ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জে সপ্তাহব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষরোপণ অভিযানের সূচনা রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৪৬৩ জন গ্রেপ্তার, মামলা ৪০ ‘শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপের কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে প্রতিবছর পানিতে ডুবে ১৮ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা এমআইএসটি শিক্ষার্থী ইয়ামিন হত্যায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ বিশ্বকাপ শেষে প্রথমবার প্রকাশ্যে মেসি, উপভোগ করলেন ফুটবল ম্যাচ পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল ইসরাইল ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে নিয়োগের আবেদনের সময় বাড়ল বঙ্গভবন থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের নীরবে-নিভৃতে বিদায়

বঙ্গভবন থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের নীরবে-নিভৃতে বিদায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

সময়ের আগেই বঙ্গভবন ছাড়তে যাচ্ছেন মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব থেকে তাঁর এই বিদায় অনেকটাই রংহীন। স্বাধীন বাংলাদেশের ১৭ জন রাষ্ট্রপতির মধ্যে সাহাবুদ্দিনসহ অনেকেরই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদ ছাড়তে হয়েছে। এর মধ্যে দুজন রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতির বিদায়ের জন্য সংবিধান বা আইনে বাধ্যতামূলক কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রীয় আচার বা অনুষ্ঠান নেই। ব্যতিক্রম ছিল ২০১৩ সালে মো. আবদুল হামিদকে বঙ্গভবনে দেওয়া রাষ্ট্রীয় বিদায়। সে সময় তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং লালগালিচা সংবর্ধনার পাশাপাশি পুষ্পশোভিত খোলা জিপে করে বিদায় জানানো হয়, যা স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম। বঙ্গভবনের মূল ফটক পার হওয়ার পর তিনি ও তাঁর স্ত্রী বিশেষ নিরাপত্তা দলের তত্ত্বাবধানে নিকুঞ্জে নিজেদের বাড়িতে যান।

বাংলাদেশে যে কজন রাষ্ট্রপতি স্বাভাবিকভাবে বিদায় নিয়েছেন, তাঁদেরও এভাবে সংবর্ধনার মাধ্যমে বিদায় হয়নি। এর একটি বড় কারণ হলো, রাষ্ট্রপতি পদে তাঁরা নিজ দলের শাসনামলে নির্বাচিত হলেও বিদায়ের সময় ক্ষমতায় ছিল প্রতিপক্ষ দল। ১৯৯১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হওয়ায় প্রতিবারই সরকারি দল নির্বাচনে হেরে বিরোধী দলের আসনে বসেছে। ফলে প্রতিপক্ষ দলের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির বিদায় স্মরণীয় করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের পর শেখ হাসিনার দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে তিনজন রাষ্ট্রপতি পেয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে জিল্লুর রহমান ২০১৩ সালে মারা যান, এরপর আবদুল হামিদ দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৩ সালে অনেকটা আকস্মিকভাবে রাষ্ট্রপতি হন মো. সাহাবুদ্দিন। তাঁর সময়কালেই ২০২৪ সালে ‘আমি-ডামি’ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৫ আগস্ট ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সাহাবুদ্দিনের রাষ্ট্রপতি পদ ছাড়ার ক্ষণগণনা শুরু হয়, যা গত শুক্রবার বাস্তবায়িত হয়।

বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর অবর্তমানে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন, তবে ১২ জানুয়ারি সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা প্রবর্তিত হলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন এবং বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৭৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তৎকালীন স্পিকার মোহাম্মদউল্লাহ ভারপ্রাপ্ত ও পরে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল প্রতিষ্ঠার পরদিন থেকে পুনরায় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন বঙ্গবন্ধু। ওই বছরের ১৫ আগস্ট সপরিবার তাঁকে হত্যা করা হয়। এরপর খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রপতি হন, তবে তিন মাসের মধ্যে তাঁকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। এরপর বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম দায়িত্ব নেন এবং ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল পদত্যাগ করলে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৭৮ সালের জুনে তিনি নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন, কিন্তু ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে নিহত হন। এরপর বিচারপতি আবদুস সাত্তার অস্থায়ী ও পরে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৮২ সালে এইচ এম এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন এবং ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর বিচারপতি মো. সাহাবুদ্দীন আহমদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।

১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সংসদীয় পদ্ধতি পুনরায় চালু হলে রাষ্ট্রপতির পদ আলংকারিক হয়ে পড়ে। বিএনপির আবদুর রহমান বিশ্বাস মেয়াদ শেষ করলেও বিদায় সংবর্ধনা পাননি। ১৯৯৬ সালে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ পুনরায় রাষ্ট্রপতি হন, তবে ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পরাজয়ের পর বিএনপি সরকারের আমলে তাঁর বিদায় ঘটেছিল নীরবে-নিভৃতে। এরশাদ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনকারী সাহাবুদ্দীন আহমদকে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করলেও সাত মাস সাত দিন পর দলের সঙ্গে মতবিরোধে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়। এরপর তৎকালীন স্পিকার মুহম্মদ জমির উদ্দিন সরকার অস্থায়ী দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালের সেপ্টেম্বরে অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রাষ্ট্রপতি হন। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর খালেদা জিয়ার সরকারের মেয়াদ শেষ হলে ইয়াজউদ্দিন নিজেই প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেন। পরবর্তীতে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ও তিনি রাষ্ট্রপতি পদে বহাল ছিলেন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর জিল্লুর রহমান রাষ্ট্রপতি হন।

এরপর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে তিনটি নির্বাচন হয় শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় রেখে।

১৯৭৪ সালের ২৭ জানুয়ারি তিনি নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

বঙ্গভবন থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের নীরবে-নিভৃতে বিদায়

আপডেট সময় : ১২:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
print news

সময়ের আগেই বঙ্গভবন ছাড়তে যাচ্ছেন মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব থেকে তাঁর এই বিদায় অনেকটাই রংহীন। স্বাধীন বাংলাদেশের ১৭ জন রাষ্ট্রপতির মধ্যে সাহাবুদ্দিনসহ অনেকেরই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদ ছাড়তে হয়েছে। এর মধ্যে দুজন রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতির বিদায়ের জন্য সংবিধান বা আইনে বাধ্যতামূলক কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রীয় আচার বা অনুষ্ঠান নেই। ব্যতিক্রম ছিল ২০১৩ সালে মো. আবদুল হামিদকে বঙ্গভবনে দেওয়া রাষ্ট্রীয় বিদায়। সে সময় তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং লালগালিচা সংবর্ধনার পাশাপাশি পুষ্পশোভিত খোলা জিপে করে বিদায় জানানো হয়, যা স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম। বঙ্গভবনের মূল ফটক পার হওয়ার পর তিনি ও তাঁর স্ত্রী বিশেষ নিরাপত্তা দলের তত্ত্বাবধানে নিকুঞ্জে নিজেদের বাড়িতে যান।

বাংলাদেশে যে কজন রাষ্ট্রপতি স্বাভাবিকভাবে বিদায় নিয়েছেন, তাঁদেরও এভাবে সংবর্ধনার মাধ্যমে বিদায় হয়নি। এর একটি বড় কারণ হলো, রাষ্ট্রপতি পদে তাঁরা নিজ দলের শাসনামলে নির্বাচিত হলেও বিদায়ের সময় ক্ষমতায় ছিল প্রতিপক্ষ দল। ১৯৯১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হওয়ায় প্রতিবারই সরকারি দল নির্বাচনে হেরে বিরোধী দলের আসনে বসেছে। ফলে প্রতিপক্ষ দলের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির বিদায় স্মরণীয় করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের পর শেখ হাসিনার দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে তিনজন রাষ্ট্রপতি পেয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে জিল্লুর রহমান ২০১৩ সালে মারা যান, এরপর আবদুল হামিদ দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৩ সালে অনেকটা আকস্মিকভাবে রাষ্ট্রপতি হন মো. সাহাবুদ্দিন। তাঁর সময়কালেই ২০২৪ সালে ‘আমি-ডামি’ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৫ আগস্ট ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সাহাবুদ্দিনের রাষ্ট্রপতি পদ ছাড়ার ক্ষণগণনা শুরু হয়, যা গত শুক্রবার বাস্তবায়িত হয়।

বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর অবর্তমানে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন, তবে ১২ জানুয়ারি সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা প্রবর্তিত হলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন এবং বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৭৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তৎকালীন স্পিকার মোহাম্মদউল্লাহ ভারপ্রাপ্ত ও পরে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল প্রতিষ্ঠার পরদিন থেকে পুনরায় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন বঙ্গবন্ধু। ওই বছরের ১৫ আগস্ট সপরিবার তাঁকে হত্যা করা হয়। এরপর খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রপতি হন, তবে তিন মাসের মধ্যে তাঁকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। এরপর বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম দায়িত্ব নেন এবং ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল পদত্যাগ করলে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৭৮ সালের জুনে তিনি নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন, কিন্তু ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে নিহত হন। এরপর বিচারপতি আবদুস সাত্তার অস্থায়ী ও পরে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৮২ সালে এইচ এম এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন এবং ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর বিচারপতি মো. সাহাবুদ্দীন আহমদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।

১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সংসদীয় পদ্ধতি পুনরায় চালু হলে রাষ্ট্রপতির পদ আলংকারিক হয়ে পড়ে। বিএনপির আবদুর রহমান বিশ্বাস মেয়াদ শেষ করলেও বিদায় সংবর্ধনা পাননি। ১৯৯৬ সালে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ পুনরায় রাষ্ট্রপতি হন, তবে ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পরাজয়ের পর বিএনপি সরকারের আমলে তাঁর বিদায় ঘটেছিল নীরবে-নিভৃতে। এরশাদ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনকারী সাহাবুদ্দীন আহমদকে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করলেও সাত মাস সাত দিন পর দলের সঙ্গে মতবিরোধে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়। এরপর তৎকালীন স্পিকার মুহম্মদ জমির উদ্দিন সরকার অস্থায়ী দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালের সেপ্টেম্বরে অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রাষ্ট্রপতি হন। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর খালেদা জিয়ার সরকারের মেয়াদ শেষ হলে ইয়াজউদ্দিন নিজেই প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেন। পরবর্তীতে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ও তিনি রাষ্ট্রপতি পদে বহাল ছিলেন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর জিল্লুর রহমান রাষ্ট্রপতি হন।

এরপর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে তিনটি নির্বাচন হয় শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় রেখে।

১৯৭৪ সালের ২৭ জানুয়ারি তিনি নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo