ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যবসা-বাণিজ্যে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রেসিডেন্টের সাংবাদিকদের দাবিতে রাবি হল প্রাধ্যক্ষকে অব্যাহতি, ৩ দিনে তদন্তের নির্দেশ চবি ক্যাম্পাসে ইউপিএল বই উৎসবে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় কুড়িগ্রাম সীমান্তে বাংলাদেশি ভেবে ২ ভারতীয়কে গুলি করে ফেলল বিএসএফ যাত্রাবাড়ীতে পার্ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করল দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সোনারগাঁয়ে মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৬ জন গ্রেপ্তার বিয়ের ১৪ দিন আগে ডেঙ্গুতে মৃত্যু, নিথর কপালে সিঁদুর পরালেন হবু বর মতিঝিলে রোগীর মৃত্যু ঘিরে হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুর মিরপুরে শিশুকে বেল্ট দিয়ে পেটানো সেই নিরাপত্তাকর্মী পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে প্রবীণ অধিদপ্তর গঠনের দাবি: ২০৫০ সালে প্রবীণ সংখ্যা দাঁড়াবে ৫ কোটিতে

শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া ভারতের আর পথ ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক সম্মেলন ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন (বিওবিসি) ২০২৬’-এর একটি সেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, সেই পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের হাতে আর কোনো সুযোগ ছিল না।

শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, পুরোনো বন্ধু হিসেবে ভারতের যা করার তা তারা করেছেন। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ওই সময়ে শেখ হাসিনাকে নিয়ে আসা বিমানটি যদি নামতে না দেওয়া হতো, তাহলে কী হতো তা তার জানা নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী শেখ হাসিনাকে ভারতে নিয়ে আসেনি, বরং তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই বাংলাদেশের সামরিক বিমানে করে ভারতে গিয়েছিলেন।

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে ত্রিবেদী বলেন, এটি একটি সুগঠিত আইনি প্রক্রিয়ার বিষয় এবং এর সঙ্গে আদালত যুক্ত রয়েছে। তাই এই বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা দেওয়া সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই একাধিকবার স্পষ্ট করেছে যে, এই প্রক্রিয়াটি নির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর মধ্যে রয়েছে এবং গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারত তাদের নিজস্ব আইনি ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়টি তারা অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে ভালো বোঝেন। বাংলাদেশের কী করা উচিত তা কাউকে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের নিজেদের স্বার্থ ও নিরাপত্তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের নিরাপত্তায় হস্তক্ষেপের কোনো প্রশ্নই আসে না এবং বাংলাদেশের জনগণের ওপর ভারতের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক অন্য কোনো দেশের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে না। বাংলাদেশ অন্য দেশগুলোর সাথে যে সম্পর্কই রাখুক, নিজেদের জনগণের স্বার্থ রক্ষার অধিকার তাদের আছে। একজন ভালো প্রতিবেশী হিসেবে একে অন্যের মর্যাদা ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকাটাকেই তিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া ভারতের আর পথ ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী

আপডেট সময় : ০৩:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক সম্মেলন ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন (বিওবিসি) ২০২৬’-এর একটি সেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, সেই পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের হাতে আর কোনো সুযোগ ছিল না।

শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, পুরোনো বন্ধু হিসেবে ভারতের যা করার তা তারা করেছেন। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ওই সময়ে শেখ হাসিনাকে নিয়ে আসা বিমানটি যদি নামতে না দেওয়া হতো, তাহলে কী হতো তা তার জানা নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী শেখ হাসিনাকে ভারতে নিয়ে আসেনি, বরং তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই বাংলাদেশের সামরিক বিমানে করে ভারতে গিয়েছিলেন।

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে ত্রিবেদী বলেন, এটি একটি সুগঠিত আইনি প্রক্রিয়ার বিষয় এবং এর সঙ্গে আদালত যুক্ত রয়েছে। তাই এই বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা দেওয়া সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই একাধিকবার স্পষ্ট করেছে যে, এই প্রক্রিয়াটি নির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর মধ্যে রয়েছে এবং গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারত তাদের নিজস্ব আইনি ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়টি তারা অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে ভালো বোঝেন। বাংলাদেশের কী করা উচিত তা কাউকে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের নিজেদের স্বার্থ ও নিরাপত্তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের নিরাপত্তায় হস্তক্ষেপের কোনো প্রশ্নই আসে না এবং বাংলাদেশের জনগণের ওপর ভারতের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক অন্য কোনো দেশের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে না। বাংলাদেশ অন্য দেশগুলোর সাথে যে সম্পর্কই রাখুক, নিজেদের জনগণের স্বার্থ রক্ষার অধিকার তাদের আছে। একজন ভালো প্রতিবেশী হিসেবে একে অন্যের মর্যাদা ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকাটাকেই তিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin