সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৬ মামলা
- আপডেট সময় : ০৬:০১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন বাস্তবায়িত একটি প্রকল্পে চিকিৎসা সামগ্রী ও বিভিন্ন সেবা কেনাকাটায় অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে ছয়টি পৃথক মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যান্ডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস (ইআরপিপি)’ প্রকল্পের ছয়টি প্যাকেজে সরকারি অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে প্রায় ১২ কোটি ৩ লাখ ২৭ হাজার ৯৮৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এই মামলাগুলো করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় কেএন৯৫ ও এন৯৫ মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, হাসপাতাল বেড, সার্জিক্যাল সরঞ্জাম, টিভিসি প্রচার এবং মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ বিভিন্ন পণ্য ও সেবা কেনাকাটায় ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলে দুদকের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলাগুলোতে আত্মসাতের অংকের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম মামলায় ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ টাকা, দ্বিতীয়টিতে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, তৃতীয়টিতে ৯৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ টাকা এবং চতুর্থ মামলায় ৬২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া পঞ্চম মামলায় ২ কোটি ১৬ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৫ টাকা ৫০ পয়সা এবং ষষ্ঠ মামলায় ৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযুক্তদের তালিকায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন প্রকল্পের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. ইকবাল কবির, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. সানিয়া তাহমিনা ঝোরা ও অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট পণ্য ও সেবা সরবরাহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মকর্তাদেরও মামলায় আসামি করা হয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দায়ের করা এসব মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ১২০(বি) ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।


























