বসুন্ধরায় গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৫২ নেতাকর্মী কারাগারে
- আপডেট সময় : ০৭:৫৫:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৫২ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এই আদেশ প্রদান করেন। একইসঙ্গে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কিশোর হওয়ায় দুজনকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কারাগারে পাঠানো আসামিদের তালিকায় রয়েছেন যুবলীগ নেতা মোতালিব, যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান, শাহিন হোসেন ইমন, লিমন খান, দেওয়ান ইসমাইল, ফাহিম মিয়া, রতন, রাব্বি ওরফে রাফি, রাতুল শীল, মিনারুল মিয়া, মাসুদ রানা ওরফে লিমু, জিহাদ হাসান, আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু, ফাহিম, শাকিল মিয়া, রাজীব, সানি, রাজন মিয়া, মো. তারেক, তারেক, শাহিন, ফয়সাল, মামুন মিয়া, মুন্না, তামজিদ মিয়া নয়ন, ইয়াছিন, জামিল, রাকিবুল হাসান রাতুল, ফয়সাল, সিয়াম, শরিফ, সাদিকুর রহমান পায়েল, শাহিন আলম, আব্দুল আলী বাবু, অনিক, তারিকুল ইসলাম, আ. রহমান, ইয়ামিন মিয়া, আতিক ও আশিক। এছাড়া দুই কিশোর ঈশান ও হাসিবকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান আসামিদের কারাগারে এবং কিশোরদের উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য আবেদন করেছিলেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম-ব্লকের ২৮ নম্বর রোডের একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ৫৪ জনকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও কয়েকজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
পুলিশের দাবি, আটককৃতরা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ এবং নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত। তারা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতামূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি ব্যানার, দুটি আইফোন এবং একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ব্যানারগুলোতে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন এবং সংগঠনের নেতাকর্মীদের ছবি ছিল। শোকদিবস পালনের প্রস্তুতি সভা ও ঝটিকা মিছিল সফল করার উদ্দেশ্যেই তারা সেখানে সমবেত হয়েছিলেন এবং প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন। এই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।



























