ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে ২৫ এজেন্সির তালিকা নিয়ে এনসিপির উদ্বেগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দুই বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে মালয়েশিয়ার বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস-এর মাধ্যমে ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দলটি। এনসিপির মতে, শ্রমবাজার কোনো নির্দিষ্ট এজেন্সির একচেটিয়া ব্যবসার ক্ষেত্র হতে পারে না।

শনিবার এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে দলটির মুখপাত্র এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ডায়াস্পোরা বিষয়ক উপ-কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, কোন মানদণ্ড ও প্রক্রিয়ায় এই ২৫টি এজেন্সি নির্বাচন করা হয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। এর আগে বাংলাদেশ সরকার মালয়েশিয়ার কাছে ৪২৩টি এজেন্সির তালিকা পাঠিয়েছিল। সেই তালিকা থেকে মাত্র ২৫টি এজেন্সি বেছে নেওয়ার ভিত্তি সরকারের পক্ষ থেকে পরিষ্কার করা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, অতীতে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কর্মী পাঠাতে গিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ ছিল। সরকার নির্ধারিত ৭৯ হাজার টাকার বিপরীতে কর্মীর কাছ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে অনেক কর্মী জমি-জমা বিক্রি ও ঋণগ্রস্ত হয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। এনসিপি মনে করে, নতুন করে সীমিতসংখ্যক এজেন্সিকে কেন্দ্র করে একই ধরনের ব্যবস্থা তৈরি হলে সাধারণ কর্মপ্রত্যাশীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

দলটি দাবি জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব ও ঘনিষ্ঠতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটের যথাযথ তদন্তের আহ্বান জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং একই চক্র যেন নতুন নামে বা কাঠামোয় ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়া ২০২৪ সালে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা কর্মীদের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের সংখ্যা, পদ্ধতি ও অভিবাসন ব্যয় স্বচ্ছভাবে চূড়ান্ত করে জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে দলটি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে ২৫ এজেন্সির তালিকা নিয়ে এনসিপির উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

দুই বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে মালয়েশিয়ার বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস-এর মাধ্যমে ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দলটি। এনসিপির মতে, শ্রমবাজার কোনো নির্দিষ্ট এজেন্সির একচেটিয়া ব্যবসার ক্ষেত্র হতে পারে না।

শনিবার এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে দলটির মুখপাত্র এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ডায়াস্পোরা বিষয়ক উপ-কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, কোন মানদণ্ড ও প্রক্রিয়ায় এই ২৫টি এজেন্সি নির্বাচন করা হয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। এর আগে বাংলাদেশ সরকার মালয়েশিয়ার কাছে ৪২৩টি এজেন্সির তালিকা পাঠিয়েছিল। সেই তালিকা থেকে মাত্র ২৫টি এজেন্সি বেছে নেওয়ার ভিত্তি সরকারের পক্ষ থেকে পরিষ্কার করা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, অতীতে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কর্মী পাঠাতে গিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ ছিল। সরকার নির্ধারিত ৭৯ হাজার টাকার বিপরীতে কর্মীর কাছ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে অনেক কর্মী জমি-জমা বিক্রি ও ঋণগ্রস্ত হয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। এনসিপি মনে করে, নতুন করে সীমিতসংখ্যক এজেন্সিকে কেন্দ্র করে একই ধরনের ব্যবস্থা তৈরি হলে সাধারণ কর্মপ্রত্যাশীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

দলটি দাবি জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব ও ঘনিষ্ঠতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটের যথাযথ তদন্তের আহ্বান জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং একই চক্র যেন নতুন নামে বা কাঠামোয় ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়া ২০২৪ সালে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা কর্মীদের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের সংখ্যা, পদ্ধতি ও অভিবাসন ব্যয় স্বচ্ছভাবে চূড়ান্ত করে জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে দলটি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh