ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাই মোহনগঞ্জে নিখোঁজ অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার, মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ মেট্রোরেলের পিলারে আঁকা হবে খালেদা জিয়া ও জুলাই শহীদদের ছবি জমিসংক্রান্ত বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা, লালমনিরহাট বিএনপির নিন্দা আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচারে ট্রানজিট রুট এখন বাংলাদেশ বাংলাদেশে সক্রিয় আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচার সিন্ডিকেট লালমাইয়ে স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন গ্রেপ্তার নাব্যতা সংকটে রাজিবপুর ও নয়ারচর ঘাট, হেঁটে পার হচ্ছেন যাত্রীরা ভারতের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের তরুণ মুখ নেহা বোরা সারিয়াকান্দিতে দুর্গাপূজায় প্রতিটি মণ্ডপে অনুদান দেবেন এমপি রফিকুল

ঈশ্বরদীতে রান্নার ঝামেলা এড়াতে ড্যাগে রান্না মাংসে ঝুঁকছেন ক্রেতারা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৩০:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পাবনার ঈশ্বরদীতে ড্যাগে রান্না করা গরুর মাংসের প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। স্বাদ, ঝাল-মসলার বৈচিত্র্য এবং সহজলভ্যতার কারণে স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্তের মানুষও এই খাবারের দিকে ঝুঁকছেন। বিশেষ করে বাড়িতে রান্নার ঝামেলা এড়াতে অনেকেই এখন শহরের বিভিন্ন খাবারের দোকান ও বাজার থেকে ড্যাগে রান্না করা মাংস কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর কিংবা বিকেল পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন দোকানে এই মাংস কিনতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈশ্বরদীর বিভিন্ন বাজার ও ভাজাপোড়ার দোকানে বড় ড্যাগে মাংস রান্না করে বিক্রি করা হয়। দুপুরের খাবারের সময় এসব দোকানে ক্রেতাদের আনাগোনা বিশেষভাবে বৃদ্ধি পায়। অনেকে ভাত, খিচুড়ি বা রুটির সঙ্গে খাওয়ার জন্য পছন্দের মাংস কিনছেন।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, চাহিদা বাড়ায় প্রতিদিন আগের তুলনায় বেশি পরিমাণে মাংস রান্না করতে হচ্ছে। সকালেই অনেক দোকানে মাংসের বড় অংশ বিক্রি হয়ে যায়। ছুটির দিন ও বিশেষ দিনে এই চাহিদা আরও বেড়ে যায়।

ঈশ্বরদী পৌর শহরের বকুলের মোড়ে অবস্থিত রাশেদুলের খিচুড়ি হাউজের বিক্রেতা আমদ আলী জানান, তিনি বিয়ে ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের আদলে ড্যাগে গরুর মাংস রান্না করে বিক্রি করেন। তিনি বলেন, “আগে সীমিত পরিমাণে মাংস রান্না করতাম। এখন ক্রেতা বেড়ে যাওয়ায় বেশি পরিমাণে রান্না করতে হয়। ভালো মানের মাংস ও মসলা ব্যবহার করায় ক্রেতারা বারবার আসছেন।”

গৌরীপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সহকারী অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ ড্যাগে রান্না করা মাংস কিনতে এসে বলেন, এই মাংসের স্বাদ অনেকটা ঘরোয়া রান্নার মতো। তুলনামূলক কম সময়ে পছন্দের মাংস কেনার সুযোগ থাকায় কর্মজীবী ও ব্যস্ত মানুষের মধ্যেও এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। ব্যস্ত জীবনে রান্নার সময় ও পরিশ্রম বাঁচাতে অনেকেই এখন তৈরি খাবারের দিকে ঝুঁকছেন, আর ড্যাগে রান্না করা মাংস সেই চাহিদা পূরণে সহায়তা করছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, মানুষের খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এবং দ্রুত খাবার পাওয়ার চাহিদার কারণে ড্যাগে রান্না করা মাংসের বাজার ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। জনপ্রিয়তার সঙ্গে খাবারের মান, পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক ওজন বজায় রেখে স্বাদ অক্ষুণ্ন রাখতে পারলে এটি ঈশ্বরদীর অন্যতম জনপ্রিয় স্থানীয় খাবারে পরিণত হতে পারে। ক্রেতারাও বিক্রেতাদের কাছে খাবারের মান, পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক ওজন নিশ্চিত করার প্রত্যাশা করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈশ্বরদীতে রান্নার ঝামেলা এড়াতে ড্যাগে রান্না মাংসে ঝুঁকছেন ক্রেতারা

আপডেট সময় : ০৪:৩০:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

পাবনার ঈশ্বরদীতে ড্যাগে রান্না করা গরুর মাংসের প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। স্বাদ, ঝাল-মসলার বৈচিত্র্য এবং সহজলভ্যতার কারণে স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্তের মানুষও এই খাবারের দিকে ঝুঁকছেন। বিশেষ করে বাড়িতে রান্নার ঝামেলা এড়াতে অনেকেই এখন শহরের বিভিন্ন খাবারের দোকান ও বাজার থেকে ড্যাগে রান্না করা মাংস কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর কিংবা বিকেল পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন দোকানে এই মাংস কিনতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈশ্বরদীর বিভিন্ন বাজার ও ভাজাপোড়ার দোকানে বড় ড্যাগে মাংস রান্না করে বিক্রি করা হয়। দুপুরের খাবারের সময় এসব দোকানে ক্রেতাদের আনাগোনা বিশেষভাবে বৃদ্ধি পায়। অনেকে ভাত, খিচুড়ি বা রুটির সঙ্গে খাওয়ার জন্য পছন্দের মাংস কিনছেন।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, চাহিদা বাড়ায় প্রতিদিন আগের তুলনায় বেশি পরিমাণে মাংস রান্না করতে হচ্ছে। সকালেই অনেক দোকানে মাংসের বড় অংশ বিক্রি হয়ে যায়। ছুটির দিন ও বিশেষ দিনে এই চাহিদা আরও বেড়ে যায়।

ঈশ্বরদী পৌর শহরের বকুলের মোড়ে অবস্থিত রাশেদুলের খিচুড়ি হাউজের বিক্রেতা আমদ আলী জানান, তিনি বিয়ে ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের আদলে ড্যাগে গরুর মাংস রান্না করে বিক্রি করেন। তিনি বলেন, “আগে সীমিত পরিমাণে মাংস রান্না করতাম। এখন ক্রেতা বেড়ে যাওয়ায় বেশি পরিমাণে রান্না করতে হয়। ভালো মানের মাংস ও মসলা ব্যবহার করায় ক্রেতারা বারবার আসছেন।”

গৌরীপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সহকারী অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ ড্যাগে রান্না করা মাংস কিনতে এসে বলেন, এই মাংসের স্বাদ অনেকটা ঘরোয়া রান্নার মতো। তুলনামূলক কম সময়ে পছন্দের মাংস কেনার সুযোগ থাকায় কর্মজীবী ও ব্যস্ত মানুষের মধ্যেও এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। ব্যস্ত জীবনে রান্নার সময় ও পরিশ্রম বাঁচাতে অনেকেই এখন তৈরি খাবারের দিকে ঝুঁকছেন, আর ড্যাগে রান্না করা মাংস সেই চাহিদা পূরণে সহায়তা করছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, মানুষের খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এবং দ্রুত খাবার পাওয়ার চাহিদার কারণে ড্যাগে রান্না করা মাংসের বাজার ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। জনপ্রিয়তার সঙ্গে খাবারের মান, পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক ওজন বজায় রেখে স্বাদ অক্ষুণ্ন রাখতে পারলে এটি ঈশ্বরদীর অন্যতম জনপ্রিয় স্থানীয় খাবারে পরিণত হতে পারে। ক্রেতারাও বিক্রেতাদের কাছে খাবারের মান, পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক ওজন নিশ্চিত করার প্রত্যাশা করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh