ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র দেওয়া বাধ্যতামূলক: প্রেস কাউন্সিল ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে একদিনে গ্রেপ্তার ৪৬৫, মামলা ৭৩ কয়রার যোগাযোগ সংকট কাটাতে ৬০ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নের উদ্যোগ দেশে ২ কোটি শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা, লক্ষ্য আরও ৩৫ লাখ সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি ভাঙ্গুড়ায় নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সিসিটিভিতে ধরা পড়ল প্রিজন ভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পালানোর দৃশ্য বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা শহীদ মনোযোগের রাশ কার হাতে, আপনার নাকি ফোনের স্ক্রিনের? যুক্তরাষ্ট্রে ফায়ারিং স্কোয়াডে কার্যকর হবে সাবেক মেজরের মৃত্যুদণ্ড

ছাতকে এক বছর পর চালু হলো রেলওয়ের কংক্রিট স্লিপার প্লান্ট

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত বাংলাদেশ রেলওয়ের একমাত্র কংক্রিট স্লিপার প্লান্টের উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে। দীর্ঘ এক বছর বন্ধ থাকার পর গত রোববার থেকে কারখানাটিতে পুরোদমে স্লিপার উৎপাদন শুরু হয়। কারখানাটি সচল হওয়ার পর রেলওয়ে ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে প্লান্ট এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, যান্ত্রিক ত্রুটি, কাঁচামালের সংকট এবং জনবল ঘাটতির মতো নানা জটিলতায় কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে জর্জরিত ছিল। এর আগে কয়েক দফায় উৎপাদন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও যান্ত্রিক ত্রুটি ও কাঁচামাল সংকটের কারণে তা আবারও বন্ধ হয়ে যায়। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরের প্রলয়ঙ্করী বন্যায় প্লান্টটি সম্পূর্ণ তলিয়ে যাওয়ায় এর গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। মূলত বন্যাদুর্গত মেশিনারিজ মেরামত ও ধাপে ধাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করতেই কারখানাটি চালু করতে দীর্ঘ বিলম্ব হয়েছে।

১৯৮৮ সালে তৎকালীন সরকারের উদ্যোগে রেললাইনকে মজবুত ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে ছাতকে এই সরকারি কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার সময় এর দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ছিল ২৬৪টি কংক্রিট স্লিপার। ২০০০ সাল পর্যন্ত স্বাভাবিক গতিতে চললেও পরবর্তীতে ২০১২, ২০১৪, ২০১৬ ও ২০২০ সালেও বিভিন্ন মেয়াদে কারখানাটি বন্ধ ও সচল হওয়ার মধ্য দিয়ে গেছে। বর্তমানে বিশ্বাস কনস্ট্রাকশন লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্লান্টটির কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

নতুন করে চালুর পর আগামী এক বছরে প্রতি সপ্তাহে ৬ দিন ২৪০টি করে মোট ২৫ হাজার কংক্রিট স্লিপার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে পঞ্চগড়, বাংলাবান্ধা ও জামালপুরে বেসরকারি খাতে গড়ে ওঠা স্লিপার প্লান্ট থেকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ স্লিপার সংগ্রহ করায় স্থানীয়ভাবে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

কারখানা পরিদর্শনকালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিশ্বাস কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের পরিচালক মো. আশরাফ উদ্দিন জানান, বন্যার পানিতে তলিয়ে মেশিনারিজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। যন্ত্রাংশ মেরামত ও পরীক্ষামূলক প্রক্রিয়া শেষ করে এখন উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রয়োজনীয় মেরামত শেষে প্লান্টটি চালু হয়েছে এবং আশা করা যাচ্ছে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সপ্তাহে ছয় দিনই নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন সম্ভব হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ছাতকে এক বছর পর চালু হলো রেলওয়ের কংক্রিট স্লিপার প্লান্ট

আপডেট সময় : ০১:১৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত বাংলাদেশ রেলওয়ের একমাত্র কংক্রিট স্লিপার প্লান্টের উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে। দীর্ঘ এক বছর বন্ধ থাকার পর গত রোববার থেকে কারখানাটিতে পুরোদমে স্লিপার উৎপাদন শুরু হয়। কারখানাটি সচল হওয়ার পর রেলওয়ে ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে প্লান্ট এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, যান্ত্রিক ত্রুটি, কাঁচামালের সংকট এবং জনবল ঘাটতির মতো নানা জটিলতায় কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে জর্জরিত ছিল। এর আগে কয়েক দফায় উৎপাদন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও যান্ত্রিক ত্রুটি ও কাঁচামাল সংকটের কারণে তা আবারও বন্ধ হয়ে যায়। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরের প্রলয়ঙ্করী বন্যায় প্লান্টটি সম্পূর্ণ তলিয়ে যাওয়ায় এর গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। মূলত বন্যাদুর্গত মেশিনারিজ মেরামত ও ধাপে ধাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করতেই কারখানাটি চালু করতে দীর্ঘ বিলম্ব হয়েছে।

১৯৮৮ সালে তৎকালীন সরকারের উদ্যোগে রেললাইনকে মজবুত ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে ছাতকে এই সরকারি কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার সময় এর দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ছিল ২৬৪টি কংক্রিট স্লিপার। ২০০০ সাল পর্যন্ত স্বাভাবিক গতিতে চললেও পরবর্তীতে ২০১২, ২০১৪, ২০১৬ ও ২০২০ সালেও বিভিন্ন মেয়াদে কারখানাটি বন্ধ ও সচল হওয়ার মধ্য দিয়ে গেছে। বর্তমানে বিশ্বাস কনস্ট্রাকশন লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্লান্টটির কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

নতুন করে চালুর পর আগামী এক বছরে প্রতি সপ্তাহে ৬ দিন ২৪০টি করে মোট ২৫ হাজার কংক্রিট স্লিপার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে পঞ্চগড়, বাংলাবান্ধা ও জামালপুরে বেসরকারি খাতে গড়ে ওঠা স্লিপার প্লান্ট থেকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ স্লিপার সংগ্রহ করায় স্থানীয়ভাবে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

কারখানা পরিদর্শনকালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিশ্বাস কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের পরিচালক মো. আশরাফ উদ্দিন জানান, বন্যার পানিতে তলিয়ে মেশিনারিজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। যন্ত্রাংশ মেরামত ও পরীক্ষামূলক প্রক্রিয়া শেষ করে এখন উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রয়োজনীয় মেরামত শেষে প্লান্টটি চালু হয়েছে এবং আশা করা যাচ্ছে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সপ্তাহে ছয় দিনই নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন সম্ভব হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh