ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আর্জেন্টিনার জয়ের আনন্দমিছিলের ভিডিও করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন কলেজ শিক্ষার্থী রূপগঞ্জে ৫০০ রোগীর মুখে হাসি, বিনামূল্যে চক্ষু ও ডায়াবেটিস সেবা মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের নতুন হামলা রক্ষণাত্মক কৌশলের খেসারত দিয়ে সেমিফাইনালে হারল ইংল্যান্ড পাবনায় অ্যাম্বুলেন্স ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ আবু সাঈদ ভয়ের দেয়াল ভাঙার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী মেসির অনন্য কীর্তি, ক্যারিয়ারের অষ্টম ফাইনালে আর্জেন্টিনা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের নতুন নিয়ম নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রতীক্ষা আরও দীর্ঘায়িত আর্জেন্টিনার বারকোকে চড় মারলেন ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম

আবু সাঈদ ভয়ের দেয়াল ভাঙার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ আবু সাঈদের সেই অমলিন দৃশ্য কেবল একটি মুহূর্ত ছিল না; এটি ছিল গণতান্ত্রিক অধিকারবঞ্চিত একটি জাতির ভয় জয়ের প্রতীক। বুধবার (১৫ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৬ জুলাই ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস। এদিন শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশের পাশাপাশি দেশে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে সারাদেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন যে, ২০২৪ সালের এই দিনে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ এবং চট্টগ্রামে কলেজশিক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ কমপক্ষে ৬ জন শহীদ হয়েছিলেন।

তারেক রহমান বলেন, রংপুরে দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেওয়া আবু সাঈদের সেই দৃশ্য গণতন্ত্রকামী জনগণের মনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করেছিল। সেই কোটা সংস্কারের দাবি পরবর্তীতে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। তিনি শহীদ আবু সাঈদ, মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ ১৬ জুলাইয়ের সব শহীদের মাগফিরাত কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৬ জুলাই আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় সন্ধিক্ষণ। রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও ভয়ভীতির রাজনীতির বিরুদ্ধে নিরস্ত্র অথচ অদম্য সাহসী বীর ছাত্র-জনতা যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তা জাতির বিবেককে জাগ্রত করেছিল। এই গণঅভ্যুত্থান ছিল দেড় দশক ধরে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ফ্যাসিবাদ, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, লুণ্ঠন, গুম, খুন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতির ঐক্যবদ্ধ লড়াই।

শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদদের রক্ত কখনও বৃথা যেতে পারে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অমর চেতনা আমাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা। সব নাগরিকের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের মাধ্যমেই আমরা শহীদদের রক্তের ঋণ পরিশোধের চেষ্টা করতে পারি। প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

আবু সাঈদ ভয়ের দেয়াল ভাঙার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
print news

জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ আবু সাঈদের সেই অমলিন দৃশ্য কেবল একটি মুহূর্ত ছিল না; এটি ছিল গণতান্ত্রিক অধিকারবঞ্চিত একটি জাতির ভয় জয়ের প্রতীক। বুধবার (১৫ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৬ জুলাই ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস। এদিন শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশের পাশাপাশি দেশে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে সারাদেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন যে, ২০২৪ সালের এই দিনে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ এবং চট্টগ্রামে কলেজশিক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ কমপক্ষে ৬ জন শহীদ হয়েছিলেন।

তারেক রহমান বলেন, রংপুরে দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেওয়া আবু সাঈদের সেই দৃশ্য গণতন্ত্রকামী জনগণের মনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করেছিল। সেই কোটা সংস্কারের দাবি পরবর্তীতে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। তিনি শহীদ আবু সাঈদ, মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ ১৬ জুলাইয়ের সব শহীদের মাগফিরাত কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৬ জুলাই আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় সন্ধিক্ষণ। রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও ভয়ভীতির রাজনীতির বিরুদ্ধে নিরস্ত্র অথচ অদম্য সাহসী বীর ছাত্র-জনতা যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তা জাতির বিবেককে জাগ্রত করেছিল। এই গণঅভ্যুত্থান ছিল দেড় দশক ধরে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ফ্যাসিবাদ, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, লুণ্ঠন, গুম, খুন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতির ঐক্যবদ্ধ লড়াই।

শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদদের রক্ত কখনও বৃথা যেতে পারে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অমর চেতনা আমাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা। সব নাগরিকের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের মাধ্যমেই আমরা শহীদদের রক্তের ঋণ পরিশোধের চেষ্টা করতে পারি। প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din