ঢাকা ০২:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারকে চাপে রাখবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দল ভারতীয় হাইকমিশনকে তলবের দাবি জানালেন নাহিদ ইসলাম কারাবন্দি ইমরান খানের সঙ্গে সাত মাস যোগাযোগ নেই, উদ্বিগ্ন পরিবার মন্ত্রিত্ব স্থায়ী নয়, গুঞ্জনের জবাবে বললেন সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে দক্ষ জনবল তৈরিতে এডাস্টে আন্তর্জাতিক সেমিনার বিজয়ের বিরুদ্ধে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহার করলেন স্ত্রী সঙ্গীতা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম উৎসবে মুক্তি পেল আরিফিন শুভ-মিমের সিনেমা ‘মালিক’ গণপূর্ত অধিদপ্তরে ১৭৭টি পদে নিয়োগ: আবেদন শুরু ২ আগস্ট জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় সারা দেশে পুলিশের সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি বেগম জিয়ার ত্যাগ ও সংগ্রাম প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবে: আসিফ

তীব্র গরম মোকাবিলায় কুকুরের মাংসের স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ উত্তর কোরিয়ার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

তীব্র তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় জনগণকে কুকুরের মাংসের স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটিতে তাপমাত্রা রেকর্ড 36.7 ডিগ্রি সেলসিয়াস (98.1 ডিগ্রি ফারেনহাইট) পর্যন্ত উঠেছে, যা সেখানে আধুনিক আবহাওয়া রেকর্ড রাখা শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ। এই তাপমাত্রা রেকর্ডটি 36 ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করে 36.7 ডিগ্রিতে পৌঁছায়, যা ফারেনহাইট স্কেলে 98 ডিগ্রি ছাড়িয়ে 98.1 ডিগ্রিতে দাঁড়ায়। এই তীব্র গরমের মধ্যে শরীর ঠান্ডা রাখা এবং শক্তি ধরে রাখার নানা উপায় রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে, যার মধ্যে কুকুরের মাংসের স্যুপ থেকে শুরু করে মুরগির ঝোল খাওয়ার পরামর্শ রয়েছে।

বছরের সবচেয়ে উষ্ণতম সময়টিকে উত্তর কোরিয়ায় ঐতিহ্যগতভাবে ‘সামবক’ বা ‘ডগ ডেজ অব সামার’ বলা হয়। এবার এই সময়ের তীব্র গরম নিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে অস্বাভাবিকভাবে বেশি প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে কুকুরের মাংসের স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ। দেশটির প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গ্রীষ্মের তীব্র গরম মোকাবিলায় এই খাবারটি অত্যন্ত উপকারী।

ক্ষমতাসীন দলের সংবাদপত্র রোদং সিনমুনে প্রকাশিত স্বাস্থ্যবিষয়ক এক প্রতিবেদনে পিয়ংইয়ং জেনারেল হাসপাতালের এক চিকিৎসকের পরামর্শ তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে তরমুজ, শসা ও মুগডালের মতো শরীর ঠান্ডা রাখে এমন খাবারের পাশাপাশি ‘পুষ্টিকর খাবার’ হিসেবে কুকুরের মাংসের স্যুপ, মাছের পায়েস ও লাল বিনের পায়েস খাওয়ার কথা বলা হয়। পত্রিকাটি কুকুরের মাংসের স্যুপ নিয়ে আলাদা একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে। সেখানে এটিকে গ্রীষ্মকালের ঐতিহ্যবাহী খাবার হিসেবে উল্লেখ করে পুরোনো একটি প্রবাদ তুলে ধরা হয়—‘গ্রীষ্মের তীব্র গরমে কুকুরের মাংসের স্যুপ পায়ের ওপর পড়লেও তা ওষুধ হয়ে যায়।’ চলতি বছরের শুরুতে দেশটিতে কুকুরের মাংস রান্নার একটি জাতীয় প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ ‘সামগিয়েতাং’-এরও প্রশংসা করেছে। এটি জিনসেং, আঠালো চাল ও খেজুর দিয়ে তৈরি এক ধরনের মুরগির স্যুপ। কেসিএনএ জানিয়েছে, গরম থেকে স্বস্তি পেতে পিয়ংইয়ংয়ের বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় এ খাবার খেতে মানুষের ভিড় বাড়ছে। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনেও চরম গরমে স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠান প্রচার করা হচ্ছে। সেখানে পর্যাপ্ত পানি ও তরল পান করার পাশাপাশি সাঁতার কাটা এবং খোলা জায়গায় শরীরচর্চার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে এই তাপপ্রবাহে উত্তর কোরিয়ায় কতজনের মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি দেশটির সরকার। অন্যদিকে প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়ায় তাপপ্রবাহজনিত কারণে ২০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শের পাশাপাশি দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের জনগণের মতোই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার পুরোনো প্রচারণা আবার সামনে আনা হয়েছে। রোদং সিনমুন ২০১৩ সালের গ্রীষ্মে কিমের একটি নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শনের ঘটনা তুলে ধরেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রচণ্ড গরমে পরিদর্শনের সময় কিমের পোশাক ঘামে ভিজে গিয়েছিল। এক কর্মকর্তা তাকে বছরের ওই সময়ে এমন পরিদর্শন এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিলে কিম বলেছিলেন, ‘আবহাওয়া অসহনীয় গরম হলেও জনগণের জন্য যে কাজ করা প্রয়োজন, তা করতেই হবে।’

