১৮ কোটি মানুষের নিরাপদ পানির জন্য ২.১ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৩:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে প্রায় ২ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি প্রকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। একই সঙ্গে বিগত ১৭ বছরের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করে বর্তমান সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে ইউনিসেফ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এই বৈঠকে ইউনিসেফের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক ও ওয়াটার এইডের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ধনী দেশগুলো এখন তাদের আর্থিক সহায়তা কমিয়ে দিয়েছে। তার ওপর বিগত সময়ে পাওয়া বিদেশি সহায়তারও সঠিক ব্যবহার করা হয়নি। তবে বর্তমান বিএনপি সরকার সব ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধ করে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
বৈঠক শেষে ইউনিসেফ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জানান, বাংলাদেশের সব মানুষের জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে তারা প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবেন।
সুপেয় পানি সরবরাহ করাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পানি ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। তবে এই পানি যদি দূষিত ও জীবাণুযুক্ত হয়, তবে তা মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই ১৮ কোটি মানুষের কাছে নিরাপদ পানি পৌঁছে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আজ বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
উজান থেকে পানি আটকে দেওয়ার কারণে দেশের নদীগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, উজানে পানি প্রত্যাহারের ফলে একদিকে যেমন আমাদের উত্তরের জেলাগুলোতে মরুভূমিজনিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলেও এর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। নদী দিয়ে বঙ্গোপসাগরে যাওয়া পানির পরিমাণ কমে যাওয়ায় সমুদ্রের লবণাক্ত পানি ওপরের দিকে উঠে আসছে। এই কারণে বিগত কয়েক দশক ধরে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি সমন্বিত পরিকল্পনার কথা জানিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সব বিষয় বিবেচনা করে মানুষের কাছে সুপেয় পানি পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আমরা জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক ও ওয়াটার এইডের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার পরিকল্পনা করছি। এই বিশাল প্রকল্পের অর্থায়ন কীভাবে হবে, তা নিয়ে আজকের সভায় ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।



























