈজ্ঞানিক দিক থেকে অগ্রগতি হলেও মহামারি মোকাবিলা এখন রাজনৈতিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। মানুষ জনস্বাস্থ্যের গুরুত্ব ও ভ্যাকসিনের অবদান ভুলে যাচ্ছে, যার ফলে সমাজ হিসেবে আমরা আসলে পিছিয়ে পড়ছি। স্পেনে নিজের পোলিও আক্রান্ত শিশু দেখার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি বলেন, সবার স্বার্থে কিছু ব্যক্তিগত ত্যাগ স্বীকার করার মানসিকতা এখন হারিয়ে যাচ্ছে।

কোভিডের সময় বিজ্ঞানীদের কিছু ভুলভ্রান্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মহামারি চলাকালীন শতভাগ নিশ্চিত না হয়েও অনেকে এমনভাবে কথা বলেছিলেন যা মানুষের মনে অতিরিক্ত প্রত্যাশা তৈরি করেছিল। নতুন ভ্যাকসিনের সীমাবদ্ধতা ও কার্যকারিতা সম্পর্কে জনগণকে আরও পরিষ্কারভাবে জানানো উচিত ছিল যে এটি সংক্রমণ পুরোপুরি না ঠেকালেও মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি কমায়। তবে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকা মানুষকে সঠিক তথ্য দিয়ে বোঝানো সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ভ্যাকসিন নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আর কত শিশুর প্রাণহানি দেখতে হবে?

পরবর্তী মহামারির ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করে আনা ফের্নান্দেস জানান, শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাসগুলো দ্রুত ছড়ায় বলে এগুলো বেশি বিপজ্জনক। তিনি ব্রাজিলের পান্তানাল অঞ্চলের জলাভূমিতে একটি পরিবেশ সংরক্ষণ প্রকল্পের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। সেখানে গবেষণায় এমন কিছু মারাত্মক ভাইরাসের সন্ধান মেলে, যা প্রায় ৪০ বছর ধরে দেখা যায়নি। বন উজাড় ও বন্যপ্রাণীর সংস্পর্শে আসার কারণে এই ভাইরাসগুলো মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার (স্পিলওভার) তীব্র ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, যেমনটি অতীতে ব্রাজিলে হলুদ জ্বরের সময় বা এশিয়ায় বন্যপ্রাণীর বাজারে দেখা গেছে। ব্রাজিলের সর্বশেষ বড় হলুদ জ্বরের প্রাদুর্ভাবের সময় বানরদের পালানোর মতো আবাসস্থল ছিল না। তারা উপকূল ও শহরের দিকে চলে আসায় শেষ পর্যন্ত ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষকে টিকা দিতে হয়েছিল, অথচ পর্যাপ্ত টিকা ছিল না। এছাড়া ইবোলা ভাইরাসের জিনগত পরিবর্তন নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন, যা ধীরে ধীরে কম প্রাণঘাতী হলেও নতুনভাবে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথ (এনআইএইচ)-এর বাজেট কমানো এবং বৈজ্ঞানিক অবকাঠামো ধ্বংসের তীব্র সমালোচনা করেন এই ভাইরোলজিস্ট। তিনি জানান, গবেষণার অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে, অথচ সেটি পুনর্গঠনের কোনো পরিকল্পনাও নেই। এক রাতের মধ্যে অ্যান্টিভাইরাস গবেষণার অর্থ বন্ধ করার পর ডেমোক্র্যাটিক রাজ্যগুলোর আইনি লড়াইয়ের পর গবেষণার তহবিল ফেরত পেলেও তা খরচের জন্য বিজ্ঞানীদের মাত্র ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া সার্বজনীন ফ্লু ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বন্ধ করে ১৯৪০-এর দশকের প্রযুক্তির পেছনে কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ছাড়াই ৫০ কোটি ডলার দেওয়া হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে গবেষকেরা মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের (DoD) তহবিলের ওপর নির্ভর করছেন, যা স্বাস্থ্যসচিব রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়রের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন প্রতিরক্ষা দপ্তরের নাম পরিবর্তন করে ‘যুদ্ধ দপ্তর’ বা ‘ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার’ করায় এই অর্থ শেষ পর্যন্ত গবেষণার বদলে অন্তহীন যুদ্ধে ব্যয় হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আনা ফের্নান্দেস-সেসমা।

আমি তাকে বলেছিলাম, যুক্তরাষ্ট্রে কোভিডে প্রায় ৮০০ শিশু মারা গেছে, অথচ টিকার ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় কোনো শিশু মারা যায়নি। আমার কাছে ঝুঁকি ও উপকারের হিসাব করলে টিকা দেওয়াই যুক্তিসঙ্গত। তবে শেষ সিদ্ধান্ত তার।

ইবোলা একটি সময়-বোমার মতো। ভাইরাসটি ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে। ১৯৭৬ সালে ইবোলায় আক্রান্ত প্রায় সবাই মারা যেত। এখন আক্রান্তদের মধ্যে আরও বেশি মানুষ বেঁচে যাচ্ছেন। ভাইরাসটি হয়তো কম প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। কিন্তু প্রতিটি প্রাদুর্ভাব তাকে পরিবর্তিত হওয়ার, নতুনভাবে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ দিচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin