নড়াইলে রাজনৈতিক সংঘর্ষে যুবদল-কৃষক লীগ কর্মী নিহত, আহত ৭
- আপডেট সময় : ০৫:০০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও রাজনৈতিক বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মিরচাঁন সরদার (৩৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত মিরচাঁন ওই গ্রামের মৃত লোকমান সরদারের ছেলে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, কোটাকোল ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি আজমল মুন্সি ও বর্তমান ইউপি সদস্য কালাম মুন্সি সমর্থিত গ্রুপের সঙ্গে কোটাকোল ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য শহিদুল মোল্যা এবং হিরাঙ্গীর মোল্যা সমর্থিত গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
ইউপি সদস্য কালাম মুন্সির অভিযোগ, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মিরচাঁন বাড়ির দিকে যাওয়ার সময় শহিদুল মোল্যা ও হিরাঙ্গীর মোল্যার নেতৃত্বে ৫০-৬০ জনের একটি সশস্ত্র দল তার ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মিরচাঁন গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মাদারীপুরের পাঁচচর এলাকায় তার মৃত্যু হয়।
একই ঘটনায় সালাম মুন্সি নামে আরেক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষে খাজা সরদার, সিয়ামিন সরদার ও সারফিনা বেগমসহ উভয় পক্ষের আরও অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন, যারা লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে হামলার বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য শহিদুল মোল্যার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া সম্ভব হয়নি। বর্তমানে মাটিয়াডাঙ্গা এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।





























