ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লিবিয়ায় অপহৃত ১৩ বাংলাদেশি উদ্ধার, আটক এক সিরীয় নাগরিক সকালের বরকত ও রিজিক বৃদ্ধিতে ইসলামের বিশেষ নির্দেশনা ইরানি মিত্রদের সমন্বিত বড় হামলার আশঙ্কায় সৌদি আরব শেখ হাসিনাকে ফেরত দিতে ভারতের প্রতি জামায়াতের আহ্বান মেহেরপুর সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি হাসিনার বক্তব্য সমর্থন করে না ভারত, জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রক্তপাতহীন রাজনৈতিক সমাধান চেয়েছিলেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান সেনজেন চুক্তি স্থগিত করায় ইতালির বিরুদ্ধে স্পেনের পাল্টা হুঁশিয়ারি থাইল্যান্ডে ১৪ বছরের কিশোরের গুলিতে শিক্ষকসহ নিহত ৭ ‘হামলার ভয়ে’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে চায় ইরান, দাবি ট্রাম্পের

সকালের বরকত ও রিজিক বৃদ্ধিতে ইসলামের বিশেষ নির্দেশনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ইসলামে সকালের সময়টিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে গণ্য করা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইশার নামাজের পর দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া এবং সাতসকালে ঘুম থেকে ওঠার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন, যা তার গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। একজন প্রকৃত মুসলমানের দিন শুরু হয় ফজরের নামাজের মাধ্যমে। বিপরীতে, মুনাফিকরা ফজরের নামাজের জামাতে শামিল হতে চায় না। এ প্রসঙ্গে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত বোখারি শরিফের ৬২৪ নম্বর হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুনাফিকদের ওপর ফজর ও ইশার নামাজের চেয়ে ভারী কোনো নামাজ নেই। তারা যদি এই নামাজের ফজিলত সম্পর্কে জানত, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা জামাতে উপস্থিত হতো।

দিনের শুরুতে কাজে বেরিয়ে পড়লে জীবনে রহমত ও বরকত নেমে আসে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই পর্যাপ্ত রিজিক লাভ করা সম্ভব হয়। সকালে ঘুম থেকে ওঠা কেবল ধর্মীয় নয়, বরং শারীরিক ও মানসিক দিক থেকেও অত্যন্ত উপকারী। রাসুলুল্লাহ (সা.) সকালের বরকতের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করেছেন। তিরমিজি শরিফের ১২১২ নম্বর হাদিসে সাখর গামিদী (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) দোয়া করেছেন, হে আল্লাহ, তুমি আমার উম্মতের জন্য ভোরের মধ্যে বরকত দান করো। সাখর গামিদী নিজে ব্যবসায়ী ছিলেন এবং তিনি তার ব্যবসার মালামাল দিনের শুরুতেই পাঠিয়ে দিতেন, যার ফলে তিনি ধনবান হয়েছিলেন এবং তার সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছিল। রাসুলুল্লাহ (সা.) কোনো সৈন্যবাহিনী পাঠাতে চাইলে দিনের প্রথমাংশকেই বেছে নিতেন।

সকালবেলা যারা ঘুমানোর অভ্যাস করেন, তাদের শারীরিক সজীবতা নষ্ট হয়ে যায় এবং বিভিন্ন অসুস্থতা তাদের ঘিরে ধরে। এছাড়া দিনের পরবর্তী কাজগুলো দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং রিজিক থেকেও বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ বিষয়ে সতর্ক করে আলি (রা.) বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) একবার ফাতেমা (রা.)-কে সকালবেলা প্রভাত-নিদ্রায় শায়িত অবস্থায় দেখে তাকে পা দিয়ে হালকা খোঁচা দিয়ে বলেছিলেন, হে কন্যা, উঠো, তোমার প্রভুর রিজিক বণ্টনের সময় তুমি উপস্থিত থাক এবং গাফিলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। মূলত সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মহান আল্লাহ মানুষের রিজিক বণ্টন করে থাকেন।

মহান আল্লাহ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মানুষের রিজিক বণ্টন করে থাকেন।’ (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব : ২৬২৭)।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সকালের বরকত ও রিজিক বৃদ্ধিতে ইসলামের বিশেষ নির্দেশনা

আপডেট সময় : ০৭:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
print news

ইসলামে সকালের সময়টিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে গণ্য করা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইশার নামাজের পর দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া এবং সাতসকালে ঘুম থেকে ওঠার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন, যা তার গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। একজন প্রকৃত মুসলমানের দিন শুরু হয় ফজরের নামাজের মাধ্যমে। বিপরীতে, মুনাফিকরা ফজরের নামাজের জামাতে শামিল হতে চায় না। এ প্রসঙ্গে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত বোখারি শরিফের ৬২৪ নম্বর হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুনাফিকদের ওপর ফজর ও ইশার নামাজের চেয়ে ভারী কোনো নামাজ নেই। তারা যদি এই নামাজের ফজিলত সম্পর্কে জানত, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা জামাতে উপস্থিত হতো।

দিনের শুরুতে কাজে বেরিয়ে পড়লে জীবনে রহমত ও বরকত নেমে আসে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই পর্যাপ্ত রিজিক লাভ করা সম্ভব হয়। সকালে ঘুম থেকে ওঠা কেবল ধর্মীয় নয়, বরং শারীরিক ও মানসিক দিক থেকেও অত্যন্ত উপকারী। রাসুলুল্লাহ (সা.) সকালের বরকতের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করেছেন। তিরমিজি শরিফের ১২১২ নম্বর হাদিসে সাখর গামিদী (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) দোয়া করেছেন, হে আল্লাহ, তুমি আমার উম্মতের জন্য ভোরের মধ্যে বরকত দান করো। সাখর গামিদী নিজে ব্যবসায়ী ছিলেন এবং তিনি তার ব্যবসার মালামাল দিনের শুরুতেই পাঠিয়ে দিতেন, যার ফলে তিনি ধনবান হয়েছিলেন এবং তার সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছিল। রাসুলুল্লাহ (সা.) কোনো সৈন্যবাহিনী পাঠাতে চাইলে দিনের প্রথমাংশকেই বেছে নিতেন।

সকালবেলা যারা ঘুমানোর অভ্যাস করেন, তাদের শারীরিক সজীবতা নষ্ট হয়ে যায় এবং বিভিন্ন অসুস্থতা তাদের ঘিরে ধরে। এছাড়া দিনের পরবর্তী কাজগুলো দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং রিজিক থেকেও বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ বিষয়ে সতর্ক করে আলি (রা.) বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) একবার ফাতেমা (রা.)-কে সকালবেলা প্রভাত-নিদ্রায় শায়িত অবস্থায় দেখে তাকে পা দিয়ে হালকা খোঁচা দিয়ে বলেছিলেন, হে কন্যা, উঠো, তোমার প্রভুর রিজিক বণ্টনের সময় তুমি উপস্থিত থাক এবং গাফিলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। মূলত সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মহান আল্লাহ মানুষের রিজিক বণ্টন করে থাকেন।

মহান আল্লাহ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মানুষের রিজিক বণ্টন করে থাকেন।’ (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব : ২৬২৭)।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh