ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আলোকঝাড়ীর ইউপি চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের মৃত্যুতে হুইপের শোক চট্টগ্রাম আদালতে নারীকে টেনেহিঁচড়ে মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: কূটনীতিই একমাত্র সমাধানের পথ, দাবি তেহরানের দখলবাজি ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা সরকারের জন্য অশনিসংকেত: টিআইবি সিগারেটের নতুন খুচরা মূল্য নির্ধারণ: ৬৫ থেকে ২১০ টাকা ভারতের উত্তর প্রদেশে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৫৬ হাফপ্যান্ট পরায় অ্যাথলেট প্রশিক্ষককে মেট্রোস্টেশনে হেনস্তা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা অগ্রহণযোগ্য, মন্তব্য রাশিয়ার ভালো কিংবা মন্দ, সরকারের পাঁচ বছরের ‘চুক্তি’ মেনেই ধৈর্য ধরার পরামর্শ প্রতিবাদ ও ‘আগের ১৪ বছর’ বিতর্ক: একটি সামাজিক বিশ্লেষণ

নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে বৈধতা দিচ্ছেন কেন, বিরোধীদের প্রশ্ন সিজেপি’র

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নির্বাচন প্রক্রিয়াকে যদি ত্রুটিপূর্ণ ও কারচুপিযুক্ত বলে মনে হয়ে থাকে, তাহলে সেই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন কেন? সিস্টেম বদলাতে চাইলে ভোটপ্রক্রিয়া থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তেলাপোকা (ককরোচ) জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তিনি অভিযোগ করেছেন, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় কারচুপি হচ্ছে জেনেও বিরোধী দলগুলো লাগাতার অংশ নিয়ে সেগুলোকে বৈধতা দিয়ে দিচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদপত্র দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিরোধী দলগুলো সমালোচনায় সরব হয়েছে। তারা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছে এবং সংসদের দুই কক্ষে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কেউ কেউ বাংলা ও বিহারসহ বিভিন্ন রাজ্যে পুনঃনির্বাচন বা এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি তুলছেন। তবে অভিজিৎ দীপকে বলছেন, যে খেলাকে বিরোধী দলগুলো অবৈধ বলছে, তাতে অংশ নেওয়া তাদের দ্বিচারিতা।

এক্স হ্যান্ডেলে দীপকে দাবি করেছেন, কারচুপির নির্বাচনে অংশ নিলে নির্বাচন অবাধ ও স্বচ্ছ—এমন একটি ভুল ধারণা তৈরি হয়। তার মতে, রাজনৈতিক দলগুলো শুধু নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য ভোটে অংশ নিচ্ছে। কিন্তু যে সিস্টেমে দল ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বা সাংসদ-বিধায়কদের ভাঙিয়ে নেওয়া হচ্ছে, সেখানে কোন অস্তিত্ব বাঁচানোর চেষ্টা চলছে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

এদিকে, তেলাপোকা জনতা পার্টি জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে। অভিজিৎ দীপকে ঘোষণা দিয়েছেন, শনিবারের মধ্যে পদত্যাগ না করলে ২রা অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিন মুম্বাই থেকে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করা হবে। পর্যবেক্ষকদের মতে, রাহুল গান্ধী নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুললেও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ততটা সোচ্চার নন, বরং তিনি তাকে রাজসাক্ষী করতে আগ্রহী। এই পরিস্থিতি বিরোধীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে বৈধতা দিচ্ছেন কেন, বিরোধীদের প্রশ্ন সিজেপি’র

আপডেট সময় : ০৫:১৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নির্বাচন প্রক্রিয়াকে যদি ত্রুটিপূর্ণ ও কারচুপিযুক্ত বলে মনে হয়ে থাকে, তাহলে সেই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন কেন? সিস্টেম বদলাতে চাইলে ভোটপ্রক্রিয়া থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তেলাপোকা (ককরোচ) জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তিনি অভিযোগ করেছেন, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় কারচুপি হচ্ছে জেনেও বিরোধী দলগুলো লাগাতার অংশ নিয়ে সেগুলোকে বৈধতা দিয়ে দিচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদপত্র দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিরোধী দলগুলো সমালোচনায় সরব হয়েছে। তারা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছে এবং সংসদের দুই কক্ষে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কেউ কেউ বাংলা ও বিহারসহ বিভিন্ন রাজ্যে পুনঃনির্বাচন বা এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি তুলছেন। তবে অভিজিৎ দীপকে বলছেন, যে খেলাকে বিরোধী দলগুলো অবৈধ বলছে, তাতে অংশ নেওয়া তাদের দ্বিচারিতা।

এক্স হ্যান্ডেলে দীপকে দাবি করেছেন, কারচুপির নির্বাচনে অংশ নিলে নির্বাচন অবাধ ও স্বচ্ছ—এমন একটি ভুল ধারণা তৈরি হয়। তার মতে, রাজনৈতিক দলগুলো শুধু নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য ভোটে অংশ নিচ্ছে। কিন্তু যে সিস্টেমে দল ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বা সাংসদ-বিধায়কদের ভাঙিয়ে নেওয়া হচ্ছে, সেখানে কোন অস্তিত্ব বাঁচানোর চেষ্টা চলছে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

এদিকে, তেলাপোকা জনতা পার্টি জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে। অভিজিৎ দীপকে ঘোষণা দিয়েছেন, শনিবারের মধ্যে পদত্যাগ না করলে ২রা অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিন মুম্বাই থেকে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করা হবে। পর্যবেক্ষকদের মতে, রাহুল গান্ধী নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুললেও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ততটা সোচ্চার নন, বরং তিনি তাকে রাজসাক্ষী করতে আগ্রহী। এই পরিস্থিতি বিরোধীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin