ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে: মাহ্দী আমিন
- আপডেট সময় : ০৯:৪৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট পেয়ে ভাইরাল হওয়ার এক অশুভ প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাহ্দী আমিন বলেন, গত শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবি প্রকাশের পর তা নিয়ে অনেকে অপপ্রচার চালিয়েছেন। অথচ ছবিটি হোয়াইট হাউস থেকেই প্রকাশ করা হয়েছে এবং রোববার ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসও সেটি শেয়ার করেছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, মার্কিন দূতাবাস নিজে ছবিটি শেয়ার করার পরও কেন এই মিথ্যাচার করা হচ্ছে?
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, একটি নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করবেন—এটি অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। তাদের মধ্যে অত্যন্ত আন্তরিক ও স্বতঃস্ফূর্ত আলোচনা হয়েছে। এ নিয়ে সরকারপ্রধান কেন মিথ্যাচার করবেন? সত্যের ভিত্তিতে আলোচনা-সমালোচনা না করে মিথ্যা বা অপপ্রচার চালানো রাজনীতির সংস্কৃতি হওয়া উচিত নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়েও নানা ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে। ডা. জুবাইদা রহমান একটি অনুষ্ঠানে একজন বিতর্কিত ব্যক্তির সঙ্গে একই মঞ্চে থাকবেন বলে অপপ্রচার চালানো হলেও পরে আয়োজকরাই নিশ্চিত করেছেন যে তথ্যটি ভুল ছিল। অন্যদিকে, জাইমা রহমান নিজের যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে জাতিসংঘে চাকরি পেলেও প্রচার করা হয়েছে যে সরকার তাকে এই চাকরি দিয়েছে। এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
সম্প্রতি এক কনটেন্ট ক্রিয়েটারের বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে মাহ্দী আমিন বলেন, পরবর্তীতে প্রমাণিত হয়েছে যে বিষয়টি ভিন্ন ছিল। সংশ্লিষ্ট জায়গাটি অবৈধ হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল, যার সঙ্গে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক ছিল না। তবে সেখানে ভাঙচুরের ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল এবং সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে ইতিমধ্যে মামলা, গ্রেপ্তার ও তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। এরপরও এ ঘটনাকে বিএনপির নামে চাঁদাবাজি হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো বিষয় ব্যাপক প্রচার বা ভিউ পেলেই তা সত্য বলে ধরে না নেওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। অনেক ক্ষেত্রে এসব প্রচারের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক থাকে না উল্লেখ করে তিনি সত্য ও ন্যায্য বিষয় তুলে ধরার পাশাপাশি অনৈতিক ও অন্যায্য বিষয়গুলোও নির্মোহভাবে প্রচার করার আহ্বান জানান।
প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ২১: ২৯আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ২১: ৩৫




