পত্রিকাটি আরও জানিয়েছে, ২০১৮ সালে একটি উষ্ণ প্রস্রবণকেন্দ্র নির্মাণের উপযুক্ত স্থান খুঁজতে গিয়ে কিম খাড়া পাহাড়ি পথ এবং প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও কাজ চালিয়ে যান। আরেকটি প্রতিবেদনে কিমের একটি আচারযুক্ত সামুদ্রিক খাবার কারখানা পরিদর্শনের কথা তুলে ধরা হয়েছে, যখন তাপমাত্রা প্রায় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল। তবে বর্তমান তাপপ্রবাহের মধ্যে কিম জং উন নিজে কী করছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেশটির পূর্ব উপকূলের কিমের অন্যতম প্রধান পর্যটন প্রকল্প ওনসান কালমা কোস্টাল ট্যুরিস্ট জোনের সৈকত ও সুইমিং পুলে মানুষের ভিড়ের ছবি দেখানো হচ্ছে। পিয়ংইয়ংয়ের বিভিন্ন ওয়াটার পার্কেও গরম থেকে স্বস্তি পেতে বিপুলসংখ্যক মানুষ ভিড় করছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

তীব্র তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় জনগণকে কুকুরের মাংসের স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এ নিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে কুকুরের মাংসের স্যুপ থেকে শুরু করে মুরগির ঝোল- উচ্চ তাপমাত্রায় শরীর ঠান্ডা ও শক্তি ধরে রাখার নানা উপায় তুলে ধরা হচ্ছে। খবর দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভি

এনিয়ে গত ২ আগস্ট ক্ষমতাসীন দলের সংবাদপত্র রোদং সিনমুনে প্রকাশিত স্বাস্থ্যবিষয়ক এক প্রতিবেদনে পিয়ংইয়ং জেনারেল হাসপাতালের এক চিকিৎসকের পরামর্শ তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে তরমুজ, শসা ও মুগডালের মতো শরীর ঠান্ডা রাখে এমন খাবারের পাশাপাশি ‘পুষ্টিকর খাবার’ হিসেবে কুকুরের মাংসের স্যুপ, মাছের পায়েস ও লাল বিনের পায়েস খাওয়ার কথা বলা হ

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

তীব্র গরম মোকাবিলায় কুকুরের মাংসের স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ উত্তর কোরিয়ার

আপডেট সময় : ১২:৫০:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
print news

তীব্র তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় জনগণকে কুকুরের মাংসের স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটিতে তাপমাত্রা রেকর্ড 36.7 ডিগ্রি সেলসিয়াস (98.1 ডিগ্রি ফারেনহাইট) পর্যন্ত উঠেছে, যা সেখানে আধুনিক আবহাওয়া রেকর্ড রাখা শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ। এই তাপমাত্রা রেকর্ডটি 36 ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করে 36.7 ডিগ্রিতে পৌঁছায়, যা ফারেনহাইট স্কেলে 98 ডিগ্রি ছাড়িয়ে 98.1 ডিগ্রিতে দাঁড়ায়। এই তীব্র গরমের মধ্যে শরীর ঠান্ডা রাখা এবং শক্তি ধরে রাখার নানা উপায় রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে, যার মধ্যে কুকুরের মাংসের স্যুপ থেকে শুরু করে মুরগির ঝোল খাওয়ার পরামর্শ রয়েছে।

বছরের সবচেয়ে উষ্ণতম সময়টিকে উত্তর কোরিয়ায় ঐতিহ্যগতভাবে ‘সামবক’ বা ‘ডগ ডেজ অব সামার’ বলা হয়। এবার এই সময়ের তীব্র গরম নিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে অস্বাভাবিকভাবে বেশি প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে কুকুরের মাংসের স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ। দেশটির প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গ্রীষ্মের তীব্র গরম মোকাবিলায় এই খাবারটি অত্যন্ত উপকারী।

ক্ষমতাসীন দলের সংবাদপত্র রোদং সিনমুনে প্রকাশিত স্বাস্থ্যবিষয়ক এক প্রতিবেদনে পিয়ংইয়ং জেনারেল হাসপাতালের এক চিকিৎসকের পরামর্শ তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে তরমুজ, শসা ও মুগডালের মতো শরীর ঠান্ডা রাখে এমন খাবারের পাশাপাশি ‘পুষ্টিকর খাবার’ হিসেবে কুকুরের মাংসের স্যুপ, মাছের পায়েস ও লাল বিনের পায়েস খাওয়ার কথা বলা হয়। পত্রিকাটি কুকুরের মাংসের স্যুপ নিয়ে আলাদা একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে। সেখানে এটিকে গ্রীষ্মকালের ঐতিহ্যবাহী খাবার হিসেবে উল্লেখ করে পুরোনো একটি প্রবাদ তুলে ধরা হয়—‘গ্রীষ্মের তীব্র গরমে কুকুরের মাংসের স্যুপ পায়ের ওপর পড়লেও তা ওষুধ হয়ে যায়।’ চলতি বছরের শুরুতে দেশটিতে কুকুরের মাংস রান্নার একটি জাতীয় প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ ‘সামগিয়েতাং’-এরও প্রশংসা করেছে। এটি জিনসেং, আঠালো চাল ও খেজুর দিয়ে তৈরি এক ধরনের মুরগির স্যুপ। কেসিএনএ জানিয়েছে, গরম থেকে স্বস্তি পেতে পিয়ংইয়ংয়ের বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় এ খাবার খেতে মানুষের ভিড় বাড়ছে। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনেও চরম গরমে স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠান প্রচার করা হচ্ছে। সেখানে পর্যাপ্ত পানি ও তরল পান করার পাশাপাশি সাঁতার কাটা এবং খোলা জায়গায় শরীরচর্চার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে এই তাপপ্রবাহে উত্তর কোরিয়ায় কতজনের মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি দেশটির সরকার। অন্যদিকে প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়ায় তাপপ্রবাহজনিত কারণে ২০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শের পাশাপাশি দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের জনগণের মতোই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার পুরোনো প্রচারণা আবার সামনে আনা হয়েছে। রোদং সিনমুন ২০১৩ সালের গ্রীষ্মে কিমের একটি নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শনের ঘটনা তুলে ধরেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রচণ্ড গরমে পরিদর্শনের সময় কিমের পোশাক ঘামে ভিজে গিয়েছিল। এক কর্মকর্তা তাকে বছরের ওই সময়ে এমন পরিদর্শন এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিলে কিম বলেছিলেন, ‘আবহাওয়া অসহনীয় গরম হলেও জনগণের জন্য যে কাজ করা প্রয়োজন, তা করতেই হবে।’

পত্রিকাটি আরও জানিয়েছে, ২০১৮ সালে একটি উষ্ণ প্রস্রবণকেন্দ্র নির্মাণের উপযুক্ত স্থান খুঁজতে গিয়ে কিম খাড়া পাহাড়ি পথ এবং প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও কাজ চালিয়ে যান। আরেকটি প্রতিবেদনে কিমের একটি আচারযুক্ত সামুদ্রিক খাবার কারখানা পরিদর্শনের কথা তুলে ধরা হয়েছে, যখন তাপমাত্রা প্রায় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল। তবে বর্তমান তাপপ্রবাহের মধ্যে কিম জং উন নিজে কী করছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেশটির পূর্ব উপকূলের কিমের অন্যতম প্রধান পর্যটন প্রকল্প ওনসান কালমা কোস্টাল ট্যুরিস্ট জোনের সৈকত ও সুইমিং পুলে মানুষের ভিড়ের ছবি দেখানো হচ্ছে। পিয়ংইয়ংয়ের বিভিন্ন ওয়াটার পার্কেও গরম থেকে স্বস্তি পেতে বিপুলসংখ্যক মানুষ ভিড় করছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

তীব্র তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় জনগণকে কুকুরের মাংসের স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এ নিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে কুকুরের মাংসের স্যুপ থেকে শুরু করে মুরগির ঝোল- উচ্চ তাপমাত্রায় শরীর ঠান্ডা ও শক্তি ধরে রাখার নানা উপায় তুলে ধরা হচ্ছে। খবর দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভি

এনিয়ে গত ২ আগস্ট ক্ষমতাসীন দলের সংবাদপত্র রোদং সিনমুনে প্রকাশিত স্বাস্থ্যবিষয়ক এক প্রতিবেদনে পিয়ংইয়ং জেনারেল হাসপাতালের এক চিকিৎসকের পরামর্শ তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে তরমুজ, শসা ও মুগডালের মতো শরীর ঠান্ডা রাখে এমন খাবারের পাশাপাশি ‘পুষ্টিকর খাবার’ হিসেবে কুকুরের মাংসের স্যুপ, মাছের পায়েস ও লাল বিনের পায়েস খাওয়ার কথা বলা হ

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin