ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য আমি: ডোনাল্ড ট্রাম্প চরফ্যাশনে অসময়ে তরমুজ চাষে কৃষক মিজানের অভাবনীয় সাফল্য সেন্টমার্টিন উপকূলে ৪২ কোটি টাকার ইয়াবা ও হেরোইন জব্দ দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ১৯৩৫ রোগী বিশ্ব অক্টোপাস দিবস আজ: রহস্যময় এই প্রাণীর বিস্ময়কর সব তথ্য মানবিক ও শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনে সুনির্দিষ্ট সংস্কারের তাগিদ রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন সাহিত্যে ২০২৬ সালের নোবেল পেলেন কানাডীয় লেখিকা অ্যান কারসন কর্মকর্তাদের কর্তৃত্ববাদী না হয়ে সেবক হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর রূপগঞ্জে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ ও বাস ভাঙচুর, যান চলাচল স্বাভাবিক

আবুল বারকাতের দুটি ফ্ল্যাট ও গাড়ি জব্দ, ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৪৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল বারকাতের দুটি ফ্ল্যাটসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁর ২৯ লাখ টাকা মূল্যের একটি ব্যক্তিগত গাড়ি এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান এই আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ অধ্যাপক আবুল বারকাতের সম্পদ জব্দের আবেদনটি আদালতে পেশ করেন।

দুদকের পক্ষ থেকে দাখিল করা ওই আবেদনে বলা হয়, আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বেআইনিভাবে ঋণ দিয়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের একটি অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। এই অনুসন্ধান চলাকালে তাঁর নামে ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৫০ লাখ ৩১ হাজার টাকা ও ১০ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলার মূল্যের অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগ নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই আবুল বারকাত এসব সম্পত্তি স্থানান্তর বা রূপান্তরের চেষ্টা করছেন। এই অবৈধ সম্পত্তি যদি হস্তান্তর বা বিক্রি হয়ে যায়, তবে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতি হবে। এ কারণে সম্পত্তিগুলো অবিলম্বে জব্দ ও অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

অধ্যাপক আবুল বারকাত বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি এবং একটি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকাকালে এননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে দুদক।

এই মামলার জেরে গত বছরের ১০ জুলাই ধানমন্ডি এলাকা থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে দুদকের মামলায় জামিন পেলেও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত ব্যবসায়ী ওয়াদুদ হত্যা মামলায় তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। শেষ পর্যন্ত এই মামলায় জামিন পাওয়ার পর গত জুনের শেষ দিকে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

আবুল বারকাতের দুটি ফ্ল্যাট ও গাড়ি জব্দ, ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০১:৪৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল বারকাতের দুটি ফ্ল্যাটসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁর ২৯ লাখ টাকা মূল্যের একটি ব্যক্তিগত গাড়ি এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান এই আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ অধ্যাপক আবুল বারকাতের সম্পদ জব্দের আবেদনটি আদালতে পেশ করেন।

দুদকের পক্ষ থেকে দাখিল করা ওই আবেদনে বলা হয়, আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বেআইনিভাবে ঋণ দিয়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের একটি অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। এই অনুসন্ধান চলাকালে তাঁর নামে ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৫০ লাখ ৩১ হাজার টাকা ও ১০ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলার মূল্যের অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগ নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই আবুল বারকাত এসব সম্পত্তি স্থানান্তর বা রূপান্তরের চেষ্টা করছেন। এই অবৈধ সম্পত্তি যদি হস্তান্তর বা বিক্রি হয়ে যায়, তবে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতি হবে। এ কারণে সম্পত্তিগুলো অবিলম্বে জব্দ ও অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

অধ্যাপক আবুল বারকাত বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি এবং একটি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকাকালে এননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে দুদক।

এই মামলার জেরে গত বছরের ১০ জুলাই ধানমন্ডি এলাকা থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে দুদকের মামলায় জামিন পেলেও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত ব্যবসায়ী ওয়াদুদ হত্যা মামলায় তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। শেষ পর্যন্ত এই মামলায় জামিন পাওয়ার পর গত জুনের শেষ দিকে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo