ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার সম্ভাবনা থেকে সংকটে গণঅধিকার পরিষদ: রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার লড়াই মাস্টার্স পরীক্ষার আগেই বিচারক হলেন ইবির রাজু আহমেদ শাল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত সিলেটে সওজের সরকারি জমিতে গোরস্থান নির্মাণের চেষ্টা, কাজ বন্ধ সরকারের অনুমোদন: দেড় লাখ টন সার ও মসুর ডাল কেনা হবে কাউকে ভয় পেতে আসিনি, আসিয়ান কাপ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হামজা চৌধুরী ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি বেসিস নির্বাচন সামনে রেখে ৭ সদস্যের সহায়ক কমিটি গঠন

হাসিনার বক্তব্য সমর্থন করে না ভারত, জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে ক্ষমতাচ্যুত ও দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্য ভারত সরকার অনুমোদন করে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল। শুক্রবার দিল্লিতে আয়োজিত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। রণধীর জয়সোয়াল জোর দিয়ে বলেন, ওই মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের বৈধভাবে গঠিত সরকারের বিরুদ্ধে যা কিছু বলা হয়েছে, তার কোনো কিছুই ভারত সরকার অনুমোদন বা সমর্থন করে না।

এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবে (এফসিসি সাউথ এশিয়া) আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার এই ভার্চ্যুয়াল অংশগ্রহণ নিয়ে বাংলাদেশ সরকার আগেই দিল্লির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানিয়েছিল। বাংলাদেশ সরকার সতর্ক করেছিল যে, ভারতের মাটিতে বসে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দুই দেশের স্বাভাবিক সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে সেই আপত্তি সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় এবং হাসিনা সেখানে অডিও কলে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন।

এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই রাতেই একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ। সেখানে তিনি ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিষাক্ত ঘৃণা ছড়িয়েছেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানান, এই ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে জয়সোয়াল আরও জানান, অনুষ্ঠানটি ছিল একটি বেসরকারি মিডিয়া সংস্থার উদ্যোগ এবং এতে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা, যোগাযোগ বা লেনদেন ছিল না। তিনি উল্লেখ করেন, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই তারা এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন এবং সেই কথাই পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

নয়াদিল্লির ওই অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সজীব ওয়াজেদ দাবি করেছিলেন যে, বাংলাদেশ দ্রুত আরেকটি পাকিস্তানে পরিণত হতে চলেছে। এ বিষয়ে জয়সোয়ালের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশের যেকোনো ঘটনা বা পরিস্থিতির ওপর ভারত সর্বদা তীক্ষ্ণ নজর রাখে এবং নিজেদের রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিয়ে পরিস্থিতি অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ নেয়। তবে সজীব ওয়াজেদের অভিযোগের বিষয়ে ভারত সরকার কোনো মন্তব্য বা সমর্থন প্রকাশ করেনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

হাসিনার বক্তব্য সমর্থন করে না ভারত, জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় : ০৭:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে ক্ষমতাচ্যুত ও দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্য ভারত সরকার অনুমোদন করে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল। শুক্রবার দিল্লিতে আয়োজিত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। রণধীর জয়সোয়াল জোর দিয়ে বলেন, ওই মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের বৈধভাবে গঠিত সরকারের বিরুদ্ধে যা কিছু বলা হয়েছে, তার কোনো কিছুই ভারত সরকার অনুমোদন বা সমর্থন করে না।

এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবে (এফসিসি সাউথ এশিয়া) আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার এই ভার্চ্যুয়াল অংশগ্রহণ নিয়ে বাংলাদেশ সরকার আগেই দিল্লির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানিয়েছিল। বাংলাদেশ সরকার সতর্ক করেছিল যে, ভারতের মাটিতে বসে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দুই দেশের স্বাভাবিক সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে সেই আপত্তি সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় এবং হাসিনা সেখানে অডিও কলে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন।

এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই রাতেই একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ। সেখানে তিনি ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিষাক্ত ঘৃণা ছড়িয়েছেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানান, এই ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে জয়সোয়াল আরও জানান, অনুষ্ঠানটি ছিল একটি বেসরকারি মিডিয়া সংস্থার উদ্যোগ এবং এতে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা, যোগাযোগ বা লেনদেন ছিল না। তিনি উল্লেখ করেন, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই তারা এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন এবং সেই কথাই পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

নয়াদিল্লির ওই অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সজীব ওয়াজেদ দাবি করেছিলেন যে, বাংলাদেশ দ্রুত আরেকটি পাকিস্তানে পরিণত হতে চলেছে। এ বিষয়ে জয়সোয়ালের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশের যেকোনো ঘটনা বা পরিস্থিতির ওপর ভারত সর্বদা তীক্ষ্ণ নজর রাখে এবং নিজেদের রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিয়ে পরিস্থিতি অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ নেয়। তবে সজীব ওয়াজেদের অভিযোগের বিষয়ে ভারত সরকার কোনো মন্তব্য বা সমর্থন প্রকাশ করেনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy