ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বন্দরে ছবি ও ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা জারি করল কর্তৃপক্ষ ঈশ্বরদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস দৌলতখানে গ্রামীণ সড়ক মাস্টারপ্ল্যান ও তথ্য যাচাই বিষয়ক কর্মশালা আনোয়ারায় অস্ত্র হাতে ভাইরাল ও ছাত্র আন্দোলনে হামলার আসামি শিবলু গ্রেপ্তার স্ত্রীকে ভারতে পাচারের চেষ্টা: স্বামীসহ গ্রেপ্তার ৪ বিটিএমএ নেতাদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের মতবিনিময়, সমাধানের আশ্বাস রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসিকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ আট মাস পর ইউরিয়া উৎপাদনে ফিরলো যমুনা সার কারখানা নির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার নেছারাবাদে ১ কেজি গাঁজাসহ ডিবি পুলিশের হাতে যুবক গ্রেপ্তার

ধামরাইয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, এমপিকে চেয়ারম্যানের চ্যালেঞ্জ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ঢাকার ধামরাইয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এমপি তমিজ উদ্দিনকে প্রকাশ্যে মারামারি করার চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন সূতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রমিজুর রহমান চৌধুরী রোমা। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার দুপুরে গণমাধ্যমের সামনে দেওয়া বক্তব্যে চেয়ারম্যান রোমা এমপি তমিজ উদ্দিনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, অনুসারীদের দিয়ে হামলা না চালিয়ে সাহস থাকলে সশরীরে আসেন। তখন দুইজনের মধ্যে কার কতটুকু শক্তি তার পরীক্ষা হয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ঘটনার সূত্রপাত হয় শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে। সূতিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আওয়ামী লীগের ‘সন্ত্রাস, নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে এমপি তমিজ উদ্দিনের অনুসারীরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে একটি মোটরসাইকেল মহড়া বের করেন।

মহড়া চলাকালে ইউপি চেয়ারম্যান রোমার মেয়ের জামাই জাহিদুল ইসলাম বাবুসহ কয়েকজনের সঙ্গে এমপি গ্রুপের লোকজনের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মারধর, সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

চেয়ারম্যান রোমার অভিযোগ, সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিনের অনুসারীরা তাঁর মেয়ের জামাই জাহিদুল ইসলাম বাবু, কর্মী বাবুল সরদার ও শরীফসহ ৬-৭ জনের ওপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর করেছেন। তিনি দাবি করেন, বাবুল সরদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। রোমা আরও বলেন, ‘আমি সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিনের গ্রুপ করি না। আমি মুরাদের গ্রুপ করেছি, মুরাদের পেছনে শ্রম দিয়েছি, নির্বাচনে তার মনোনয়নের জন্য কাজ করেছি। যে কারণে তমিজ সাহেব তার লোকজনকে আমার বিরুদ্ধে উসকে দিয়েছেন।’

অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম ভিন্ন অভিযোগ করেছেন। তিনি জানান, আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মোটরসাইকেল মহড়া বের করেছিলেন। মহড়াটি এ কে এইচ কারখানার সামনে পৌঁছালে রোমার লোকজন তাঁদের ওপর হামলা চালায়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে তাঁদের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এর মধ্যে শরীফুল ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং তদন্ত শেষে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ধামরাইয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, এমপিকে চেয়ারম্যানের চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় : ১২:২৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকার ধামরাইয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এমপি তমিজ উদ্দিনকে প্রকাশ্যে মারামারি করার চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন সূতিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রমিজুর রহমান চৌধুরী রোমা। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার দুপুরে গণমাধ্যমের সামনে দেওয়া বক্তব্যে চেয়ারম্যান রোমা এমপি তমিজ উদ্দিনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, অনুসারীদের দিয়ে হামলা না চালিয়ে সাহস থাকলে সশরীরে আসেন। তখন দুইজনের মধ্যে কার কতটুকু শক্তি তার পরীক্ষা হয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ঘটনার সূত্রপাত হয় শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে। সূতিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আওয়ামী লীগের ‘সন্ত্রাস, নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে এমপি তমিজ উদ্দিনের অনুসারীরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে একটি মোটরসাইকেল মহড়া বের করেন।

মহড়া চলাকালে ইউপি চেয়ারম্যান রোমার মেয়ের জামাই জাহিদুল ইসলাম বাবুসহ কয়েকজনের সঙ্গে এমপি গ্রুপের লোকজনের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মারধর, সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

চেয়ারম্যান রোমার অভিযোগ, সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিনের অনুসারীরা তাঁর মেয়ের জামাই জাহিদুল ইসলাম বাবু, কর্মী বাবুল সরদার ও শরীফসহ ৬-৭ জনের ওপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর করেছেন। তিনি দাবি করেন, বাবুল সরদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। রোমা আরও বলেন, ‘আমি সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিনের গ্রুপ করি না। আমি মুরাদের গ্রুপ করেছি, মুরাদের পেছনে শ্রম দিয়েছি, নির্বাচনে তার মনোনয়নের জন্য কাজ করেছি। যে কারণে তমিজ সাহেব তার লোকজনকে আমার বিরুদ্ধে উসকে দিয়েছেন।’

অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম ভিন্ন অভিযোগ করেছেন। তিনি জানান, আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মোটরসাইকেল মহড়া বের করেছিলেন। মহড়াটি এ কে এইচ কারখানার সামনে পৌঁছালে রোমার লোকজন তাঁদের ওপর হামলা চালায়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে তাঁদের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এর মধ্যে শরীফুল ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং তদন্ত শেষে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh