ঢাকা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সবজির দাম কমলেও নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে গোলাগুলি, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ ভারতীয় আটক প্রযুক্তির যুগে দাওয়াহর সম্ভাবনা ও দাঈদের নিয়ত রক্ষার চ্যালেঞ্জ নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক ঢলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭২ নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়: চট্টগ্রামে চরম উৎকণ্ঠায় নেপালি শিক্ষার্থীরা নেপালের বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ৩ কোটি ডলারের আবেদন রেড ক্রসের ঋণের চাপে সপরিবারে আত্মগোপনে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু আটক পাকিস্তান ও কুয়েতের মধ্যে নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা প্রকাশ মিয়ানমারে পণ্য রপ্তানির অর্থ আসবে তৃতীয় দেশ থেকে, ছাড় দিচ্ছে এনবিআর

কলেজের অভাবে উচ্চশিক্ষায় অনিশ্চয়তা দোয়ারাবাজারের হাওড় শিক্ষার্থীদের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০১:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার মুহিবুর রহমান মানিক সোনালী নূর উচ্চবিদ্যালয়টি এলাকার শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক শিক্ষার প্রধান ভরসা। কানলার হাওড়ের পূর্বপাড়ে অবস্থিত এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। তবে মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোনোর পর উচ্চশিক্ষার পথ তাদের জন্য বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকায় কোনো কলেজ না থাকায় অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা এখানেই থেমে যাচ্ছে।

এসএসসি পাসের পর উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হতে শিক্ষার্থীদের আট থেকে দশ কিলোমিটার দূরের কলেজে যেতে হয়। কিন্তু সরাসরি সড়ক যোগাযোগ না থাকায় যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। আর্থিক সংকট ও যোগাযোগ সমস্যার কারণে অনেক অভিভাবক সন্তানদের, বিশেষ করে মেয়েদের, আর কলেজে পাঠাতে পারেন না।

বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়া আক্তার জানায়, আমাদের সবারই স্বপ্ন এসএসসির পর কলেজে পড়ার। কিন্তু আশপাশে কোনো কলেজ না থাকায় সেই স্বপ্ন অনেকেরই ভেঙে যায়। দূরের কলেজে যাতায়াতের কষ্ট, খরচ ও নিরাপত্তার কারণে অনেক পরিবার ছেলে-মেয়েদের বিশেষ করে মেয়েদের আর পড়তে পাঠাতে চায় না। তাই প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনা মাধ্যমিকের পরই থেমে যায়। রিয়া ও তার সহপাঠীদের মতে, নিকটবর্তী একটি কলেজের অভাবে উচ্চশিক্ষা নিয়ে তারা অনিশ্চয়তায় ভুগছেন।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম জানান, প্রতিবছর ভালো ফলাফল করলেও কলেজ না থাকায় অনেক শিক্ষার্থী এসএসসির পর ঝরে পড়ে। বিদ্যালয়টিকে কলেজে উন্নীত করা হলে প্রত্যন্ত হাওরের ছেলে-মেয়েরা নিজ এলাকায় থেকেই এইচএসসি পর্যন্ত পড়ার সুযোগ পাবে।

এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হোসেন বলেন, বিদ্যালয়টিতে উচ্চমাধ্যমিক চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো রয়েছে। কলেজে উন্নীত করা গেলে বিশেষ করে মেয়ে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার কমবে। তিনি এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

কলেজের অভাবে উচ্চশিক্ষায় অনিশ্চয়তা দোয়ারাবাজারের হাওড় শিক্ষার্থীদের

আপডেট সময় : ০৫:০১:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার মুহিবুর রহমান মানিক সোনালী নূর উচ্চবিদ্যালয়টি এলাকার শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক শিক্ষার প্রধান ভরসা। কানলার হাওড়ের পূর্বপাড়ে অবস্থিত এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। তবে মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোনোর পর উচ্চশিক্ষার পথ তাদের জন্য বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকায় কোনো কলেজ না থাকায় অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা এখানেই থেমে যাচ্ছে।

এসএসসি পাসের পর উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হতে শিক্ষার্থীদের আট থেকে দশ কিলোমিটার দূরের কলেজে যেতে হয়। কিন্তু সরাসরি সড়ক যোগাযোগ না থাকায় যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। আর্থিক সংকট ও যোগাযোগ সমস্যার কারণে অনেক অভিভাবক সন্তানদের, বিশেষ করে মেয়েদের, আর কলেজে পাঠাতে পারেন না।

বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়া আক্তার জানায়, আমাদের সবারই স্বপ্ন এসএসসির পর কলেজে পড়ার। কিন্তু আশপাশে কোনো কলেজ না থাকায় সেই স্বপ্ন অনেকেরই ভেঙে যায়। দূরের কলেজে যাতায়াতের কষ্ট, খরচ ও নিরাপত্তার কারণে অনেক পরিবার ছেলে-মেয়েদের বিশেষ করে মেয়েদের আর পড়তে পাঠাতে চায় না। তাই প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনা মাধ্যমিকের পরই থেমে যায়। রিয়া ও তার সহপাঠীদের মতে, নিকটবর্তী একটি কলেজের অভাবে উচ্চশিক্ষা নিয়ে তারা অনিশ্চয়তায় ভুগছেন।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম জানান, প্রতিবছর ভালো ফলাফল করলেও কলেজ না থাকায় অনেক শিক্ষার্থী এসএসসির পর ঝরে পড়ে। বিদ্যালয়টিকে কলেজে উন্নীত করা হলে প্রত্যন্ত হাওরের ছেলে-মেয়েরা নিজ এলাকায় থেকেই এইচএসসি পর্যন্ত পড়ার সুযোগ পাবে।

এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হোসেন বলেন, বিদ্যালয়টিতে উচ্চমাধ্যমিক চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো রয়েছে। কলেজে উন্নীত করা গেলে বিশেষ করে মেয়ে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার কমবে। তিনি এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh