ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইয়াশের ‘টক্সিক’ ট্রেলার: সঙ্গে কিয়ারা-নয়নতারা ও অ্যাকশনের নতুন জগৎ সালমান শাহের সঙ্গে প্রথম কাজের স্মৃতিচারণ করলেন তুষার খান দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফরে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান স্বাভাবিক হচ্ছে গ্যাস সরবরাহ, সিএনজি স্টেশনে কমছে ভোগান্তি জ্বর নিয়েই শুটিংয়ে অবিকা, শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি কে হচ্ছেন দেশের ২৩তম প্রেসিডেন্ট, সিদ্ধান্ত কেবল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সিরাজুল ইসলাম আপসহীন ছিলেন: মির্জা ফখরুল বুদ্ধিজীবী ও স্বৈরাচারের সখ্য: ক্ষমতার মোহে সততার বিসর্জন জামায়াতের প্রদর্শনীতে মুজিব আছে কিন্তু জিয়া নেই, ব্যাখ্যায় বিতর্ক সাভারে বিএনপি নেতাকে কাফনের কাপড় ও গুলি পাঠিয়ে হত্যার হুমকি

নৈতিক স্খলনের অভিযোগে গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দল থেকে তাকে বহিষ্কারের এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

রাজধানীর মিন্ট রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে বুধবার বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দলের আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কিছু অভিযোগ প্রকাশিত হয়। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দলের পক্ষ থেকে একটি সাংগঠনিক তদন্ত পরিচালনা করা হয়। তদন্তে তার বিরুদ্ধে ওঠা নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দলটির গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাজী নজরুল ইসলামের একটি ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে ওই তরুণীকে নিজের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ দাবি করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন এই সংসদ সদস্য।

ফেসবুক পোস্টে গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, চলতি বছরের ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং তার প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার বাড়িতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। ফলে তাদের নিয়ে ছড়ানো তথ্যের কোনো সত্যতা নেই। তিনি এটিকে তার সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নৈতিক চরিত্র ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে একটি ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

গাজী নজরুল ইসলাম কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামীর শুরা সদস্য ছিলেন। এর আগে তিনি ১৯৯১ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

নৈতিক স্খলনের অভিযোগে গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
print news

নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দল থেকে তাকে বহিষ্কারের এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

রাজধানীর মিন্ট রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে বুধবার বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দলের আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কিছু অভিযোগ প্রকাশিত হয়। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দলের পক্ষ থেকে একটি সাংগঠনিক তদন্ত পরিচালনা করা হয়। তদন্তে তার বিরুদ্ধে ওঠা নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দলটির গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাজী নজরুল ইসলামের একটি ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে ওই তরুণীকে নিজের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ দাবি করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন এই সংসদ সদস্য।

ফেসবুক পোস্টে গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, চলতি বছরের ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং তার প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার বাড়িতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। ফলে তাদের নিয়ে ছড়ানো তথ্যের কোনো সত্যতা নেই। তিনি এটিকে তার সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নৈতিক চরিত্র ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে একটি ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

গাজী নজরুল ইসলাম কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামীর শুরা সদস্য ছিলেন। এর আগে তিনি ১৯৯১ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin