ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি, আবেদন শুরু ১২ অক্টোবর ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা: ৫ শিশুসহ নিহত ৩২ উত্তাল ফ্রান্স: ট্রাম্পের মন্তব্যের বাইরেও রয়েছে গভীর সংকট ইইউ-চীন বাণিজ্য আলোচনা শুরু: ঘাটতি ও বিধিনিষেধ নিয়ে বাড়ছে চাপ ঢাকায় ডিএমপির অভিযানে একদিনে গ্রেপ্তার ৫২৮, মামলা ৫৩ গঙ্গা পানি চুক্তি নিয়ে যৌথভাবে কাজ করছে ঢাকা ও দিল্লি স্কুলের পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাস বাণিজ্য চুক্তির প্রভাব: যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি দ্বিগুণের বেশি বাড়ল ৪ বছরে দেশে নতুন দরিদ্র ৮০ লাখ, ঝুঁকিতে সোয়া ৬ কোটি মানুষ মানসিক রোগীকে হাতকড়া পরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় রিহ্যাব সেন্টারের দুই কর্মী আটক

এল নিনোর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তায় প্রস্তুত আইএমএফ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৪৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



এল নিনোর প্রভাবে বিপর্যস্ত বা চরম ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোর পাশে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। বুধবার (৭ অক্টোবর) সিঙ্গাপুরে বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা জানিয়েছেন, এল নিনোর ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা সংকট এবং খাদ্যের দাম বাড়ার কারণে মূল্যস্ফীতির চাপ নিয়ে আইএমএফ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

এল নিনো হলো সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট একটি প্রাকৃতিক বৈশ্বিক জলবায়ু পরিস্থিতি, যা সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর দেখা যায়। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ এবং বৃষ্টিপাতের ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। আবহাওয়াবিদদের ধারণা, চলতি বছরের এল নিনো আধুনিক সময়ের অন্যতম তীব্র একটি পরিস্থিতি হতে পারে, যা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চরম আবহাওয়াকে আরও জটিল করে তুলছে।

ইতিমধ্যে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। মধ্য আমেরিকার দেশগুলো খরার সম্মুখীন হয়েছে এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বর্ষা মৌসুমের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের ধরন ব্যাহত হচ্ছে। এতে উভয় অঞ্চলের কৃষি ও ফসল উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা দেশগুলোকে তাদের সীমিত আর্থিক ও রাজস্ব সক্ষমতা ব্যবহারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, অনেক দেশকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাইরের অর্থায়নের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে। আইএমএফের অন্যতম দায়িত্ব হলো বাইরের বড় ধরনের প্রতিকূলতার মুখে দুর্বল দেশগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া। এল নিনোর আঘাত তীব্র হলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সহায়তায় সংস্থাটি প্রস্তুত রয়েছে।

আইএমএফ প্রধান ‘দ্বৈত বাহ্যিক ধাক্কার’ ঝুঁকির কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, একদিকে এল নিনোর প্রভাব এবং অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। কিছু দেশ এই চরম ধাক্কা সামলে নিতে পারলেও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র, বাংলাদেশের মতো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এবং লাওসের মতো দরিদ্র দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হতে পারে। এই সংকট মোকাবিলায় তিনি সমন্বিত বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

এল নিনোর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তায় প্রস্তুত আইএমএফ

আপডেট সময় : ১০:৪৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

এল নিনোর প্রভাবে বিপর্যস্ত বা চরম ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোর পাশে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। বুধবার (৭ অক্টোবর) সিঙ্গাপুরে বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা জানিয়েছেন, এল নিনোর ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা সংকট এবং খাদ্যের দাম বাড়ার কারণে মূল্যস্ফীতির চাপ নিয়ে আইএমএফ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

এল নিনো হলো সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট একটি প্রাকৃতিক বৈশ্বিক জলবায়ু পরিস্থিতি, যা সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর দেখা যায়। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ এবং বৃষ্টিপাতের ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। আবহাওয়াবিদদের ধারণা, চলতি বছরের এল নিনো আধুনিক সময়ের অন্যতম তীব্র একটি পরিস্থিতি হতে পারে, যা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চরম আবহাওয়াকে আরও জটিল করে তুলছে।

ইতিমধ্যে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। মধ্য আমেরিকার দেশগুলো খরার সম্মুখীন হয়েছে এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বর্ষা মৌসুমের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের ধরন ব্যাহত হচ্ছে। এতে উভয় অঞ্চলের কৃষি ও ফসল উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা দেশগুলোকে তাদের সীমিত আর্থিক ও রাজস্ব সক্ষমতা ব্যবহারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, অনেক দেশকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাইরের অর্থায়নের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে। আইএমএফের অন্যতম দায়িত্ব হলো বাইরের বড় ধরনের প্রতিকূলতার মুখে দুর্বল দেশগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া। এল নিনোর আঘাত তীব্র হলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সহায়তায় সংস্থাটি প্রস্তুত রয়েছে।

আইএমএফ প্রধান ‘দ্বৈত বাহ্যিক ধাক্কার’ ঝুঁকির কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, একদিকে এল নিনোর প্রভাব এবং অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। কিছু দেশ এই চরম ধাক্কা সামলে নিতে পারলেও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র, বাংলাদেশের মতো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এবং লাওসের মতো দরিদ্র দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হতে পারে। এই সংকট মোকাবিলায় তিনি সমন্বিত বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din