
নির্বাচন প্রক্রিয়াকে যদি ত্রুটিপূর্ণ ও কারচুপিযুক্ত বলে মনে হয়ে থাকে, তাহলে সেই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন কেন? সিস্টেম বদলাতে চাইলে ভোটপ্রক্রিয়া থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তেলাপোকা (ককরোচ) জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তিনি অভিযোগ করেছেন, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় কারচুপি হচ্ছে জেনেও বিরোধী দলগুলো লাগাতার অংশ নিয়ে সেগুলোকে বৈধতা দিয়ে দিচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদপত্র দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিরোধী দলগুলো সমালোচনায় সরব হয়েছে। তারা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছে এবং সংসদের দুই কক্ষে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কেউ কেউ বাংলা ও বিহারসহ বিভিন্ন রাজ্যে পুনঃনির্বাচন বা এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি তুলছেন। তবে অভিজিৎ দীপকে বলছেন, যে খেলাকে বিরোধী দলগুলো অবৈধ বলছে, তাতে অংশ নেওয়া তাদের দ্বিচারিতা।
এক্স হ্যান্ডেলে দীপকে দাবি করেছেন, কারচুপির নির্বাচনে অংশ নিলে নির্বাচন অবাধ ও স্বচ্ছ—এমন একটি ভুল ধারণা তৈরি হয়। তার মতে, রাজনৈতিক দলগুলো শুধু নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য ভোটে অংশ নিচ্ছে। কিন্তু যে সিস্টেমে দল ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বা সাংসদ-বিধায়কদের ভাঙিয়ে নেওয়া হচ্ছে, সেখানে কোন অস্তিত্ব বাঁচানোর চেষ্টা চলছে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
এদিকে, তেলাপোকা জনতা পার্টি জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে। অভিজিৎ দীপকে ঘোষণা দিয়েছেন, শনিবারের মধ্যে পদত্যাগ না করলে ২রা অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিন মুম্বাই থেকে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করা হবে। পর্যবেক্ষকদের মতে, রাহুল গান্ধী নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুললেও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ততটা সোচ্চার নন, বরং তিনি তাকে রাজসাক্ষী করতে আগ্রহী। এই পরিস্থিতি বিরোধীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২